বান্দরবানের লামায় অবৈধ ইটভাটায় অভিযানে বাধা দেওয়ার অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও এবি পার্টির নেতাসহ ১১ জনের নামে মামলা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। মামলায় আরও চারশ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
সোমবার লামা থানায় মামলাটি করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের বান্দরবান জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মোহাম্মদ নুর উদ্দিন। মামলায় এবি পার্টির কেন্দ্রীয় পর্যটন বিষয়কসহ সম্পাদক এবি ওয়াহিদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী এরফানুল হককে আসামি করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন মিজবাহ উদ্দিন মিন্টু (৪৮), মো. মহিউদ্দিন (৪০), শওকত ওসমান (৪০), মুজিবুল হক চৌধুরী (৫০), খাইয়ের উদ্দিন মাস্টার (৫০), মিজান, জলিল, আলম মেম্বার ও জহির।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, হাইকোর্টের নির্দেশে রোববার (১৬ নভেম্বর) লামা উপজেলার পাগলিছড়া ও ফাইতং এলাকার অবৈধ ইটভাটায় উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালায় পরিবেশ অধিদপ্তর। এতে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজুয়ান উল ইসলাম। এই অভিযানে এবি পার্টির নেতা এবি ওয়াহিদ ও এনসিপি নেতা এরফানুল হকের নেতৃত্বে ইটভাটা মালিকদের লোকজন বিভিন্নভাবে বাধা সৃষ্টি করে। এক পর্যায়ে অভিযান বন্ধ রেখে তারা ফিরে যেতে বাধ্য হন।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মো. জমির উদ্দিন। তিনি বলেন, অভিযানের শুরুতে অবৈধ তিনটি ইটভাটা গুড়িয়ে দিয়েছি। পরে আরও কয়েকটিতে অভিযানে গেলে ইটভাটা মালিকরা তাদের শ্রমিক দিয়ে বিভিন্নভাবে বাধা দেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ফাইতং ইউনিয়নে অনুমোদন ছাড়াই ৩১টি ইটভাটা চলছে। এসব ইটভাটার মধ্যে এ বছর প্রায় ২৫টির কার্যক্রম চালু হয়। এর মধ্যে পাঁচ-ছয়টি ইটভাটার চুলায় আগুন দেওয়া শুরু হয়েছে।ইটভাটার মালিকেরা পাহাড় কেটে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের মারাত্মক ক্ষতি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রকৃতিবার্তা ডেস্ক 




















