সংবাদ শিরোনাম ::
Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা Logo আজ থেকে ১১ জুন পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা Logo ১৬ এপ্রিলের আবহাওয়া স্বস্তিদায়ক হতে পারে, তবে এরপর আবার গরম Logo মিরসরাইয়ে হরিণ জবাই! জড়িতদের ধরতে বন বিভাগের অভিযান Logo জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা Logo প্রাণী নির্যাতন বন্ধে সরকারের কাছে আইনি নোটিশ Logo কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপার ক্ষোভ: এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ Logo পহেলা বৈশাখে আকাশ থাকতে পারে মেঘলা, তাপপ্রবাহ চলছে, সঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা Logo পহেলা বৈশাখে বন্ধ থাকবে মেট্রোরেলের দুটি স্টেশন

আজ ঐতিহাসিক পতাকা উড়ানোর দিন, প্রকৃতির কথা বলে যার লাল-সবুজ জমিন

আজ ঐতিহাসিক পতাকা উড়ানোর দিন, প্রকৃতির কথা বলে যার লাল-সবুজ জমিন

২রা মার্চ, ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানীদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা উড়ানো হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে বটতলায়।

পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ, অন্যায়, অত্যাচার, অবিচারের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের ২ মার্চ তৎকালীন ডাকসু নেতাদের উদ্যোগে সাড়া দিয়েছিল আমজনতা।

প্রকৃতপক্ষে সেদিনের পতাকা উড়ানোর মধ্য দিয়েই বাঙালি ছাত্র-জনতা স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্নিমন্ত্রে উজ্জীবিত হয় এবং জানান দেয় স্বাধীন বাংলাদেশের বিকল্প নেই।

তবে তৎকালীন পতাকার নকশা বর্তমান রূপের মতো ছিল না। সবুজ জমিনের ওপর লাল বৃত্তের মাঝে সোনালি মানচিত্র সংবলিত সেই পতাকার নকশা করেছিলেন শিব নারায়ণ দাশ।

দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ শেষে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়, আর সেই সময় এই পতাকাই ছিল জাতির পরিচয়ের প্রতীক।

পরবর্তীতে ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপ গৃহীত হয়। শিল্পী কামরুল হাসান এর নকশা প্রণয়ন করেন। সবুজ আয়তক্ষেত্রের মাঝে লাল বৃত্ত—রক্তঝরা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীনতার উদীয়মান সূর্যের প্রতীক হিসেবে আজও আমাদের জাতীয় গৌরবের প্রতিচ্ছবি হয়ে রয়েছে।


আরও বিস্তারিতভাবে বললে: বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় প্রকৃতির রূপ ফুটে উঠেছে এর রঙ ও প্রতীকের মাধ্যমে। গাঢ় সবুজ রঙের জমিন বাংলাদেশের শ্যামল প্রকৃতির চিরসবুজ রূপ এবং তারুণ্যের প্রতীক। অন্যদিকে মাঝের লাল বৃত্তটি উদীয়মান সূর্যকে নির্দেশ করে যা নতুন আশা ও একটি নতুন স্বাধীন দেশের অভ্যুদয়কে প্রতিনিধিত্ব করে।

সহজ করে বললে- বাংলাদেশের পতাকার দুই রঙ অর্থাৎ সবুজ: বাংলাদেশের গ্রামীণ নৈসর্গিক দৃশ্য উর্বর মাঠ ,বনভূমি ও চিরসবুজ প্রকৃতির প্রতীক।
এবং লাল : উদীয়মান সূর্য এবং একই সাথে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের রক্তের প্রতীক ।

 

মানচিত্র কেন বাদ দেয়া হয়েছিল?
১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা থেকে মানচিত্রটি বাদ দেওয়া হয় মূলত পতাকার নকশা সহজীকরণ এবং সবদিকে সঠিকভাবে মানচিত্র ফুটিয়ে তোলার অসুবিধার কারণে । পতাকার উভয় পাশে মানচিত্রটি সঠিকভাবে এবং সঠিকভাবে আঁকা বা ফুটিয়ে তোলা ছিল অত্যন্ত কঠিন । নকশাটিকে আরও সহজসাধারণ এবং দূর থেকে সহজে চেনার উপযোগী করার লক্ষ্যে এটি করা হয় ।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া

আজ ঐতিহাসিক পতাকা উড়ানোর দিন, প্রকৃতির কথা বলে যার লাল-সবুজ জমিন

আপডেট সময় ১১:৪৭:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

২রা মার্চ, ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানীদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা উড়ানো হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে বটতলায়।

পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ, অন্যায়, অত্যাচার, অবিচারের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের ২ মার্চ তৎকালীন ডাকসু নেতাদের উদ্যোগে সাড়া দিয়েছিল আমজনতা।

প্রকৃতপক্ষে সেদিনের পতাকা উড়ানোর মধ্য দিয়েই বাঙালি ছাত্র-জনতা স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্নিমন্ত্রে উজ্জীবিত হয় এবং জানান দেয় স্বাধীন বাংলাদেশের বিকল্প নেই।

তবে তৎকালীন পতাকার নকশা বর্তমান রূপের মতো ছিল না। সবুজ জমিনের ওপর লাল বৃত্তের মাঝে সোনালি মানচিত্র সংবলিত সেই পতাকার নকশা করেছিলেন শিব নারায়ণ দাশ।

দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ শেষে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়, আর সেই সময় এই পতাকাই ছিল জাতির পরিচয়ের প্রতীক।

পরবর্তীতে ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপ গৃহীত হয়। শিল্পী কামরুল হাসান এর নকশা প্রণয়ন করেন। সবুজ আয়তক্ষেত্রের মাঝে লাল বৃত্ত—রক্তঝরা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীনতার উদীয়মান সূর্যের প্রতীক হিসেবে আজও আমাদের জাতীয় গৌরবের প্রতিচ্ছবি হয়ে রয়েছে।


আরও বিস্তারিতভাবে বললে: বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় প্রকৃতির রূপ ফুটে উঠেছে এর রঙ ও প্রতীকের মাধ্যমে। গাঢ় সবুজ রঙের জমিন বাংলাদেশের শ্যামল প্রকৃতির চিরসবুজ রূপ এবং তারুণ্যের প্রতীক। অন্যদিকে মাঝের লাল বৃত্তটি উদীয়মান সূর্যকে নির্দেশ করে যা নতুন আশা ও একটি নতুন স্বাধীন দেশের অভ্যুদয়কে প্রতিনিধিত্ব করে।

সহজ করে বললে- বাংলাদেশের পতাকার দুই রঙ অর্থাৎ সবুজ: বাংলাদেশের গ্রামীণ নৈসর্গিক দৃশ্য উর্বর মাঠ ,বনভূমি ও চিরসবুজ প্রকৃতির প্রতীক।
এবং লাল : উদীয়মান সূর্য এবং একই সাথে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের রক্তের প্রতীক ।

 

মানচিত্র কেন বাদ দেয়া হয়েছিল?
১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা থেকে মানচিত্রটি বাদ দেওয়া হয় মূলত পতাকার নকশা সহজীকরণ এবং সবদিকে সঠিকভাবে মানচিত্র ফুটিয়ে তোলার অসুবিধার কারণে । পতাকার উভয় পাশে মানচিত্রটি সঠিকভাবে এবং সঠিকভাবে আঁকা বা ফুটিয়ে তোলা ছিল অত্যন্ত কঠিন । নকশাটিকে আরও সহজসাধারণ এবং দূর থেকে সহজে চেনার উপযোগী করার লক্ষ্যে এটি করা হয় ।