রাজধানী ঢাকায় আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ভোর ৬টা ১৪ মিনিট ৪৫ সেকেন্ডে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এবারও ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদী। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ৩০ কিলোমিটার।
১৩ দিনের ব্যবধানে নরসিংদীতে পঞ্চমবারের মতো ভূমিকম্প হওয়ায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বেড়ে গেছে। তবে আজ ভূমিকম্পের পর বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
নরসিংদীর এক বাসিন্দা বলেন, সকালে সবাই ঘুমের মধ্যে ছিলাম। হঠাৎ আসবাবপত্রসহ পুরো ঘর কাঁপছিল। পরপর কয়েকবার কেঁপে ওঠার পর বুঝতে পারলাম ভূমিকম্প হচ্ছে। আতঙ্কিত হয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে আসি। এরই মধ্যে পরপর কয়েকবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তাই আমাদের মধ্যে আতঙ্কের পরিমাণটা কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।’
অপর এক বাসিন্দা বলেন, ‘যেভাবে নরসিংদীতে পরপর ভূমিকম্প হচ্ছে তাতে আমরা ট্রমাটাইজ হয়ে যাচ্ছি। অনেকটাই হতভম্বের মতো। কী করবো, বুঝতে পারছি না।’
এর আগে সোমবার (১ ডিসেম্বর) কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সোমবার দিনগত রাত ১২টা ৫৭ মিনিটে কক্সবাজার শহর, উখিয়া, চকরিয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা ভূমিকম্প অনুভব করেন।
এরও আগে গত ২১ ও ২২ নভেম্বর দুই দিনে চার দফা ভূমিকম্প হয়। এর মধ্যে ২১ নভেম্বরের ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৭। এতে ১০ জনের মৃত্যু হয়। এদিনের ভূমিকম্পে সৃষ্ট কম্পনে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। ২১ তারিখ হওয়া ভূমিকম্পে নরসিংদীতে ৫ জন নিহত হন। আহত হন শতাধিক। ক্ষতিগ্রস্ত হয় শতাধিক সরকারি বেসরকারি স্থাপনা।
প্রকৃতিবার্তা ডেস্ক 



















