বন্যপ্রাণীর অবৈধ কারবারের জন্য কুখ্যাত হয়ে উঠেছে মিরপুর পাখির হাট নামের তথাকথিত একটি জায়গা। প্রায়ই এখানে বন অধিদপ্তরের অভিযান হলেও থামছে না অবৈধ কারবার। মিরপুর-১ সংলগ্ন এই হাঁটে সর্বশেষ অভিযানে ৭৩ টি দেশীয় পাখি উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে টিয়া -৫৪ টি, হরিয়াল-৩টি, মুনিয়া -১০টি,শালিক -৫টি, ময়না-০১ টি।
গত শুক্রবার শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত মিরপুর-১ পাখির হাটে এই অভিযান চালায় বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট (ডব্লিউসিসিইউ)। অভিযান শেষে সেদিন দুপুরে মিরপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনে পাখিগুলো অবমুক্ত করা হয়।

বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট জানায়, পাখি এবং অন্যান্য বন্যপ্রাণী বিক্রি ও খাঁচাবন্দি রাখা বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। জনসচেতনতা বাড়ানো এবং অবৈধ বন্যপ্রাণী বাণিজ্য বন্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে।
বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো: আমীর হোসাইন চৌধুরী জানান, প্রকৃতিতে বন্যপ্রাণীর স্বাধীন বিচরণই তাদের প্রাকৃতিক অধিকার। শহরের পাখির হাটগুলোতে যেভাবে অসংখ্য বন্য প্রাণী খাঁচায় বন্দি হয়ে বিক্রি হচ্ছে, তা শুধু বেআইনি নয়—নিষ্ঠুরও বটে। তিনি জানান, উদ্ধারকৃত প্রাণীগুলো প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ শেষে নিরাপদ পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে।
বন অধিদপ্তর সকল নাগরিককে বন্যপ্রাণী কেনাবেচা ও খাঁচায় পোষা থেকে বিরত থাকতে এবং এ ধরনের বেআইনি কার্যকলাপের তথ্য দিয়ে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে। এধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে।
প্রকৃতিবার্তা ডেস্ক 



















