যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে হলে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে রাশিয়ার কিছু শর্ত মেনে নিতে হবে। এই শর্তের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ইউক্রেনকে ন্যাটোতে যোগ দেয়া চলবে না এবং ক্রিমিয়া, দোনেৎস্ক রাশিয়াকে ছেড়ে দিতে হবে।
আলাস্কায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর এবং ওয়াশিংটনে জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের আগে এসব বিষয় সাফ জানিয়ে দিলেন ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন।
পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি চাইলে প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে পারেন, অথবা লড়াই চালিয়ে যেতে পারেন। মনে রাখুন, এর শুরুটা হয়েছিল কীভাবে। ওবামার আমলে কোনো গুলি ছাড়াই ক্রিমিয়া চলে গিয়েছিল রাশিয়ার দখলে। আর ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। কিছু বিষয় কখনোই বদলায় না!’
ট্রাম্পের এই মন্তব্যে ইঙ্গিত মেলে যে, সোমবার হোয়াইট হাউসে বৈঠকে জেলেনস্কি প্রবল চাপের মুখে পড়তে পারেন। তিনি যে দুইটি শর্ত উল্লেখ করেছেন তা হলো-ইউক্রেনকে ক্রিমিয়া ছেড়ে দিতে হবে এবং ন্যাটোতে না যোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। সেগুলোই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মূল দাবি।
এদিকে ট্রাম্প এমন এক সময়ে এসব কথা স্পষ্ট করলেন যখন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি তার ইউরোপীয় মিত্রদের সাথে নিয়ে সদলবলে ওয়াশিংটন আসছেন। স্থানীয় সময় সোমবার ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন জেলেনস্কি। জেলেনস্কির সঙ্গে আসছে তার‘বন্ধুরা’। এই বন্ধুরা হলেন: সামরিক জোট ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টার্মারের পাশাপাশি ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ, ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডের লিয়েন। তবে তাদের সবাই হোয়াইট হাউসে বৈঠকে যোগ দেবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
প্রকৃতিবার্তা ডেস্ক 




















