সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

আল্লাহর ভয়ে কান্নার অফুরন্ত ফজিলত

আল্লাহর ভয়ে কান্নার অফুরন্ত ফজিলত

পৃথিবীতে সব মানুষের প্রথম ভাষা কান্না। কান্নার ভাষা সর্বজনীন। সব জায়গা ও সব ভাষার মানুষ কাঁদে। মানুষের কান্নার ভাষা পৃথিবীর সব ভাষাভাষী বোঝে। একজন নবজাতকও দুনিয়াতে নিজের আগমন ও অস্তিত্বের জানান এই কান্না নামক ভাষায় দিয়ে থাকে।

আল্লাহ তায়ালা কম হাসা এবং বেশি বেশি কান্না করার কথা বলেছেন। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে—

فَلۡیَضۡحَكُوۡا قَلِیۡلًا وَّ لۡیَبۡكُوۡا كَثِیۡرًا ۚ جَزَآءًۢ بِمَا كَانُوۡا یَكۡسِبُوۡنَ

অতএব তারা অল্প হাসুক, আর বেশি কাঁদুক, তারা যা অর্জন করেছে তার বিনিময়ে। (সূরা আত-তাওবা, আয়াত : ৮২)

আল্লাহর রাসূল সা.ও বিভিন্ন হাদিসে অন্তরে আল্লাহর ভয় রেখে কান্না করার কথা বলেছেন। যে ব্যক্তি পরকালে মহান আল্লাহর সামনে জবাবদিহি এবং কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হওয়ার ভয়ে কান্না করবে তার কোনো কিছু হারানোর ভয় নেই। এমন ব্যক্তির জন্য পুরস্কার রয়েছে। এমন ব্যক্তির পুরস্কার সম্পর্কে হজরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন— ‘আল্লাহর ভয়ে কান্না করা ব্যক্তির জাহান্নামে যাওয়া অসম্ভব, যেমন দহন করা দুধের পুনরায় ওলানে ফিরে যাওয়া অসম্ভব। আর আল্লাহর পথের ধুলা ও জাহান্নামের ধোঁয়া কখনো একত্র হবে না।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৬৩৩)

আর যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে কান্না করবে তাকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না। হজরত ইবনে আব্বাস রা. বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সা.-কে বলতে শুনেছি, ‘জাহান্নামের আগুন দুটি চোখ স্পর্শ করবে না। এক. যে চোখ আল্লাহর ভয়ে কাঁদে এবং দুই. যে চোখ আল্লাহর রাস্তা পাহারা দিয়ে নির্ঘুম রাত কাটায়।’ (তিরমিজি, হাদিস: ১৬৩৯)

এমন ব্যক্তি আল্লাহর আরশের নিচে ছায়া পাবে বলেও হাদিসে ঘোষণা করা হয়েছে । সাত শ্রেণির মানুষ সম্পর্কে রাসুল সা. বলেছেন, ‘তারা সেদিন আল্লাহর আরশের নিচে ছায়া পাবে, যেদিন অন্য কোনো ছায়া থাকবে না। সেই সাত শ্রেণির একটি শ্রেণি হলো, ‘যারা নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং তাদের দুই চোখে অশ্রু ঝরতে থাকে।’ (বুখারি, হাদিস : ৬৬০; মুসলিম, হাদিস : ৭১১)

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

আল্লাহর ভয়ে কান্নার অফুরন্ত ফজিলত

আপডেট সময় ০৬:৪৭:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অক্টোবর ২০২৪

পৃথিবীতে সব মানুষের প্রথম ভাষা কান্না। কান্নার ভাষা সর্বজনীন। সব জায়গা ও সব ভাষার মানুষ কাঁদে। মানুষের কান্নার ভাষা পৃথিবীর সব ভাষাভাষী বোঝে। একজন নবজাতকও দুনিয়াতে নিজের আগমন ও অস্তিত্বের জানান এই কান্না নামক ভাষায় দিয়ে থাকে।

আল্লাহ তায়ালা কম হাসা এবং বেশি বেশি কান্না করার কথা বলেছেন। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে—

فَلۡیَضۡحَكُوۡا قَلِیۡلًا وَّ لۡیَبۡكُوۡا كَثِیۡرًا ۚ جَزَآءًۢ بِمَا كَانُوۡا یَكۡسِبُوۡنَ

অতএব তারা অল্প হাসুক, আর বেশি কাঁদুক, তারা যা অর্জন করেছে তার বিনিময়ে। (সূরা আত-তাওবা, আয়াত : ৮২)

আল্লাহর রাসূল সা.ও বিভিন্ন হাদিসে অন্তরে আল্লাহর ভয় রেখে কান্না করার কথা বলেছেন। যে ব্যক্তি পরকালে মহান আল্লাহর সামনে জবাবদিহি এবং কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হওয়ার ভয়ে কান্না করবে তার কোনো কিছু হারানোর ভয় নেই। এমন ব্যক্তির জন্য পুরস্কার রয়েছে। এমন ব্যক্তির পুরস্কার সম্পর্কে হজরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন— ‘আল্লাহর ভয়ে কান্না করা ব্যক্তির জাহান্নামে যাওয়া অসম্ভব, যেমন দহন করা দুধের পুনরায় ওলানে ফিরে যাওয়া অসম্ভব। আর আল্লাহর পথের ধুলা ও জাহান্নামের ধোঁয়া কখনো একত্র হবে না।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৬৩৩)

আর যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে কান্না করবে তাকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না। হজরত ইবনে আব্বাস রা. বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সা.-কে বলতে শুনেছি, ‘জাহান্নামের আগুন দুটি চোখ স্পর্শ করবে না। এক. যে চোখ আল্লাহর ভয়ে কাঁদে এবং দুই. যে চোখ আল্লাহর রাস্তা পাহারা দিয়ে নির্ঘুম রাত কাটায়।’ (তিরমিজি, হাদিস: ১৬৩৯)

এমন ব্যক্তি আল্লাহর আরশের নিচে ছায়া পাবে বলেও হাদিসে ঘোষণা করা হয়েছে । সাত শ্রেণির মানুষ সম্পর্কে রাসুল সা. বলেছেন, ‘তারা সেদিন আল্লাহর আরশের নিচে ছায়া পাবে, যেদিন অন্য কোনো ছায়া থাকবে না। সেই সাত শ্রেণির একটি শ্রেণি হলো, ‘যারা নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং তাদের দুই চোখে অশ্রু ঝরতে থাকে।’ (বুখারি, হাদিস : ৬৬০; মুসলিম, হাদিস : ৭১১)