সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গণভোটের প্রচারে অন্তর্বর্তী সরকারের নানা কর্মসূচি Logo গ্যাস সংকটের মুখে এলপিজি আমদানির ঋণ সুবিধা সহজ করলো বাংলাদেশ ব্যাংক Logo নিহত আনুমানিক ৫০০! ইরানে হচ্ছেটা কী! দেশটির নতুন বিক্ষোভের কারণ ও ঘটনাপ্রবাহ দেখুন টাইমলাইনে Logo ৬৬ সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে সরে যাওয়ায় বাংলাদেশে সম্ভাব্য প্রভাব Logo দূষিত বাতাসে সোমবারও এক নম্বর ঢাকা Logo বিলুপ্ত জাতের প্রাণী সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি : মৎস্য উপদেষ্টা Logo যে কারণে হলো তাহসান-রোজার বিবাহ বিচ্ছেদ Logo আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক Logo আজ কিংবদন্তী চলচ্চিত্র নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলামের প্রয়াণ দিবস Logo আজ বায়ুদূষণের তালিকার শীর্ষে ঢাকা, বাতাসের মান ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’

ইমরান খান জীবিত নাকি মৃত, ছেলের শঙ্কা ‘কিছু গোপন করা হচ্ছে’

ইমরান খান জীবিত নাকি মৃত, ছেলের শঙ্কা ‘কিছু গোপন করা হচ্ছে’

ইমরান খান মারা গেছেন, এমন গুজব এখনো বেশ কার্যকরভাবে দাগ কাটছে পাকিস্তানিদের মনে। পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কারাবন্দী ইমরান খানের জীবিত থাকার কোনো প্রমাণ জেল কর্তৃপক্ষ দিতে পারেনি বলে জানিয়েছেন তাঁর ছেলে কাসিম খান। তাঁর আশঙ্কা, জেল কর্তৃপক্ষ হয়তো ইমরান খানের বর্তমান অবস্থার বিষয়ে কিছু ‘গোপন’ করছেন।

 

কাসিম খান রয়টার্সকে বলেন, ‘আদালতের নির্দেশের পরেও সাক্ষাৎ না দেওয়া এবং কারাগার থেকে স্থানান্তরের গুজবের মধ্যে পরিবারের কাউকেই তাঁর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। তিনি যেন সপ্তাহে একবার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন, বিচার বিভাগের এই নির্দেশ আছে। বাবা নিরাপদ আছেন কি না, এটা জানতে না পারাটা এক ধরনের মানসিক নির্যাতন।’

 

কাসিম খান অভিযোগ করেন, গত কয়েক মাস ধরেই ইমরান খানের সঙ্গে পরিবারের কোনো যোগাযোগ নেই। তিনি বলেন, ‘আমরা তাঁর অবস্থা সম্পর্কে কোনো তথ্যই পাচ্ছি না। আমাদের ভয় হলো, তারা হয়তো কোনো অপ্রত্যাশিত বিষয় গোপন করছে।’

 

এই পরিস্থিতিতে ইমরান খানের প্রাক্তন স্ত্রী জেমাইমা গোল্ডস্মিথ এক এক্স পোস্টে লেখেন,’ ফোনেও কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না তাঁর সঙ্গে, কাউকে দেওয়া হচ্ছে না।’

 

এদিকে ইমরানের খোঁজ দেওয়ার দাবিতে তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) রাওয়ালপিন্ডিতে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। তাদের এ বিক্ষোভ ঠেকাতে সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করে সব ধরনের সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

 

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ২০২৩ সাল থেকে কারাগারে। তাঁকে একাধিক মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে। ২০২২ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তিনি এগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছিলেন। ইমরানের এই পরিণতির পেছনে মূলত দেশটির সর্বময় ক্ষমতার সেনাবাহিনীকে দায়ী করেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। ইমরান ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর কর্তৃত্বকে বার বার চ্যালেঞ্জ করে আসছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

গণভোটের প্রচারে অন্তর্বর্তী সরকারের নানা কর্মসূচি

ইমরান খান জীবিত নাকি মৃত, ছেলের শঙ্কা ‘কিছু গোপন করা হচ্ছে’

আপডেট সময় ০২:৫৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

ইমরান খান মারা গেছেন, এমন গুজব এখনো বেশ কার্যকরভাবে দাগ কাটছে পাকিস্তানিদের মনে। পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কারাবন্দী ইমরান খানের জীবিত থাকার কোনো প্রমাণ জেল কর্তৃপক্ষ দিতে পারেনি বলে জানিয়েছেন তাঁর ছেলে কাসিম খান। তাঁর আশঙ্কা, জেল কর্তৃপক্ষ হয়তো ইমরান খানের বর্তমান অবস্থার বিষয়ে কিছু ‘গোপন’ করছেন।

 

কাসিম খান রয়টার্সকে বলেন, ‘আদালতের নির্দেশের পরেও সাক্ষাৎ না দেওয়া এবং কারাগার থেকে স্থানান্তরের গুজবের মধ্যে পরিবারের কাউকেই তাঁর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। তিনি যেন সপ্তাহে একবার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন, বিচার বিভাগের এই নির্দেশ আছে। বাবা নিরাপদ আছেন কি না, এটা জানতে না পারাটা এক ধরনের মানসিক নির্যাতন।’

 

কাসিম খান অভিযোগ করেন, গত কয়েক মাস ধরেই ইমরান খানের সঙ্গে পরিবারের কোনো যোগাযোগ নেই। তিনি বলেন, ‘আমরা তাঁর অবস্থা সম্পর্কে কোনো তথ্যই পাচ্ছি না। আমাদের ভয় হলো, তারা হয়তো কোনো অপ্রত্যাশিত বিষয় গোপন করছে।’

 

এই পরিস্থিতিতে ইমরান খানের প্রাক্তন স্ত্রী জেমাইমা গোল্ডস্মিথ এক এক্স পোস্টে লেখেন,’ ফোনেও কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না তাঁর সঙ্গে, কাউকে দেওয়া হচ্ছে না।’

 

এদিকে ইমরানের খোঁজ দেওয়ার দাবিতে তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) রাওয়ালপিন্ডিতে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। তাদের এ বিক্ষোভ ঠেকাতে সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করে সব ধরনের সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

 

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ২০২৩ সাল থেকে কারাগারে। তাঁকে একাধিক মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে। ২০২২ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তিনি এগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছিলেন। ইমরানের এই পরিণতির পেছনে মূলত দেশটির সর্বময় ক্ষমতার সেনাবাহিনীকে দায়ী করেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। ইমরান ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর কর্তৃত্বকে বার বার চ্যালেঞ্জ করে আসছিলেন।