সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

কক্সবাজারে সৈকত দখলের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নিলো পরিবেশ অধিদপ্তর

কক্সবাজারে সৈকত দখলের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নিলো পরিবেশ অধিদপ্তর

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়ি এলাকায় গড়ে ওঠা দোকান ও বাণিজ্যিক স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন কর্তৃক প্রদত্ত এসব স্থাপনার লাইসেন্স ও অনুমোদন অবিলম্বে বাতিল করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ কামরুজ্জামান এনডিসি স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসককে এ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

 

উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে সরকার কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ECA) হিসেবে ঘোষণা করে। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং ইসিএ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী এই এলাকায় ক্ষতিকর সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ।

 

এই এলাকায় বন উজাড়, বন্যপ্রাণি ধরা, ভূমি ও পানির বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন, দূষণকারী শিল্প স্থাপন এবং বালিয়াড়িতে স্থাপনা নির্মাণ আইনত নিষিদ্ধ।এছাড়া, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়া ভূমির শ্রেণি পরিবর্তনও করা যাবে না।

 

সুপ্রিম কোর্টও ২০১৮ সালের এক রায়ে উল্লেখ করে যে, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও ইসিএ বিধিমালা অন্য সব আইনের উপরে প্রাধান্য পাবে। তবুও আইন ভঙ্গ করে শত শত দোকান ও বাণিজ্যিক স্থাপনা তৈরি হয়েছে। এসব স্থাপনা সৈকতের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় ধরনের হুমকি তৈরি করেছে। এতে পরিবেশবান্ধব পর্যটনও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

কক্সবাজারে সৈকত দখলের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নিলো পরিবেশ অধিদপ্তর

আপডেট সময় ০১:৪১:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়ি এলাকায় গড়ে ওঠা দোকান ও বাণিজ্যিক স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন কর্তৃক প্রদত্ত এসব স্থাপনার লাইসেন্স ও অনুমোদন অবিলম্বে বাতিল করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ কামরুজ্জামান এনডিসি স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসককে এ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

 

উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে সরকার কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ECA) হিসেবে ঘোষণা করে। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং ইসিএ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী এই এলাকায় ক্ষতিকর সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ।

 

এই এলাকায় বন উজাড়, বন্যপ্রাণি ধরা, ভূমি ও পানির বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন, দূষণকারী শিল্প স্থাপন এবং বালিয়াড়িতে স্থাপনা নির্মাণ আইনত নিষিদ্ধ।এছাড়া, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়া ভূমির শ্রেণি পরিবর্তনও করা যাবে না।

 

সুপ্রিম কোর্টও ২০১৮ সালের এক রায়ে উল্লেখ করে যে, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও ইসিএ বিধিমালা অন্য সব আইনের উপরে প্রাধান্য পাবে। তবুও আইন ভঙ্গ করে শত শত দোকান ও বাণিজ্যিক স্থাপনা তৈরি হয়েছে। এসব স্থাপনা সৈকতের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় ধরনের হুমকি তৈরি করেছে। এতে পরিবেশবান্ধব পর্যটনও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।