সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ভিডিও বার্তা Logo বৈধ অস্ত্র ৩১ জানুয়ারির মধ্যে থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ Logo সিলেটে ট্রেনের ধাক্কায় মেরুদণ্ডে আঘাত পাওয়া হাতির অবস্থা আশঙ্কাজনক Logo সড়কজুড়ে অবৈধ বালুর ব্যবসা, হুমকির মুখে পরিবেশ Logo শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী আজ Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo যে উপায়ে কাপড়ের কঠিন দাগ সহজে দূর করা যায় Logo ইরানে বিক্ষোভ-সহিংসতায় নিহত বেড়ে ৫ হাজার, ইসরায়েল-আমেরিকাকে দায়ী করলেন খামেনি Logo প্লাস্টিক বর্জ্য পুড়িয়ে ধান সেদ্ধ! বাতাসে, খাদ্যে, ফসলে বিষ Logo জুলাই যোদ্ধাদের জন্য মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে পৃথক বিভাগ করার প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের

কপ ৩০: ২০৩০ সালের মধ্যে অভিযোজন খাতে ২২০ বিলিয়ন ডলার চাহিদা বাংলাদেশের

জলবায়ু সম্মেলনের ত্রিশতম আসরে বিভিন্ন ফোরামে গুরুত্ব পাচ্ছে, জলবায়ু অর্থায়নের পরিমাণ বছরে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার আলোচনা। জলবায়ু অর্থায়নে গুরুত্ব দিয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে অভিযোজন খাতে ২শ’ ২০ বিলিয়ন ডলারের চাহিদার কথা তুলে ধরছে বাংলাদেশ। চলমান জাতিসংঘ বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনের ষষ্ঠ দিনে অর্থায়নসহ গুরুত্ব পেয়েছে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি, শিল্প ও পরিবহন খাত। আলোচনা আর পরিকল্পনার বিপরীতে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান বিশেষজ্ঞ ও সমালোচকদের।

 

মত আর ভিন্নমতে চলা সপ্তাহব্যপী আলোচনাগুলো দ্বিতীয় সপ্তাহের উচ্চ-পর্যায়ের রাজনৈতিক দর কষাকষিতে গতি আনবে বদলে মত পরিবেশবিদদের।

 

বেলেমে সম্মেলন কেন্দ্র থেকে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু সার্বিকচিত্র তুলে ধরে বলেন,‘সম্মেলনের সাইড ইভেন্টে, মূল মিলনায়তন এবং প্রেস কনফারেন্সগুলোতে নানা বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে আমরা নিজ দেশের জলবায়ু সংকট এবং সমাধান নিয়ে সাইড ইভেন্টে প্যানেল আলোচনা করছি, এতে অন্য দেশের প্রতিনিধিরা আসছেন, আমাদের কর্মকাণ্ডের প্রশংসাও করছেন তারা। তবে মূল সম্মেলনে যেভাবে আলোচনা আগানোর কথা ছিলো তাতে এখনো গতি আসেনি। আশা করছি সোমবার থেকে উচ্চপর্যায়ের যে আলোচনা শুরু হবে তাতে দেখা যাক সবশেষে আলোচনা কোন দিকে যায়।’

এদিকে সঙ্কট সমাধানে আলোচনার বিপরীতে যথাযথ অর্থায়নে গুরুত্বারোপ করেছে ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলো। বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের কর্মসূচিতে উঠে এসেছে লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড এবং জলবায়ু ন্যায্যতার আহ্বান।

 

বেলেমে আছেন অন্তবর্তী সরকারের মৎস্য সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, ‘প্যারিস চুক্তির প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা হচ্ছে। তারা দীর্ঘসূত্রিতার কৌশল বেছে নিয়েছে। আমাদের উচিত হলো, আমরা আমাদের ন্যায্য অর্থায়ন এমনভাবে দাবি করবো যেন সেটা যে দয়া চেয়ে দাবি করছি এমনটা যেন না হয়। আমরা ঋণ চাই না, ন্যায্য অর্থায়ন চাই।’

সেন্টার ফর ক্লাইমেট জাস্টিস বাংলাদেশ-এর পরিচালক অ্যাডভোকেট এম হাফিজুল ইসলাম খান বলেন, ‘কপ ৩০ সম্মেলনে এসে আমি খানিকটা হতাশ। আমার কাছে মনে হচ্ছে এই আলোচনাপর্ব কমিয়ে এখন বাস্তবায়নের দিকে যাওয়ার সময়। বিশেষ করে বাংলাদেশের জনগণকে জলবায়ু পরিবর্তনের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে কথা নয় কাজ করতে হবে।’

সম্মেলনে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিদলের একজন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মির্জা শওকত আলী জানান ২০৩০ সাল নাগাদ লস অ্যান্ড ড্যামেজের অর্থ ছাড়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

 

প্রতিবেদন: আলীম আল রাজী

ভিডিওচিত্র: মেহেদী হাসান

 

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ভিডিও বার্তা

কপ ৩০: ২০৩০ সালের মধ্যে অভিযোজন খাতে ২২০ বিলিয়ন ডলার চাহিদা বাংলাদেশের

আপডেট সময় ০৭:৪০:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

জলবায়ু সম্মেলনের ত্রিশতম আসরে বিভিন্ন ফোরামে গুরুত্ব পাচ্ছে, জলবায়ু অর্থায়নের পরিমাণ বছরে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার আলোচনা। জলবায়ু অর্থায়নে গুরুত্ব দিয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে অভিযোজন খাতে ২শ’ ২০ বিলিয়ন ডলারের চাহিদার কথা তুলে ধরছে বাংলাদেশ। চলমান জাতিসংঘ বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনের ষষ্ঠ দিনে অর্থায়নসহ গুরুত্ব পেয়েছে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি, শিল্প ও পরিবহন খাত। আলোচনা আর পরিকল্পনার বিপরীতে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান বিশেষজ্ঞ ও সমালোচকদের।

 

মত আর ভিন্নমতে চলা সপ্তাহব্যপী আলোচনাগুলো দ্বিতীয় সপ্তাহের উচ্চ-পর্যায়ের রাজনৈতিক দর কষাকষিতে গতি আনবে বদলে মত পরিবেশবিদদের।

 

বেলেমে সম্মেলন কেন্দ্র থেকে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু সার্বিকচিত্র তুলে ধরে বলেন,‘সম্মেলনের সাইড ইভেন্টে, মূল মিলনায়তন এবং প্রেস কনফারেন্সগুলোতে নানা বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে আমরা নিজ দেশের জলবায়ু সংকট এবং সমাধান নিয়ে সাইড ইভেন্টে প্যানেল আলোচনা করছি, এতে অন্য দেশের প্রতিনিধিরা আসছেন, আমাদের কর্মকাণ্ডের প্রশংসাও করছেন তারা। তবে মূল সম্মেলনে যেভাবে আলোচনা আগানোর কথা ছিলো তাতে এখনো গতি আসেনি। আশা করছি সোমবার থেকে উচ্চপর্যায়ের যে আলোচনা শুরু হবে তাতে দেখা যাক সবশেষে আলোচনা কোন দিকে যায়।’

এদিকে সঙ্কট সমাধানে আলোচনার বিপরীতে যথাযথ অর্থায়নে গুরুত্বারোপ করেছে ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলো। বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের কর্মসূচিতে উঠে এসেছে লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড এবং জলবায়ু ন্যায্যতার আহ্বান।

 

বেলেমে আছেন অন্তবর্তী সরকারের মৎস্য সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, ‘প্যারিস চুক্তির প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা হচ্ছে। তারা দীর্ঘসূত্রিতার কৌশল বেছে নিয়েছে। আমাদের উচিত হলো, আমরা আমাদের ন্যায্য অর্থায়ন এমনভাবে দাবি করবো যেন সেটা যে দয়া চেয়ে দাবি করছি এমনটা যেন না হয়। আমরা ঋণ চাই না, ন্যায্য অর্থায়ন চাই।’

সেন্টার ফর ক্লাইমেট জাস্টিস বাংলাদেশ-এর পরিচালক অ্যাডভোকেট এম হাফিজুল ইসলাম খান বলেন, ‘কপ ৩০ সম্মেলনে এসে আমি খানিকটা হতাশ। আমার কাছে মনে হচ্ছে এই আলোচনাপর্ব কমিয়ে এখন বাস্তবায়নের দিকে যাওয়ার সময়। বিশেষ করে বাংলাদেশের জনগণকে জলবায়ু পরিবর্তনের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে কথা নয় কাজ করতে হবে।’

সম্মেলনে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিদলের একজন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মির্জা শওকত আলী জানান ২০৩০ সাল নাগাদ লস অ্যান্ড ড্যামেজের অর্থ ছাড়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

 

প্রতিবেদন: আলীম আল রাজী

ভিডিওচিত্র: মেহেদী হাসান