সংবাদ শিরোনাম ::
Logo পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন তাহসান খান Logo এবার মুস্তাফিজকে নিয়ে মুখ খুললেন সাকিব আল হাসান Logo বাঘ-হাতি হত্যা করলে ৭ বছর জেল, ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অন্যান্য প্রাণী শিকারেও দ্বিগুণ শাস্তি Logo নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা Logo হাইড্রোজেন ওয়াটার যে উপকারে আসে Logo ট্রাম্পের সামরিক বৈঠক, ইরানও প্রস্তুত! দুই দেশ কি তবে শিগগিরই যুদ্ধে জড়াচ্ছে? Logo তাহসান-রোজার বিচ্ছেদ নিয়ে পাওয়া গেল চাঞ্চল্যকর তথ্য Logo এবার স্পন্সরশিপ হারাচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেট Logo মাত্র ২ চিকিৎসক দিয়ে দেশের সব বন্যপ্রাণীর চিকিৎসা! Logo মুহাম্মদ মনির হোসেন সম্পাদিত ‘নদীকাহন’ গ্রন্থের পাঠ উন্মোচন

ক্যান্সারকে হারিয়ে যেভাবে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছেন সঞ্জয় দত্ত

ক্যান্সারকে হারিয়ে যেভাবে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছেন সঞ্জয় দত্ত

বলিউডের প্রথম সারির অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। তবে তার জীবনটা অন্যান্য তারকাদের মতো নয় একেবারেই। ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ সময় তাকে কারাগারেও থাকতে হয়েছে। শুধু তাই নয় একসময় নেশায় বুঁদ হয়ে থাকা সঞ্জয় বহুকষ্টে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন। সেইসব সংগ্রামের পাশাপাশি আরেকটি কঠোর সংগ্রাম তাকে করতে হয়েছে। সেটা নিজের শরীরের সঙ্গে।পাঁচ বছর আগে ক্যান্সারে আক্রান্ত হন তিনি। যে জার্নি ছিল তার জীবনের আরেকটি কঠিন অধ্যায়।

অভিনেতার বায়োপিক ‘সঞ্জু’-তে তুলে ধরা হয়েছে তার জীবনের এই কঠিন মুহূর্ত। সাম্প্রতিক সময়ে ইউটিউবার রণবীর এলাহাবাদিয়ার সঙ্গে একটি পডকাস্টে সেই প্রসঙ্গে কথা বলেছিলেন সঞ্জয়।

খলনায়ক’-খ্যাত অভিনেতা জানিয়েছিলেন, লকডাউনের সময়ে তার ক্যান্সার ধরা পড়ে। সেই সময় থেকেই তার লড়াই শুরু।েসঞ্জয় বলেন, লকডাউনের সময়টা ছিল খুবই স্বাভাবিক। সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময়ে আমার শ্বাসকষ্ট হতো। সিঁড়ি ভাঙতে পারতাম না। শরীরের ভিতর কী হচ্ছে ঠিক বুঝতে পারতাম না। তাই আমি আমার ডাক্তারকে একদিন বাধ্য হয়েই ফোন করি। তিনি এক্সরে’র পরামর্শ দেন। দেখা যায়, আমার ফুসফুসের অর্ধেকেরও বেশি অংশে পানি জমে আছে। প্রাথমিকভাবে সকলেরই মনে হয়েছিল টিবি হয়েছে। তবে পরবর্তীকালে জানা যায় আসল বিষয়টা।

ক্যান্সারের কথা শুনেই ভেঙে পড়েছিলেন সঞ্জয়। নিজেকে বোঝাতে কষ্ট হচ্ছিল তার। তবুও মনকে বুঝিয়েছিলেন লড়াই করতেই হবে। অভিনেতা বলেন, আমার বোন এসে বলল, ক্যান্সার হয়েছে তো কী হয়েছে? সব ঠিক হয়ে যাবে। আমি ওর মুখে কথাটা শুনে টানা দুই তিন ঘণ্টা টানা কান্নাকাটি করেছি। কারণ, আমার খালি বাচ্চাদের মুখ মনে পড়েছে। কখনও আবার আমার জীবন, আমার স্ত্রী, সবকিছু মনে পড়ছিল। আমি বুঝেছিলাম কেমন যেন দুর্বল হয়ে যাচ্ছি। প্রথমে, সিদ্ধান্ত নিলাম আমেরিকায় চিকিৎসা হবে। কিন্তু ভিসা পাইনি, তাই এখানেই শুরু করি।

এই রোগের বিরুদ্ধে লড়াইকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলেন সঞ্জয়। তিনি জিমে গেছেন, ওজন কমিয়েছেন। হাজার অসুস্থতার মধ্যেও চেষ্টা করেছেন নিজেকে পুরনো ছন্দে ফিরিয়ে আনার।

২০২০ সালের অক্টোবরে সঞ্জয় ঘোষণা করেছিলেন, তিনি ক্যান্সারমুক্ত। এই জার্নিকে অবশ্য জীবনের অন্যতম মনে রাখার মতো মুহূর্ত বলে অভিহিত করেছেন এ আলোচিত অভিনেতা।

 

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন তাহসান খান

ক্যান্সারকে হারিয়ে যেভাবে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছেন সঞ্জয় দত্ত

আপডেট সময় ০৪:৩২:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বলিউডের প্রথম সারির অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। তবে তার জীবনটা অন্যান্য তারকাদের মতো নয় একেবারেই। ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ সময় তাকে কারাগারেও থাকতে হয়েছে। শুধু তাই নয় একসময় নেশায় বুঁদ হয়ে থাকা সঞ্জয় বহুকষ্টে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন। সেইসব সংগ্রামের পাশাপাশি আরেকটি কঠোর সংগ্রাম তাকে করতে হয়েছে। সেটা নিজের শরীরের সঙ্গে।পাঁচ বছর আগে ক্যান্সারে আক্রান্ত হন তিনি। যে জার্নি ছিল তার জীবনের আরেকটি কঠিন অধ্যায়।

অভিনেতার বায়োপিক ‘সঞ্জু’-তে তুলে ধরা হয়েছে তার জীবনের এই কঠিন মুহূর্ত। সাম্প্রতিক সময়ে ইউটিউবার রণবীর এলাহাবাদিয়ার সঙ্গে একটি পডকাস্টে সেই প্রসঙ্গে কথা বলেছিলেন সঞ্জয়।

খলনায়ক’-খ্যাত অভিনেতা জানিয়েছিলেন, লকডাউনের সময়ে তার ক্যান্সার ধরা পড়ে। সেই সময় থেকেই তার লড়াই শুরু।েসঞ্জয় বলেন, লকডাউনের সময়টা ছিল খুবই স্বাভাবিক। সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময়ে আমার শ্বাসকষ্ট হতো। সিঁড়ি ভাঙতে পারতাম না। শরীরের ভিতর কী হচ্ছে ঠিক বুঝতে পারতাম না। তাই আমি আমার ডাক্তারকে একদিন বাধ্য হয়েই ফোন করি। তিনি এক্সরে’র পরামর্শ দেন। দেখা যায়, আমার ফুসফুসের অর্ধেকেরও বেশি অংশে পানি জমে আছে। প্রাথমিকভাবে সকলেরই মনে হয়েছিল টিবি হয়েছে। তবে পরবর্তীকালে জানা যায় আসল বিষয়টা।

ক্যান্সারের কথা শুনেই ভেঙে পড়েছিলেন সঞ্জয়। নিজেকে বোঝাতে কষ্ট হচ্ছিল তার। তবুও মনকে বুঝিয়েছিলেন লড়াই করতেই হবে। অভিনেতা বলেন, আমার বোন এসে বলল, ক্যান্সার হয়েছে তো কী হয়েছে? সব ঠিক হয়ে যাবে। আমি ওর মুখে কথাটা শুনে টানা দুই তিন ঘণ্টা টানা কান্নাকাটি করেছি। কারণ, আমার খালি বাচ্চাদের মুখ মনে পড়েছে। কখনও আবার আমার জীবন, আমার স্ত্রী, সবকিছু মনে পড়ছিল। আমি বুঝেছিলাম কেমন যেন দুর্বল হয়ে যাচ্ছি। প্রথমে, সিদ্ধান্ত নিলাম আমেরিকায় চিকিৎসা হবে। কিন্তু ভিসা পাইনি, তাই এখানেই শুরু করি।

এই রোগের বিরুদ্ধে লড়াইকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলেন সঞ্জয়। তিনি জিমে গেছেন, ওজন কমিয়েছেন। হাজার অসুস্থতার মধ্যেও চেষ্টা করেছেন নিজেকে পুরনো ছন্দে ফিরিয়ে আনার।

২০২০ সালের অক্টোবরে সঞ্জয় ঘোষণা করেছিলেন, তিনি ক্যান্সারমুক্ত। এই জার্নিকে অবশ্য জীবনের অন্যতম মনে রাখার মতো মুহূর্ত বলে অভিহিত করেছেন এ আলোচিত অভিনেতা।