গাজা এখন ‘বর্জ্যভূমি’: জাতিসংঘ

গাজা এখন ‘বর্জ্যভূমি’: জাতিসংঘ

এক বছরের বেশি সময় ধরে আকাশ ও ভুমি থেকে ইসরায়েলের অনবরত হামলায় কার্যত পুরোপুরিই ধ্বংস হয়ে গেছে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ভূখণ্ড গাজা। জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) প্রধান ফিলিপ লাজারিনি বলেছেন, গাজা একটি ‘বর্জ্যভূমি’তে পরিণত হয়েছে যা এখন প্রায় ‘বসবাসের অযোগ্য’ হয়ে উঠেছে।

বুধবার বার্লিনে এক সংবাদ সম্মেলনে লাজারিনি বলেন,গাজার ৭৯ শতাংশ স্থাপনা ধ্বংস হয়ে গেছে। আবার দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে। এদিকে আসছে শীতকাল, যা মোকাবিলার জন্য গাজাবাসীর প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেই বললেই চলে।

তিনি বলেন, ‘আজ একটি সত্যিকারের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। আমরা এমন একটি পরিস্থিতিতে প্রবেশ করছি যেখানে দুর্ভাগ্যবশত আবারও দুর্ভিক্ষ বা তীব্র অপুষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।’ আসন্ন শীত এবং গাজার সাধারণ মানুষের দুর্বল প্রতিরোধ ব্যবস্থা সব মিলে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

ত্রাণ বিতরণের বিষয় উল্লেখ করে লাজারিনি বলেন, গত দুই থেকে তিন সপ্তাহে গতকাল ছাড়া গাজার উত্তরে কোনো ত্রাণ প্রবেশ করেনি।

তিনি আরও বলেন, যথাযথ পদক্ষেপের মাধ্যমে গাজার খাদ্য সংকট এড়ানো যেতে পারে। যা এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ইসরায়েলি বাহিনী সেখানে অবরোধ করে রেখেছে এবং ক্রমাগত বোমাবর্ষণ করা হচ্ছে।

এদিকে ৩০ দিনের মধ্যে গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের সুযোগ বাড়াতে ইসরায়েলকে চিঠি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে মানবিক সহায়তা প্রবেশের সুযোগ দেওয়া না হলে ইসরায়েলে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু সামরিক সহায়তা বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ওয়াশিংটন।

উত্তর গাজায় ইসরায়েলের চালানো আক্রমণের ফলে দক্ষিণ গাজায় বেসামরিক মানুষ ব্যাপকভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এর মধ্যেই এমন চিঠি পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েল সেই চিঠি তা পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

অবহেলার জীবনগাছে পরিবেশবান্ধব অর্থনীতির নতুন আশা

গাজা এখন ‘বর্জ্যভূমি’: জাতিসংঘ

আপডেট সময় ১২:৪৭:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪

এক বছরের বেশি সময় ধরে আকাশ ও ভুমি থেকে ইসরায়েলের অনবরত হামলায় কার্যত পুরোপুরিই ধ্বংস হয়ে গেছে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ভূখণ্ড গাজা। জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) প্রধান ফিলিপ লাজারিনি বলেছেন, গাজা একটি ‘বর্জ্যভূমি’তে পরিণত হয়েছে যা এখন প্রায় ‘বসবাসের অযোগ্য’ হয়ে উঠেছে।

বুধবার বার্লিনে এক সংবাদ সম্মেলনে লাজারিনি বলেন,গাজার ৭৯ শতাংশ স্থাপনা ধ্বংস হয়ে গেছে। আবার দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে। এদিকে আসছে শীতকাল, যা মোকাবিলার জন্য গাজাবাসীর প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেই বললেই চলে।

তিনি বলেন, ‘আজ একটি সত্যিকারের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। আমরা এমন একটি পরিস্থিতিতে প্রবেশ করছি যেখানে দুর্ভাগ্যবশত আবারও দুর্ভিক্ষ বা তীব্র অপুষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।’ আসন্ন শীত এবং গাজার সাধারণ মানুষের দুর্বল প্রতিরোধ ব্যবস্থা সব মিলে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

ত্রাণ বিতরণের বিষয় উল্লেখ করে লাজারিনি বলেন, গত দুই থেকে তিন সপ্তাহে গতকাল ছাড়া গাজার উত্তরে কোনো ত্রাণ প্রবেশ করেনি।

তিনি আরও বলেন, যথাযথ পদক্ষেপের মাধ্যমে গাজার খাদ্য সংকট এড়ানো যেতে পারে। যা এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ইসরায়েলি বাহিনী সেখানে অবরোধ করে রেখেছে এবং ক্রমাগত বোমাবর্ষণ করা হচ্ছে।

এদিকে ৩০ দিনের মধ্যে গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের সুযোগ বাড়াতে ইসরায়েলকে চিঠি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে মানবিক সহায়তা প্রবেশের সুযোগ দেওয়া না হলে ইসরায়েলে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু সামরিক সহায়তা বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ওয়াশিংটন।

উত্তর গাজায় ইসরায়েলের চালানো আক্রমণের ফলে দক্ষিণ গাজায় বেসামরিক মানুষ ব্যাপকভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এর মধ্যেই এমন চিঠি পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েল সেই চিঠি তা পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছে।