জলবায়ু পরিবর্তনের স্পষ্ট প্রভাবে এশিয়াজুড়ে অসময়ে বাড়ছে ঝড়, অস্বাভাবিক ভারী বৃষ্টিতে দেখা দিচ্ছে আকস্মিক বন্যা। নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ঘূর্ণিঝড় কোতো, সেনইয়ার এবং সর্বশেষ ডিটওয়াহতে ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং শ্রীলংকায় সব শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত প্রাণহানি হাজার ছাড়িয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকাগুলো থেকে ক্রমাগত উদ্ধার হচ্ছে মরদেহ, এখনো নিখোঁজ রয়েছে হাজারও মানুষ।
সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ইন্দোনেশিয়ায়। দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, সেখানে বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫০২ জনে পৌঁছেছে। নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৫০৮ জন।
শ্রীলঙ্কায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫৫ জনে, আর নিখোঁজ ৩৬৬ জন। থাইল্যান্ডে ১৭৬ জনের প্রাণহানি হয়েছে।
মালয়েশিয়াতেও দুইজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। সব মিলিয়ে এশিয়ার চার দেশে মৃতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে।
শ্রীলঙ্কায় জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাকে মৌসুমি বৃষ্টি। তবে এ বছর তা আরও ভয়াবহ হয়েছে ডিটওয়া ও সেনইয়ার নামে দুটি ঘূর্ণিঝড়ের কারণে। দিতওয়া বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হয়ে শ্রীলঙ্কায় প্রবল বৃষ্টি ও ভূমিধসের সূত্রপাত ঘটায়। এরপর তা দুর্বল হয়ে আবার সমুদ্রে ফিরে যায়।
অন্যদিকে সেনিয়ার মালাকা প্রণালী থেকে সৃষ্টি হয়ে প্রবল বাতাস, ঢেউ ও টানা বৃষ্টি নিয়ে আঘাত হানে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপ এবং থাইল্যান্ডের অন্তত আটটি দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশে। ঝড়ের প্রভাবে মালয়েশিয়াতেও দেখা দেয় ভারী বৃষ্টি ও ভূমিধস।
প্রকৃতিবার্তা ডেস্ক 



















