সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

জরিপ: ব্রিটিশ তরুণদের প্রায় অর্ধেকই চায় ইন্টারনেটবিহীন জীবন!

জরিপ: ব্রিটিশ তরুণদের প্রায় অর্ধেকই চায় ইন্টারনেটবিহীন জীবন!

ব্রিটেনে তরুণদের মধ্যে ইন্টারনেট নির্ভরতা ও আসক্তি নিয়ে উদ্বেগের ছবি ফুটে উঠেছে সম্প্রতি ব্রিটিশ স্ট্যান্ডার্ডস ইনস্টিটিউটের একটি জরিপে। জরিপ অনুযায়ী, ১৬ থেকে ২১ বছর বয়সী প্রায় অর্ধেক তরুণই (৪৬%) এমন এক জগতের বাসিন্দা হতে চায় যেখানে ইন্টারনেট থাকবে না। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, জরিপে দেখা গেছে প্রতি ১০ জন তরুণের মধ্যে ৭ জন (৬৮%) স্বীকার করেছে যে, সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটানোর পর তারা নিজেদের নিয়ে আরো খারাপ অনুভব করে। এদের মধ্যে অর্ধেক তরুণ (৫০%) রাত ১০টার পর নির্দিষ্ট অ্যাপ ও ওয়েবসাইট ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা বা, ডিজিটাল কারফিউ চালুর পক্ষে মত দিয়েছে।

 

তরুণদের ইন্টারনেট ব্যবহার সংক্রান্ত অভ্যাস নিয়েও উঠে এসেছে বেশ কিছু উদ্বেগজনক তথ্য। প্রতি চারজনের একজন প্রতিদিন চার ঘণ্টা বা তার বেশি সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটায়। ৪২% তরুণ স্বীকার করেছে, অনলাইনে তারা কী করে তা অভিভাবকদের কাছ থেকে তারা গোপন রেখেছে।

 

অনলাইনে বয়স নিয়ে মিথ্যাচার করেছে ৪২%, বিকল্প অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেছে ৪০%, এমনকি ২৭% পুরোপুরি ভিন্ন এক পরিচয়ে নিজেকে উপস্থাপন করেছে।

 

এই ফলাফল সামনে আসার পর যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তি সচিব পিটার কাইল ইঙ্গিত দিয়েছেন, রাতের নির্দিষ্ট সময়ের পর টিকটক ও ইনস্টাগ্রামের মতো অ্যাপ ব্যবহারে বাধা দেয়ার বিষয়ে ভাবছে সরকার।

 

তবে শিশু সুরক্ষা সংগঠন এনএসপিসিসির অনলাইন নীতিমালা ব্যবস্থাপক রানি গোভেন্দর সতর্ক করে দিয়েছেন যে, শুধু ডিজিটাল কারফিউ দিয়ে শিশুদের অনলাইনের ক্ষতিকর বিষয়বস্তু থেকে রক্ষা করা যাবে না। তিনি বলেন, শিশুরা দিনের অন্য সময়েও এসব ঝুঁকির মুখে পড়বে এবং প্রভাবটা একই রকম থাকবে। সরকার ও প্রযুক্তি সংস্থাগুলোর মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত শিশুদের জন্য কম আসক্তিকর ও আরো নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম নিশ্চিত করা।

 

জরিপে অংশ নেয়া তরুণদের ২৭% জানিয়েছেন, তারা ইন্টারনেটে অপরিচিতদের সঙ্গে তাদের লোকেশন বা অবস্থানের তথ্য শেয়ার করেছেন। মহামারির সময় অনলাইন ব্যবহার অনেক বেড়ে গিয়েছিল। ফলে ৭৫% তরুণ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সময় অনলাইনে কাটায়। তাদের ৬৮% মনে করে, অতিরিক্ত অনলাইন সময় মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

 

আত্মহত্যা প্রতিরোধ সংস্থা মলি রোজ ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী অ্যান্ডি বারোওস জানিয়েছেন, অ্যালগরিদমের মাধ্যমে তরুণদের সামনে এমন কনটেন্ট আসে যা অজান্তেই মানসিকভাবে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

জরিপ: ব্রিটিশ তরুণদের প্রায় অর্ধেকই চায় ইন্টারনেটবিহীন জীবন!

আপডেট সময় ০১:৫০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫

ব্রিটেনে তরুণদের মধ্যে ইন্টারনেট নির্ভরতা ও আসক্তি নিয়ে উদ্বেগের ছবি ফুটে উঠেছে সম্প্রতি ব্রিটিশ স্ট্যান্ডার্ডস ইনস্টিটিউটের একটি জরিপে। জরিপ অনুযায়ী, ১৬ থেকে ২১ বছর বয়সী প্রায় অর্ধেক তরুণই (৪৬%) এমন এক জগতের বাসিন্দা হতে চায় যেখানে ইন্টারনেট থাকবে না। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, জরিপে দেখা গেছে প্রতি ১০ জন তরুণের মধ্যে ৭ জন (৬৮%) স্বীকার করেছে যে, সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটানোর পর তারা নিজেদের নিয়ে আরো খারাপ অনুভব করে। এদের মধ্যে অর্ধেক তরুণ (৫০%) রাত ১০টার পর নির্দিষ্ট অ্যাপ ও ওয়েবসাইট ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা বা, ডিজিটাল কারফিউ চালুর পক্ষে মত দিয়েছে।

 

তরুণদের ইন্টারনেট ব্যবহার সংক্রান্ত অভ্যাস নিয়েও উঠে এসেছে বেশ কিছু উদ্বেগজনক তথ্য। প্রতি চারজনের একজন প্রতিদিন চার ঘণ্টা বা তার বেশি সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটায়। ৪২% তরুণ স্বীকার করেছে, অনলাইনে তারা কী করে তা অভিভাবকদের কাছ থেকে তারা গোপন রেখেছে।

 

অনলাইনে বয়স নিয়ে মিথ্যাচার করেছে ৪২%, বিকল্প অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেছে ৪০%, এমনকি ২৭% পুরোপুরি ভিন্ন এক পরিচয়ে নিজেকে উপস্থাপন করেছে।

 

এই ফলাফল সামনে আসার পর যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তি সচিব পিটার কাইল ইঙ্গিত দিয়েছেন, রাতের নির্দিষ্ট সময়ের পর টিকটক ও ইনস্টাগ্রামের মতো অ্যাপ ব্যবহারে বাধা দেয়ার বিষয়ে ভাবছে সরকার।

 

তবে শিশু সুরক্ষা সংগঠন এনএসপিসিসির অনলাইন নীতিমালা ব্যবস্থাপক রানি গোভেন্দর সতর্ক করে দিয়েছেন যে, শুধু ডিজিটাল কারফিউ দিয়ে শিশুদের অনলাইনের ক্ষতিকর বিষয়বস্তু থেকে রক্ষা করা যাবে না। তিনি বলেন, শিশুরা দিনের অন্য সময়েও এসব ঝুঁকির মুখে পড়বে এবং প্রভাবটা একই রকম থাকবে। সরকার ও প্রযুক্তি সংস্থাগুলোর মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত শিশুদের জন্য কম আসক্তিকর ও আরো নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম নিশ্চিত করা।

 

জরিপে অংশ নেয়া তরুণদের ২৭% জানিয়েছেন, তারা ইন্টারনেটে অপরিচিতদের সঙ্গে তাদের লোকেশন বা অবস্থানের তথ্য শেয়ার করেছেন। মহামারির সময় অনলাইন ব্যবহার অনেক বেড়ে গিয়েছিল। ফলে ৭৫% তরুণ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সময় অনলাইনে কাটায়। তাদের ৬৮% মনে করে, অতিরিক্ত অনলাইন সময় মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

 

আত্মহত্যা প্রতিরোধ সংস্থা মলি রোজ ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী অ্যান্ডি বারোওস জানিয়েছেন, অ্যালগরিদমের মাধ্যমে তরুণদের সামনে এমন কনটেন্ট আসে যা অজান্তেই মানসিকভাবে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।