সংবাদ শিরোনাম ::
Logo যুদ্ধের আতঙ্কে পোষা প্রাণী ফেলে দুবাই ছাড়ছে অনেকে Logo ইরানে হামলার জেরে পাকিস্তানে বায়ুদূষণের সতর্কতা Logo পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ‘ন্যাশনাল গ্রিন মিশন’ পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo ঈদের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাব্য তারিখ জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর Logo ডেপুটি স্পিকার হলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল Logo ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ Logo ভিন্ন সুরে যুদ্ধ বন্ধের কথা বললেন ট্রাম্প ও পেজেশকিয়ান, তবে ইসরায়েল বলছে না   Logo আজ শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন Logo ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া রোধে সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo মোহাম্মদপুরে বিড়াল হত্যায় আসামির ৬ মাসের কারাদণ্ড

জলবায়ু পরিবর্তন স্পষ্ট: পাকিস্তানে টানা বৃষ্টি ও বন্যায় ৩ মাসে হাজারের মানুষের বেশি প্রাণহানি

জলবায়ু পরিবর্তন স্পষ্ট: পাকিস্তানে টানা বৃষ্টি ও বন্যায় ৩ মাসে হাজারের মানুষের বেশি প্রাণহানি

জলবায়ু পরিবর্তনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো ভুগছে বেশি। এর মধ্যে ভীষণ গরমের পর চরম আদ্র আবহাওয়া, মেঘ বিস্ফোরণের মতো ঘটনা এবং টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্থ ভারত ও পাকিস্তান। অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্থ এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যর্থ পাকিস্তানের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। গত জুন থেকে শুরু হওয়া প্রবল বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় পাকিস্তানজুড়ে অন্তত ১ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ২৭৫ শিশু, ৫৬৮ জন পুরুষ ও ১৬৩ জন নারী।

 

পাকিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের (এনডিএমএ) বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম ডন।

 

পাকিস্তানে এ বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে, এখানে মৃতের সংখ্যা ৫০৪। এরপর পাঞ্জাব প্রদেশে ৩০৪, সিন্ধুতে ৮০, বেলুচিস্তানে ৩০, গিলগিত-বালতিস্তানে ৪১, আজাদ কাশ্মীরে ৩৮ এবং রাজধানী ইসলামাবাদে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এনডিএমএ জানিয়েছে, মৃত্যুর পাশাপাশি দেশজুড়ে ১ হাজার ৬৩ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩২১ শিশু, ৪৫০ পুরুষ ও ২৯২ জন নারী। সবচেয়ে বেশি ৬৬১ জন আহত হয়েছেন পাঞ্জাবে, এরপর খাইবার পাখতুনখাওয়ায় ২১৮ জন ও সিন্ধুতে ৮৭ জন।

গত ২৬ জুন থেকে প্রায় ৫ হাজার ৭৬৮টি অভিযানের মধ্য দিয়ে দুর্গত এলাকাগুলো থেকে ৩০ লাখের বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। এনডিএমএ, প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ, পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও অন্য সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় এসব উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। ২৬ জুন থেকে কর্তৃপক্ষ বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে ১ হাজার ৬৯০টি ত্রাণশিবির ও মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে এনডিএমএ।

পাকিস্তানজুড়ে ১২ হাজার ৫৬৯টি ঘরবাড়ি ধ্বংস ও ৬ হাজার ৫০৯টি গবাদিপশুর মৃত্যু হয়েছে। এর পাশাপাশি ২৩৯টি সেতু ও প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার সড়ক ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধের আতঙ্কে পোষা প্রাণী ফেলে দুবাই ছাড়ছে অনেকে

জলবায়ু পরিবর্তন স্পষ্ট: পাকিস্তানে টানা বৃষ্টি ও বন্যায় ৩ মাসে হাজারের মানুষের বেশি প্রাণহানি

আপডেট সময় ০৪:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জলবায়ু পরিবর্তনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো ভুগছে বেশি। এর মধ্যে ভীষণ গরমের পর চরম আদ্র আবহাওয়া, মেঘ বিস্ফোরণের মতো ঘটনা এবং টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্থ ভারত ও পাকিস্তান। অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্থ এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যর্থ পাকিস্তানের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। গত জুন থেকে শুরু হওয়া প্রবল বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় পাকিস্তানজুড়ে অন্তত ১ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ২৭৫ শিশু, ৫৬৮ জন পুরুষ ও ১৬৩ জন নারী।

 

পাকিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের (এনডিএমএ) বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম ডন।

 

পাকিস্তানে এ বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে, এখানে মৃতের সংখ্যা ৫০৪। এরপর পাঞ্জাব প্রদেশে ৩০৪, সিন্ধুতে ৮০, বেলুচিস্তানে ৩০, গিলগিত-বালতিস্তানে ৪১, আজাদ কাশ্মীরে ৩৮ এবং রাজধানী ইসলামাবাদে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এনডিএমএ জানিয়েছে, মৃত্যুর পাশাপাশি দেশজুড়ে ১ হাজার ৬৩ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩২১ শিশু, ৪৫০ পুরুষ ও ২৯২ জন নারী। সবচেয়ে বেশি ৬৬১ জন আহত হয়েছেন পাঞ্জাবে, এরপর খাইবার পাখতুনখাওয়ায় ২১৮ জন ও সিন্ধুতে ৮৭ জন।

গত ২৬ জুন থেকে প্রায় ৫ হাজার ৭৬৮টি অভিযানের মধ্য দিয়ে দুর্গত এলাকাগুলো থেকে ৩০ লাখের বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। এনডিএমএ, প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ, পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও অন্য সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় এসব উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। ২৬ জুন থেকে কর্তৃপক্ষ বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে ১ হাজার ৬৯০টি ত্রাণশিবির ও মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে এনডিএমএ।

পাকিস্তানজুড়ে ১২ হাজার ৫৬৯টি ঘরবাড়ি ধ্বংস ও ৬ হাজার ৫০৯টি গবাদিপশুর মৃত্যু হয়েছে। এর পাশাপাশি ২৩৯টি সেতু ও প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার সড়ক ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।