সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

জেমিনি বললো: পৌষে এমন শীতই স্বাভাবিক

  • নাসিমুল শুভ
  • আপডেট সময় ০১:১৪:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 189

জেমিনি বললো: পৌষে এমন শীতই স্বাভাবিক

গ্রীষ্মে ঠা ঠা রোদে গরম পড়বে। বর্ষায় ঝরবে মুষলধারে বৃষ্টি। শীতে পড়বে হাঁড় কনকনে শীত। এটাই আবহমান বাংলাদেশের চিরাচরিত আবহাওয়ার বৈশিষ্ট্য। পঞ্জিকার পাতায় পৌষ-মাঘ মিলে শীত ঋতু। বিগত কয়েক বছরে পৌষে উত্তরাঞ্চল ছাড়া দেশে সেভাবে শীত তার আসল রূপ দেখায়নি বা দেখাতে পারেনি। লাখো এসি-যানবাহনের শহর ঢাকায়তো শীতই কাবু ছিল এসবের উত্তাপে। তবে এবারের পৌষ রাজধানীসহ গোটা দেশে তার আসল রূপ দেখাচ্ছে। আপনি হয়তো বলছেন ‘এত শীত কেন’, ‘ওরে বাবা কী শীত’! কিন্তু এটাই শীতকালের প্রকৃত রূপ।

 

ফেসবুক এবং দেশীয় অনলাইন সংবাদমাধ্যমে যেভাবে শীতকে দেখানো হচ্ছে তাতে মনে হতে পারে শীতটাই বুঝি বাড়াবাড়ি করছে। তাই গুগলের এআই জেমিনিকে জিজ্ঞেস করলাম পৌষে এত শীত কি স্বাভাবিক?

 

উত্তর জেমিনি বলছে: হ্যাঁ, পৌষ মাসে বেশি শীত পড়াটাই স্বাভাবিক, কারণ এটি বাংলা শীতকালের প্রধান মাস পৌষ-মাঘ (ডিসেম্বর-জানুয়ারি)। হিমালয় থেকে আসা শীতল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে এই সময়েই দেশে তীব্র শীত অনুভূত হয়, তাপমাত্রা কমে যায় এবং হাড় কাঁপানো শীতের প্রকোপ বাড়ে, যা বছরের এই সময়ে প্রত্যাশিত।

পৌষ মাসে শীতের স্বাভাবিক কারণ:

হিমালয়ের প্রভাব: হিমালয় পর্বতমালার উপর থেকে ঠান্ডা বাতাস বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

কুয়াশা ও জলীয়বাষ্প: বঙ্গোপসাগর থেকে আসা জলীয়বাষ্প এবং ঘন কুয়াশা শীতের তীব্রতাকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

তাপমাত্রা হ্রাস: এই মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কমে যায়।

তবে, আবহাওয়ার পরিবর্তনশীলতা: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অনেক সময় স্বাভাবিকের চেয়ে কম বা বেশি শীত পড়তে পারে, বা শীতের ধরন অপ্রত্যাশিত হতে পারে।

কোনো কোনো বছর পৌষ মাসে তীব্র শীত না পড়লেও মাঘ মাসে তা অনুভূত হয়, আবার কোনো বছর পৌষ মাস থেকেই হাড় কাঁপানো শীত শুরু হয়।

সংক্ষেপে: পৌষ মাসে তীব্র শীত স্বাভাবিক, যা বছরের এই সময়ে প্রত্যাশিত, তবে এর তীব্রতা আবহাওয়ার প্যাটার্নের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে।

 

যেমন ইন্টারনেটে যদি আপনি বিগত কয়েক বছরে ডিসেম্বরের শেষ দিকের সপ্তাহগুলোর আবহাওয়া সংবাদ ঘাটেন তাহলে দেখবেন ২০১৭, ২০২৩ এমনকি গত বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালেও এবারের মতো শীত অনুভূত হয়নি। অথচ এবার যে শীত অনুভূত হচ্ছে পৌষে এটাই স্বাভাবিক। অর্থাৎ এবার শীত বেশি বাড়াবাড়ি করছে না, এটাই শীতের স্বাভাবিক রূপ।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

জেমিনি বললো: পৌষে এমন শীতই স্বাভাবিক

আপডেট সময় ০১:১৪:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

গ্রীষ্মে ঠা ঠা রোদে গরম পড়বে। বর্ষায় ঝরবে মুষলধারে বৃষ্টি। শীতে পড়বে হাঁড় কনকনে শীত। এটাই আবহমান বাংলাদেশের চিরাচরিত আবহাওয়ার বৈশিষ্ট্য। পঞ্জিকার পাতায় পৌষ-মাঘ মিলে শীত ঋতু। বিগত কয়েক বছরে পৌষে উত্তরাঞ্চল ছাড়া দেশে সেভাবে শীত তার আসল রূপ দেখায়নি বা দেখাতে পারেনি। লাখো এসি-যানবাহনের শহর ঢাকায়তো শীতই কাবু ছিল এসবের উত্তাপে। তবে এবারের পৌষ রাজধানীসহ গোটা দেশে তার আসল রূপ দেখাচ্ছে। আপনি হয়তো বলছেন ‘এত শীত কেন’, ‘ওরে বাবা কী শীত’! কিন্তু এটাই শীতকালের প্রকৃত রূপ।

 

ফেসবুক এবং দেশীয় অনলাইন সংবাদমাধ্যমে যেভাবে শীতকে দেখানো হচ্ছে তাতে মনে হতে পারে শীতটাই বুঝি বাড়াবাড়ি করছে। তাই গুগলের এআই জেমিনিকে জিজ্ঞেস করলাম পৌষে এত শীত কি স্বাভাবিক?

 

উত্তর জেমিনি বলছে: হ্যাঁ, পৌষ মাসে বেশি শীত পড়াটাই স্বাভাবিক, কারণ এটি বাংলা শীতকালের প্রধান মাস পৌষ-মাঘ (ডিসেম্বর-জানুয়ারি)। হিমালয় থেকে আসা শীতল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে এই সময়েই দেশে তীব্র শীত অনুভূত হয়, তাপমাত্রা কমে যায় এবং হাড় কাঁপানো শীতের প্রকোপ বাড়ে, যা বছরের এই সময়ে প্রত্যাশিত।

পৌষ মাসে শীতের স্বাভাবিক কারণ:

হিমালয়ের প্রভাব: হিমালয় পর্বতমালার উপর থেকে ঠান্ডা বাতাস বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

কুয়াশা ও জলীয়বাষ্প: বঙ্গোপসাগর থেকে আসা জলীয়বাষ্প এবং ঘন কুয়াশা শীতের তীব্রতাকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

তাপমাত্রা হ্রাস: এই মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কমে যায়।

তবে, আবহাওয়ার পরিবর্তনশীলতা: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অনেক সময় স্বাভাবিকের চেয়ে কম বা বেশি শীত পড়তে পারে, বা শীতের ধরন অপ্রত্যাশিত হতে পারে।

কোনো কোনো বছর পৌষ মাসে তীব্র শীত না পড়লেও মাঘ মাসে তা অনুভূত হয়, আবার কোনো বছর পৌষ মাস থেকেই হাড় কাঁপানো শীত শুরু হয়।

সংক্ষেপে: পৌষ মাসে তীব্র শীত স্বাভাবিক, যা বছরের এই সময়ে প্রত্যাশিত, তবে এর তীব্রতা আবহাওয়ার প্যাটার্নের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে।

 

যেমন ইন্টারনেটে যদি আপনি বিগত কয়েক বছরে ডিসেম্বরের শেষ দিকের সপ্তাহগুলোর আবহাওয়া সংবাদ ঘাটেন তাহলে দেখবেন ২০১৭, ২০২৩ এমনকি গত বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালেও এবারের মতো শীত অনুভূত হয়নি। অথচ এবার যে শীত অনুভূত হচ্ছে পৌষে এটাই স্বাভাবিক। অর্থাৎ এবার শীত বেশি বাড়াবাড়ি করছে না, এটাই শীতের স্বাভাবিক রূপ।