সংবাদ শিরোনাম ::

ঢাকার চারপাশে নদী দূষণ রোধে ২০৪৬টি কারখানাকে ইটিপি চালুর চূড়ান্ত নোটিশ

ঢাকার চারপাশে নদী দূষণ রোধে ২০৪৬টি কারখানাকে ইটিপি চালুর চূড়ান্ত নোটিশ

ঢাকার চারপাশের বুড়ীগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ ও বালু নদী দূষণ রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীর ২০৪৬টি শিল্প কারখানাকে চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এতে আরও বলা হয়েছে:

“বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩ অনুযায়ী, তরল বর্জ্য নির্গমনকারী কারখানাগুলোতে এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ইটিপি) ও এসটিপি (পয়ঃবর্জ্যের ক্ষেত্রে) চালু রাখা বাধ্যতামূলক।

তবে অনেক কারখানা ইটিপি স্থাপন না করে কিংবা স্থাপন করলেও সার্বক্ষণিক চালু না রেখে অপরিশোধিত বর্জ্য নদীতে ফেলছে।

 

১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত এসব শিল্প কারখানাকে নোটিশ প্রদান করা হয়। নোটিশে ইটিপি সার্বক্ষণিক চালু রাখা এবং পরিবেশ আইন মেনে কারখানা পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

নির্দেশনা অমান্য করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রায় নতুন রেকর্ড! জলবায়ু ঝুঁকির নতুন অধ্যায়

ঢাকার চারপাশে নদী দূষণ রোধে ২০৪৬টি কারখানাকে ইটিপি চালুর চূড়ান্ত নোটিশ

আপডেট সময় ০৬:৫৭:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ঢাকার চারপাশের বুড়ীগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ ও বালু নদী দূষণ রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীর ২০৪৬টি শিল্প কারখানাকে চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এতে আরও বলা হয়েছে:

“বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩ অনুযায়ী, তরল বর্জ্য নির্গমনকারী কারখানাগুলোতে এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ইটিপি) ও এসটিপি (পয়ঃবর্জ্যের ক্ষেত্রে) চালু রাখা বাধ্যতামূলক।

তবে অনেক কারখানা ইটিপি স্থাপন না করে কিংবা স্থাপন করলেও সার্বক্ষণিক চালু না রেখে অপরিশোধিত বর্জ্য নদীতে ফেলছে।

 

১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত এসব শিল্প কারখানাকে নোটিশ প্রদান করা হয়। নোটিশে ইটিপি সার্বক্ষণিক চালু রাখা এবং পরিবেশ আইন মেনে কারখানা পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

নির্দেশনা অমান্য করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”