তাপমাত্রা বাড়ার কারণে কৃষকদের পানিশূন্যতা, অতিরিক্ত ক্লান্তি, কর্মক্ষমতা হ্রাস, হিট স্ট্রোকসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) এক জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
জরিপের চুম্বকাংশ প্রকাশ করে এক প্রতিবেদনে ইনডিপেনডেন্ট টিভির অনলাইন জানিয়েছে:
জরিপে অংশ নেওয়া কৃষকদের বেশির ভাগই ভুগছেন নানা জটিলতায়। কিডনি রোগসহ তাপজনিত কারণে কৃষকদের মৃত্যুঝুঁকি অন্য কর্মজীবীদের চেয়ে ৩৫ শতাংশ বেশি। ফলে কমছে ফসলের উৎপাদন, প্রভাব পড়ছে কৃষকের জীবনমানে।
নওগাঁ সদর উপজেলার ইকরতারা গ্রামের ৬৫ বছর বয়সী কৃষক হাফিজুর রহমান। তিনি জানান, তিন যুগের বেশি সময় নিজের ১১ বিঘা জমিতে কৃষিকাজ করে সংসার চালান তিনি। তাপমাত্রা বাড়ার কারণে জমিতে কাজ করতে গেলে এখন অসুস্থতায় ভোগেন তিনি। বলেন, চার-পাঁচ ঘণ্টা কাজ করলেই গলা-বুক শুকিয়ে যায়।
নওগাঁ ছাড়াও চুয়াডাঙ্গা, পাবনাসহ সারা দেশেই কৃষকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে। এমনকি তীব্র গরমে অসুস্থ হয়ে অনেকের মৃত্যুও হচ্ছে।
সাম্প্রতিক দশকগুলোতে দেশে তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৭৬ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে বার্ষিক গড় তাপমাত্রা বেড়েছে প্রায় শূন্য দমশিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আইসিডিডিআরবির এনভায়র্নমেন্ট হেলথ ও ওয়াশ বিভাগের অ্যাসোসিয়েট সায়েন্টিস্ট ডা. ফারজানা জাহান জানান, কৃষকদের তাপজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি ও প্রতিরোধের কৌশল নিয়ে সম্প্রতি গবেষণা করেছে আইসিডিডিআরবি। এতে প্রায় ৩৫ শতাংশ কৃষকের ক্ষেত্রেই মিলেছে নানা ধরনের অসুস্থতা ও কর্মদক্ষতা হ্রাসের প্রমাণ।
সূত্র: ইনডিপেনডেন্ট টিভি অনলাইন
প্রকৃতিবার্তা ডেস্ক 




















