তিন জেলায় অভিযান: নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ ও কারখানা বন্ধ, জরিমানা

পিরোজপুর, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন, বিক্রয়, সরবরাহ ও বাজারজাতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযানে ৮১০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন, ২টি ওজন মাপার যন্ত্র, ৩টি পলিথিন উৎপাদন মেশিন এবং ১টি বৈদ্যুতিক মিটার জব্দ করা হয়।

 

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে: “সোমবার (২১ জুলাই) ৩টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) এর ৬(ক) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ২টি মামলায় সর্বমোট ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

 

পাশাপাশি গাজীপুর জেলার অভিযানে একটি অবৈধ পলিথিন কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

 

অভিযানের অংশ হিসেবে কয়েকটি সুপারশপসহ স্থানীয় দোকান মালিক ও সাধারণ জনগণকে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করা হয় এবং ভবিষ্যতে আইন লঙ্ঘন না করার জন্য সতর্ক করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের এই ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে পলিথিন দূষণ রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প ব্যবহারে উৎসাহ প্রদান করা হচ্ছে।”

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

প্লাস্টিক দূষণ রোধে বৈশ্বিক চুক্তির আলোচনা করতে নতুন নেতা নির্বাচিত  

তিন জেলায় অভিযান: নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ ও কারখানা বন্ধ, জরিমানা

আপডেট সময় ১২:২৮:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫

পিরোজপুর, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন, বিক্রয়, সরবরাহ ও বাজারজাতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযানে ৮১০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন, ২টি ওজন মাপার যন্ত্র, ৩টি পলিথিন উৎপাদন মেশিন এবং ১টি বৈদ্যুতিক মিটার জব্দ করা হয়।

 

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে: “সোমবার (২১ জুলাই) ৩টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) এর ৬(ক) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ২টি মামলায় সর্বমোট ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

 

পাশাপাশি গাজীপুর জেলার অভিযানে একটি অবৈধ পলিথিন কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

 

অভিযানের অংশ হিসেবে কয়েকটি সুপারশপসহ স্থানীয় দোকান মালিক ও সাধারণ জনগণকে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করা হয় এবং ভবিষ্যতে আইন লঙ্ঘন না করার জন্য সতর্ক করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের এই ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে পলিথিন দূষণ রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প ব্যবহারে উৎসাহ প্রদান করা হচ্ছে।”