সংবাদ শিরোনাম ::
Logo পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন তাহসান খান Logo এবার মুস্তাফিজকে নিয়ে মুখ খুললেন সাকিব আল হাসান Logo বাঘ-হাতি হত্যা করলে ৭ বছর জেল, ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অন্যান্য প্রাণী শিকারেও দ্বিগুণ শাস্তি Logo নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা Logo হাইড্রোজেন ওয়াটার যে উপকারে আসে Logo ট্রাম্পের সামরিক বৈঠক, ইরানও প্রস্তুত! দুই দেশ কি তবে শিগগিরই যুদ্ধে জড়াচ্ছে? Logo তাহসান-রোজার বিচ্ছেদ নিয়ে পাওয়া গেল চাঞ্চল্যকর তথ্য Logo এবার স্পন্সরশিপ হারাচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেট Logo মাত্র ২ চিকিৎসক দিয়ে দেশের সব বন্যপ্রাণীর চিকিৎসা! Logo মুহাম্মদ মনির হোসেন সম্পাদিত ‘নদীকাহন’ গ্রন্থের পাঠ উন্মোচন

তিলক বর্মার ৬৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংসকে মনে রাখবে পুরো ক্রিকেট বিশ্ব

তিলক বর্মার ৬৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংসটি মনে রাখবে এশিয়া কাপ

দ্বিতীয় ওভারে ড্রেসিং রুমে ফিরে গেলেন অভিষেক শর্মা। পরের ওভারে একই পথে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তখন ব্যাটিংয়ে নামলেন তিলক ভার্মা। কিছুক্ষণ পর দলের চাপ বাড়িয়ে আউট হয়ে গেলেন শুবমান গিলও। মাত্র ২০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তখন মহা বিপদে ভারত। তবে তিলক বর্মা ছিলেন খুব ধৈর্য নিয়ে। এক প্রান্ত আগলে রেখে রয়েসয়ে তিনি এগিয়ে যান জয়ের পথে। চমৎকার ব্যাটিংয়ে খেলেন ৫৩ বলে ৬৯ রানের অপরাজিত এক ইনিংস।

পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়া কাপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ভারতের ৫ উইকেটের জয়ে বড় পার্থক্য গড়ে দেয় তিলকের এই ইনিংস। এর আগে ফিল্ডিংয়েও দুটি ক্যাচ নেন তিলক। তাই ফাইনালের ম্যাচ সেরার পুরস্কারও ওঠে ২২ বছর বয়সী ব্যাটারের হাতে।

চার নম্বরে নেমে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকা ইনিংসে ৩ চারের সঙ্গে ৪টি ছক্কা মারেন তিলক। পরে ম্যাচ সেরার পুরস্কার গ্রহণ করে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বার্তা দেন তরুণ এই ব্যাটার।

“এটি আমার জীবনের সবচেয়ে স্পেশাল ইনিংসগুলোর একটি। বেশি কিছু বলার নেই। চাক দে ইন্ডিয়া।”

এসময় শুরুর চাপের কথাও স্বীকার করে নেন তিলক।

“অবশ্যই চাপ ছিল। তারা ভালো বোলিং করছিল। গতির তারতম্য কাজে লাগচ্ছিল। আমি শান্ত থাকার চেষ্টা করছিলাম। নিজের খেলার ওপর আস্থা রেখেছিলাম।”

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন তাহসান খান

তিলক বর্মার ৬৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংসকে মনে রাখবে পুরো ক্রিকেট বিশ্ব

আপডেট সময় ১১:৪০:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দ্বিতীয় ওভারে ড্রেসিং রুমে ফিরে গেলেন অভিষেক শর্মা। পরের ওভারে একই পথে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তখন ব্যাটিংয়ে নামলেন তিলক ভার্মা। কিছুক্ষণ পর দলের চাপ বাড়িয়ে আউট হয়ে গেলেন শুবমান গিলও। মাত্র ২০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তখন মহা বিপদে ভারত। তবে তিলক বর্মা ছিলেন খুব ধৈর্য নিয়ে। এক প্রান্ত আগলে রেখে রয়েসয়ে তিনি এগিয়ে যান জয়ের পথে। চমৎকার ব্যাটিংয়ে খেলেন ৫৩ বলে ৬৯ রানের অপরাজিত এক ইনিংস।

পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়া কাপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ভারতের ৫ উইকেটের জয়ে বড় পার্থক্য গড়ে দেয় তিলকের এই ইনিংস। এর আগে ফিল্ডিংয়েও দুটি ক্যাচ নেন তিলক। তাই ফাইনালের ম্যাচ সেরার পুরস্কারও ওঠে ২২ বছর বয়সী ব্যাটারের হাতে।

চার নম্বরে নেমে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকা ইনিংসে ৩ চারের সঙ্গে ৪টি ছক্কা মারেন তিলক। পরে ম্যাচ সেরার পুরস্কার গ্রহণ করে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বার্তা দেন তরুণ এই ব্যাটার।

“এটি আমার জীবনের সবচেয়ে স্পেশাল ইনিংসগুলোর একটি। বেশি কিছু বলার নেই। চাক দে ইন্ডিয়া।”

এসময় শুরুর চাপের কথাও স্বীকার করে নেন তিলক।

“অবশ্যই চাপ ছিল। তারা ভালো বোলিং করছিল। গতির তারতম্য কাজে লাগচ্ছিল। আমি শান্ত থাকার চেষ্টা করছিলাম। নিজের খেলার ওপর আস্থা রেখেছিলাম।”