সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সিন্ধু পানিচুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতের রায় উড়িয়ে দিল ভারত Logo ইবোলা ভাইরাসে জরুরি অবস্থা ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার Logo হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ শিশুর মৃত্যু Logo থাইল্যান্ডে সবচেয়ে বড় ডাইনোসর নাগাটাইটানের খোঁজ Logo বৃষ্টি-লঘুচাপ, আগামী কয়েকদিন যেমন থাকতে পারে আবহাওয়া Logo শেরপুর জেলা প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত, নতুন কমিটি গঠন Logo এবারের কোরবানির হাট কাঁপাবে যশোরের ‘বিসিএস ক্যাডার’ Logo সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমানের জানাজায় অংশগ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo সুন্দরবনের বিপদ বাড়ছেই: ভৈরব-রূপসার তলদেশে মাইক্রোপ্লাস্টিক-ভারী ধাতু   Logo রোববার রাত থেকে টানা ১৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

তিলক বর্মার ৬৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংসকে মনে রাখবে পুরো ক্রিকেট বিশ্ব

তিলক বর্মার ৬৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংসটি মনে রাখবে এশিয়া কাপ

দ্বিতীয় ওভারে ড্রেসিং রুমে ফিরে গেলেন অভিষেক শর্মা। পরের ওভারে একই পথে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তখন ব্যাটিংয়ে নামলেন তিলক ভার্মা। কিছুক্ষণ পর দলের চাপ বাড়িয়ে আউট হয়ে গেলেন শুবমান গিলও। মাত্র ২০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তখন মহা বিপদে ভারত। তবে তিলক বর্মা ছিলেন খুব ধৈর্য নিয়ে। এক প্রান্ত আগলে রেখে রয়েসয়ে তিনি এগিয়ে যান জয়ের পথে। চমৎকার ব্যাটিংয়ে খেলেন ৫৩ বলে ৬৯ রানের অপরাজিত এক ইনিংস।

পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়া কাপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ভারতের ৫ উইকেটের জয়ে বড় পার্থক্য গড়ে দেয় তিলকের এই ইনিংস। এর আগে ফিল্ডিংয়েও দুটি ক্যাচ নেন তিলক। তাই ফাইনালের ম্যাচ সেরার পুরস্কারও ওঠে ২২ বছর বয়সী ব্যাটারের হাতে।

চার নম্বরে নেমে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকা ইনিংসে ৩ চারের সঙ্গে ৪টি ছক্কা মারেন তিলক। পরে ম্যাচ সেরার পুরস্কার গ্রহণ করে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বার্তা দেন তরুণ এই ব্যাটার।

“এটি আমার জীবনের সবচেয়ে স্পেশাল ইনিংসগুলোর একটি। বেশি কিছু বলার নেই। চাক দে ইন্ডিয়া।”

এসময় শুরুর চাপের কথাও স্বীকার করে নেন তিলক।

“অবশ্যই চাপ ছিল। তারা ভালো বোলিং করছিল। গতির তারতম্য কাজে লাগচ্ছিল। আমি শান্ত থাকার চেষ্টা করছিলাম। নিজের খেলার ওপর আস্থা রেখেছিলাম।”

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিন্ধু পানিচুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতের রায় উড়িয়ে দিল ভারত

তিলক বর্মার ৬৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংসকে মনে রাখবে পুরো ক্রিকেট বিশ্ব

আপডেট সময় ১১:৪০:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দ্বিতীয় ওভারে ড্রেসিং রুমে ফিরে গেলেন অভিষেক শর্মা। পরের ওভারে একই পথে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তখন ব্যাটিংয়ে নামলেন তিলক ভার্মা। কিছুক্ষণ পর দলের চাপ বাড়িয়ে আউট হয়ে গেলেন শুবমান গিলও। মাত্র ২০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তখন মহা বিপদে ভারত। তবে তিলক বর্মা ছিলেন খুব ধৈর্য নিয়ে। এক প্রান্ত আগলে রেখে রয়েসয়ে তিনি এগিয়ে যান জয়ের পথে। চমৎকার ব্যাটিংয়ে খেলেন ৫৩ বলে ৬৯ রানের অপরাজিত এক ইনিংস।

পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়া কাপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ভারতের ৫ উইকেটের জয়ে বড় পার্থক্য গড়ে দেয় তিলকের এই ইনিংস। এর আগে ফিল্ডিংয়েও দুটি ক্যাচ নেন তিলক। তাই ফাইনালের ম্যাচ সেরার পুরস্কারও ওঠে ২২ বছর বয়সী ব্যাটারের হাতে।

চার নম্বরে নেমে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকা ইনিংসে ৩ চারের সঙ্গে ৪টি ছক্কা মারেন তিলক। পরে ম্যাচ সেরার পুরস্কার গ্রহণ করে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বার্তা দেন তরুণ এই ব্যাটার।

“এটি আমার জীবনের সবচেয়ে স্পেশাল ইনিংসগুলোর একটি। বেশি কিছু বলার নেই। চাক দে ইন্ডিয়া।”

এসময় শুরুর চাপের কথাও স্বীকার করে নেন তিলক।

“অবশ্যই চাপ ছিল। তারা ভালো বোলিং করছিল। গতির তারতম্য কাজে লাগচ্ছিল। আমি শান্ত থাকার চেষ্টা করছিলাম। নিজের খেলার ওপর আস্থা রেখেছিলাম।”