সংবাদ শিরোনাম ::
Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা Logo আজ থেকে ১১ জুন পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা Logo ১৬ এপ্রিলের আবহাওয়া স্বস্তিদায়ক হতে পারে, তবে এরপর আবার গরম Logo মিরসরাইয়ে হরিণ জবাই! জড়িতদের ধরতে বন বিভাগের অভিযান Logo জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা Logo প্রাণী নির্যাতন বন্ধে সরকারের কাছে আইনি নোটিশ Logo কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপার ক্ষোভ: এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ Logo পহেলা বৈশাখে আকাশ থাকতে পারে মেঘলা, তাপপ্রবাহ চলছে, সঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা Logo পহেলা বৈশাখে বন্ধ থাকবে মেট্রোরেলের দুটি স্টেশন

তেরে নামের সাথে ‘সাইয়ারা’ মুভির মিল খুঁজে পাচ্ছেন দর্শকরা

তেরে নামের সাথে 'সাইয়ারা' মুভির মিল খুঁজে পাচ্ছেন দর্শকরা

আহান পাণ্ডে ও আনীত পাড্ডা অভিনীত ‘সাইয়ারা’ হয়ে উঠেছে জেনারেশন জেড-এর এক অনবদ্য আবেগের অভিজ্ঞতা। ভালোবাসা, বিচ্ছেদ ও হৃদয়ভাঙা অনুভূতির তীব্র চিত্রায়ন এ ছবিকে করে তুলেছে সময়ের অন্যতম আলোচিত রোমান্টিক ড্রামা।তাই তারা তেরে নামের সাথে ‘সাইয়ারা’ মুভির মিল খুঁজে পাচ্ছেন।

পরিচালক মোহিত সুরির জগতে এই মুহূর্তে যেন সবাই ডুবে আছে—হলগুলোর ভেতর শার্ট খুলে নাচ, উল্লাসে চিৎকার, এমনকি স্যালাইন নিয়ে সিনেমা দেখা—এসব অদ্ভুত সব দৃশ্যই এখন ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। এই উন্মাদনার মধ্যেই মিলেনিয়াল প্রজন্মও চুপ করে নেই। তারা ফিরে যাচ্ছে তাদের নিজের সময়ের আবেগময় ক্লাসিকের দিকে—তুলনা টানছে ‘তেরে নাম’ (২০০৩) এবং ‘সদমা’ (১৯৮৩)–এর সঙ্গে।

‘তেরে নাম’, সলমান খানের সেই ট্র্যাজিক লাভ স্টোরি, আজও মানুষের মনে রয়ে গেছে এক অবসন্ন দাগ হয়ে। সাতিশ কৌশিক পরিচালিত এই সিনেমায় প্রেম, বিচ্ছেদ আর বেদনাকে এমনভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল, যা অনেকের জীবনেই আবেগের এক বিপর্যয় তৈরি করেছিল। রাধে চরিত্রে সলমান খানের পাগলামির অভিনয়, হিমেশ রেশমিয়ার অমর গান এবং অনাকাঙ্ক্ষিত সেই ট্র্যাজিক ক্লাইম্যাক্স—সব মিলিয়ে ‘তেরে নাম’ যেন ছিল প্রেমে মোড়ানো এক দীর্ঘশ্বাস।

শুধু ‘তেরে নাম’ নয়, এরই সঙ্গে অনেকে মনে করছেন আরেক ক্লাসিক ‘সদমা’–এর নাম। কারণ সেই ছবিটিও একই আবেগ তৈরি করেছিল। কমল হাসান ও শ্রীদেবীর অভিনয়ে নির্মিত এই সিনেমায় ছিল নিঃশব্দে ভেতরটা ছিঁড়ে দেওয়া এক করুণ গল্প! শ্রীদেবীর চরিত্র নেহালতা এক দুর্ঘটনার পর শিশুসুলভ মনোভাব নিয়ে ফিরে আসে। কমল হাসানের চরিত্র সোমু তাকে ভালোবাসে, যত্ন করে। কিন্তু যখন সে তার স্মৃতি ফিরে পায়, তখন সোমুকে আর চিনতে পারে না। সিনেমার শেষ দৃশ্যে ট্রেন প্ল্যাটফর্মের সেই কান্নাভেজা বিদায় আজও বহু দর্শকের মন থেকে মোছা যায়নি।

‘সাইয়ারা’ এখন যেন সেই একই হৃদয়ভাঙা অনুভব ফিরিয়ে আনছে নতুন প্রজন্মের কাছে। ভালোবাসুন বা না-ই বাসুন, মোহিত সুরির ‘সাইয়ারা’কে উপেক্ষা করা যাচ্ছে না কিছুতেই। প্রেম, যন্ত্রণা আর অনুভূতির এমন বিস্ফোরণে কেউ কেউ বলছেন—এ যেন আজকের প্রজন্মের ‘তেরেনাম’!

আপলোডকারীর তথ্য

পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া

তেরে নামের সাথে ‘সাইয়ারা’ মুভির মিল খুঁজে পাচ্ছেন দর্শকরা

আপডেট সময় ০২:৪২:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫

আহান পাণ্ডে ও আনীত পাড্ডা অভিনীত ‘সাইয়ারা’ হয়ে উঠেছে জেনারেশন জেড-এর এক অনবদ্য আবেগের অভিজ্ঞতা। ভালোবাসা, বিচ্ছেদ ও হৃদয়ভাঙা অনুভূতির তীব্র চিত্রায়ন এ ছবিকে করে তুলেছে সময়ের অন্যতম আলোচিত রোমান্টিক ড্রামা।তাই তারা তেরে নামের সাথে ‘সাইয়ারা’ মুভির মিল খুঁজে পাচ্ছেন।

পরিচালক মোহিত সুরির জগতে এই মুহূর্তে যেন সবাই ডুবে আছে—হলগুলোর ভেতর শার্ট খুলে নাচ, উল্লাসে চিৎকার, এমনকি স্যালাইন নিয়ে সিনেমা দেখা—এসব অদ্ভুত সব দৃশ্যই এখন ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। এই উন্মাদনার মধ্যেই মিলেনিয়াল প্রজন্মও চুপ করে নেই। তারা ফিরে যাচ্ছে তাদের নিজের সময়ের আবেগময় ক্লাসিকের দিকে—তুলনা টানছে ‘তেরে নাম’ (২০০৩) এবং ‘সদমা’ (১৯৮৩)–এর সঙ্গে।

‘তেরে নাম’, সলমান খানের সেই ট্র্যাজিক লাভ স্টোরি, আজও মানুষের মনে রয়ে গেছে এক অবসন্ন দাগ হয়ে। সাতিশ কৌশিক পরিচালিত এই সিনেমায় প্রেম, বিচ্ছেদ আর বেদনাকে এমনভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল, যা অনেকের জীবনেই আবেগের এক বিপর্যয় তৈরি করেছিল। রাধে চরিত্রে সলমান খানের পাগলামির অভিনয়, হিমেশ রেশমিয়ার অমর গান এবং অনাকাঙ্ক্ষিত সেই ট্র্যাজিক ক্লাইম্যাক্স—সব মিলিয়ে ‘তেরে নাম’ যেন ছিল প্রেমে মোড়ানো এক দীর্ঘশ্বাস।

শুধু ‘তেরে নাম’ নয়, এরই সঙ্গে অনেকে মনে করছেন আরেক ক্লাসিক ‘সদমা’–এর নাম। কারণ সেই ছবিটিও একই আবেগ তৈরি করেছিল। কমল হাসান ও শ্রীদেবীর অভিনয়ে নির্মিত এই সিনেমায় ছিল নিঃশব্দে ভেতরটা ছিঁড়ে দেওয়া এক করুণ গল্প! শ্রীদেবীর চরিত্র নেহালতা এক দুর্ঘটনার পর শিশুসুলভ মনোভাব নিয়ে ফিরে আসে। কমল হাসানের চরিত্র সোমু তাকে ভালোবাসে, যত্ন করে। কিন্তু যখন সে তার স্মৃতি ফিরে পায়, তখন সোমুকে আর চিনতে পারে না। সিনেমার শেষ দৃশ্যে ট্রেন প্ল্যাটফর্মের সেই কান্নাভেজা বিদায় আজও বহু দর্শকের মন থেকে মোছা যায়নি।

‘সাইয়ারা’ এখন যেন সেই একই হৃদয়ভাঙা অনুভব ফিরিয়ে আনছে নতুন প্রজন্মের কাছে। ভালোবাসুন বা না-ই বাসুন, মোহিত সুরির ‘সাইয়ারা’কে উপেক্ষা করা যাচ্ছে না কিছুতেই। প্রেম, যন্ত্রণা আর অনুভূতির এমন বিস্ফোরণে কেউ কেউ বলছেন—এ যেন আজকের প্রজন্মের ‘তেরেনাম’!