বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হচ্ছে বলে জানিয়েছে দলের একাধিক সূত্র। মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে সকাল থেকে তাঁর ওষুধেও কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। আজ রোববার এসব তথ্য জানা গেছে। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ইনডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের অনলাইন পোর্টাল।
২৩ নভেম্বর তাঁকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার গভীর রাতে তাঁর অবস্থার অবনতি শুরু হয়। তিনি কয়েক বছর ধরে এই হাসপাতালের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে আছেন। মেডিকেল বোর্ডের একজন সদস্য জানান, খালেদা জিয়ার শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। তাঁর শরীর ক্রিয়াশীল আছে। হাত-পা কিছুটা নাড়াচাড়া করতে পারছেন। দুয়েকটি কথাও বলেছেন গতকাল।
পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নেওয়ার আলোচনা আছে। গতকাল বিকেলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার জন্য যে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো রয়েছে তার মধ্যে ভিসা, সম্ভাব্য একাধিক দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা এবং এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ঠিক করা নিয়ে আলোচনা ও কাজ চলছে। যদি প্রয়োজন হয় এবং তিনি বিমানে যাতায়াতের জন্য উপযুক্ত হন; তাহলে এ ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
দলের একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামীকাল সোমবার চীনের একটি চিকিৎসক দল ঢাকায় আসতে পারে। তারা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সেবা ও পরামর্শ দেবেন।
৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে বিএনপি চেয়ারপারসনকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর শুরু হয় চিকিৎসা।
পরে বৃহস্পতিবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে খালেদা জিয়াকে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে।
মেডিকেল বোর্ড জানিয়েছে, খালেদা জিয়ার হৃৎপিণ্ডেও কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি অগ্ন্যাশয়ের তীব্র প্রদাহে আক্রান্ত হওয়ায় অবস্থা জটিল হয়েছে।
প্রকৃতিবার্তা ডেস্ক 




















