টাইফুন কালমায়েগির তাণ্ডব: ফিলিপাইনে ভয়াবহ টাইফুন কালমায়েগির আঘাতে অন্তত ১৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন ১২৭ জন। শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে ফিলিপাইন পেরিয়ে ভিয়েতনামের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
আজ ৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, দেশটির ন্যাশনাল সিভিল ডিফেন্স অফিসের হিসাবে ১১৪ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে সেবু প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষের দেওয়া আরও ২৮ জনের মৃত্যুর তথ্য এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪০।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে টাইফুনগুলো আরও শক্তিশালী হচ্ছে। উষ্ণ সমুদ্রের পানি ঝড়কে দ্রুত শক্তি জোগায়, আর উষ্ণ বায়ুতে বেশি আর্দ্রতা থাকায় বৃষ্টির পরিমাণও বেড়ে যায়। সরকারি হিসাবে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে প্রায় ৮ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে এখন ঠাঁই নিয়েছেন হাজারও বাস্তুচ্যুত মানুষ।
নেপালে ঝড় ও তুষারধসে ৯ জনের মৃত্যু: ভারী তুষারঝড় ও তুষারধসে কমপক্ষে নয়জনের মৃত্যুর পর নেপালের হিমালয় পর্বতমালায় সাত ইতালীয় পর্বতারোহী নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার নেপালের হিমালয় পর্বতমালার ইয়ালুং রি পর্বতের চূড়ার কাছে একটি বেস ক্যাম্পে বিশাল তুষারধসে পাঁচ বিদেশি এবং দুই নেপালি গাইডের মধ্যে তিন ইতালীয় পর্বতারোহীও ছিলেন।

বুধবার ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তিন ইতালীয় পর্বতারোহীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। তবে, নিখোঁজ আরও সাত ইতালীয় নাগরিকের কোনো খবর এখনও পাওয়া যায়নি।
গত সপ্তাহে ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’র প্রভাবে অস্বাভাবিক ভারী বৃষ্টি ও তুষারপাত হয় নেপালে, যার কারণে বিভিন্ন জনপ্রিয় ট্র্যাকিং রুটে বহু পর্যটক ও আরোহী আটকা পড়েন। নেপালি কর্তৃপক্ষ বর্তমানে সব আরোহী ও ভ্রমণকারীদের জন্য সতর্কতা জারি করেছে। বিশ্বের ১০টি সর্বোচ্চ পর্বতের মধ্যে ৮টিই নেপালে অবস্থিত হওয়ায় দেশটি প্রতি বছর অসংখ্য স্থানীয় ও বিদেশি আরোহীর প্রিয় গন্তব্য।
প্রকৃতিবার্তা ডেস্ক 



















