নদী রক্ষা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে মালয়েশিয়ায় হয়ে গেল ‘নলেজ এক্সচেঞ্জ রিভার কনফারেন্স-২০২৪’। গত বছরের শেষ দিকে মালয়েশিয়ার পশ্চিম উপকূলের রাজ্য পেরাকের ইপোহতে আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনের আয়োজন করেছিল গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট সেন্টার (জিইসি) এবং বাংলাদেশ নদী ফাউন্ডেশন। এই সম্মেলনের অন্যতম অংশীদার হিসেবে ছিল প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন, মালয়েশিয়ান ওয়াটার পার্টনারশিপ, কোয়েস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, রিভার এন্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টার, কর্ণফুলি সুরক্ষা পরিষদ এবং মালয়েশিয়ার সংরক্ষিত টংগ্যাং এলাকার স্থায়ীরা।
মূলত মালয়েশিয়া এবং বাংলাদেশের টেকসই নদী ব্যবস্থাপনার কর্মকৌশল ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের উদ্দেশে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে নদী রক্ষা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে জোরদার আলোচনা চলে। স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবী, কমিউনিটি বেজড অর্গানাইজেশন (সিবিও) এবং আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা এসব আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত মালয়েশিয়ার পেরাক রাজ্যে আয়োজিত এই সম্মেলনে নদী মাতৃক বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিনিধি হিসেবে ছিল প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন টিম। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবুর নেতৃত্বে এই টিমে মালয়েশিয়ার নদী ও জীবন কাছে থেকে দেখে এসেছি আমরা। টিমে ছিলেন প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের কো-অর্ডিনেটর এ এম এম খায়রুল আনাম এবং ফাউন্ডেশনের এনভায়রনমেন্ট মিডিয়া কনটেন্ট স্পেশালিস্ট হিসেবে আমি শাফরিনা খাতুন।

প্রথম দিনে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর ইপোহর দিকে শুরু হয় আমাদের প্রকৃতিযাত্রা। নদী সংরক্ষণে দেশটির পেরাক রাজ্যের নেওয়া পদক্ষেপগুলো নিবিড়ভাবে দেখাটাও আসলে শুরু হয়ে যায় তখন থেকেই। পৌঁছে যাই অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত টংগ্যাং কমিউনিটি সাইটে। টংগ্যাংয়ে গিয়ে স্থানীয় নদী সংরক্ষণ পদক্ষেপগুলোর সঙ্গে শুরু হয় আমাদের পরিচিত হওয়ার পালা।
টংগ্যাংয়ে পাহাড়ের মাঝ দিয়ে বয়ে চলেছে নদী, স্ফটিক-স্বচ্ছ পানি সূর্যের আলোয় ঝিকমিক করছে। বর্ণিল গাছগাছালিতে ভরা নদী পাড়, নানা বর্ণে প্রাণময় পাহাড়ের কোল, ঠাণ্ডা হাওয়ায় প্রকৃতির সতেজ সুবাস। নদীতল মসৃণ পাথরে ভরা, প্রশান্তিকর দৃশ্যের সংযোজন বটে। সব মিলিয়ে বোঝা যায় বিশেষ এই জায়গার প্রতি স্থানীয় বাসিন্দারা কতটা যত্নশীল।

টংগ্যাংয়ের প্রকৃতির মতো স্থানীয় মানুষগুলোও প্রকৃতি ও জীবন টিমকে স্বাগত জানালো আন্তরিক উষ্ণতায়। হাল্কা খাবার খেতে খেতে তাদের সঙ্গে কথা হলো এই টিমের, জানা গেল প্রকৃতির এই অপার সৌন্দর্য রক্ষায় চলমান তাদের নানা কার্যক্রম সম্পর্কে।
বিভিন্ন কর্মসূচি ও কার্যক্রম দিয়ে সনওই নদী সংরক্ষণে তাদের যে আন্তরিক প্রচেষ্টা, সেটা সত্যিই প্রকৃতি সংরক্ষণের চমৎকার এক উদাহরণ।
পরিচিতি পর্বের পর প্রকৃতি ও জীবন টিম পাহাড়ের মাঝে সুন্দরী সনওই নদীকোলের প্রকৃতির মাঝে নানা কার্যক্রমে ব্যস্ত হয়ে গেল। ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলাম স্থানীয় সম্প্রদায় কিভাবে সনওই এবং এর প্রকৃতিকে রক্ষার নানা কার্যক্রম সুনিপুন দক্ষতা,আন্তরিকতা আর মমতায় চালিয়ে যাচ্ছে। খুব কাছ থেকে দেখা হলো, কিভাবে স্থানীয় সম্প্রদায় নদী ব্যবস্থাপনা করছে, কিভাবে নদীর প্রতিবেশ-বাস্তুসংস্থানের ভারসাম্য রক্ষা করে সনওই ও প্রকৃতিকে রক্ষা করে চলেছে। তাদের পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে: নদীদূষণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, পাশাপাশি নদী সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে জনসচেতনতা তৈরির নানা শিক্ষামূলক কার্যক্রম।
এরপর টিম ঘুরে দেখতে শুরু করলো সনওই পারের পাহাড়। ট্রেকিং করতে করতে এই অঞ্চলের বৈচিত্রময় উদ্ভিদজগতটাও দেখা হলো একেবারে কাছ থেকে। চিরসবুজ বনে ভরপুর অভিজ্ঞতা নিয়ে চলতে চলতে দেখা মিলল নানা উদ্ভিদ প্রজাতির, যারা এই বাস্তুসংস্থানে স্বকীয় অবদান রেখে চলেছে। প্রকৃতি ও জীবন টিমের সঙ্গে এই প্রকৃতিযাত্রায় ছিলেন বিশেষজ্ঞরাও। যাত্রাবিরতির ফাঁকে তারাই টিমকে বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন এই গাছগুলোর কোনটির ভূমিকা কী। তারাই ব্যাখ্যা করলেন গাছগুলো কিভাবে নদীর পার টিকিয়ে রাখছে, পানির মান ধরে রাখছে এবং স্থানীয় বন্যপ্রাণীর আবাস্থল-আশ্রয়ণ নিশ্চিত করছে। অর্থাৎ বহমান নদীর সঙ্গে প্রকৃতির নানা অংশের এক নিবিড় আন্তঃসম্পর্কই যেন ব্যাখ্যা করলেন এই বিশেষজ্ঞরা।
এই নদী তীরের বুনোপথে হাঁটতে হাঁটতে দেখা গেল জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে নেওয়া নানা উদ্যোগ। এটাও জানা গেল, প্রকৃতি সংরক্ষনকারীরা এই এলাকার স্থানীয় প্রজাতি রক্ষা এবং ঝুঁকিতে পড়া এলাকা সারিয়ে তুলতে বেশ কিছু কৌশলও হাতে নিয়েছেন।
প্রকৃতি-বাস্তুসংস্থান রক্ষায় পদক্ষেপগুলো যে কিভাবে-কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে সেটা মাঠপর্যায়ের নিবিড় এই সফরের মাধ্যমে আমাদের কাছে আরও স্পষ্ট হলো।

এসব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে ট্রেকিং শেষ হলো। তবে প্রকৃতি ও জীবন টিমের কাজ শেষ হয়নি, সনওই নদীকে আরও জানতে শুরু হলো হাতে-কলমে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পালা। মানুষের মতো নদীরও তো স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হয়। সেটাই করতে শুরু করে টিম, পানির মান পরীক্ষায় হাতে তুলে নেওয়া হয় টেস্টিং কিট। খতিয়ে দেখা হয় সনওইয়ের পানিতে পিএইচ (ক্ষার) এবং অক্সিজেনের মাত্রা। আরও দেখা হয় পানি কতটা অস্বচ্ছ, পুষ্টি উপাদানের উপস্থিতি আছে কিনা। এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষায় জানা যায় নদীটি বর্তমানে কেমন আছে। হাতে-কলমের এই অভিজ্ঞতা থেকে এটাও বোঝা গেল যে, কিভাবে স্থানীয়রা নদীর কিছু বদলে গেল কিনা তা শনাক্ত করেন এবং কোনো সমস্যা পেলে তা সমাধানের কৌশল বের করেন।
প্রকৃতি ও জীবন টিমের সামনে ওরাং আসলি সম্প্রদায় ও পরিবেশ-প্রতিবেশের সঙ্গে তাদের মানিয়ে চলার চমৎকার একটি মডেল তুলে ধরেন আয়োজকরা। আমরা জানলাম ওরাং আসলি সম্প্রদায়ের পরিবেশ সংরক্ষণে রেখে চলা অবদান, প্রকৃতির সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে টেকসই সহাবস্থান এবং এই ভূমির সঙ্গে তাদের নিবিড় সম্পর্ক। যা আসলে ঐতিহ্য-প্রথাগত জ্ঞান এবং আধুনিক সংরক্ষণ পদক্ষেপগুলোর চমৎকার মিশ্রণ।
প্রথম দিনের ব্যস্ততার পরিসমাপ্তি হলো রাতের খাবার খেতে খেতে বিশ্রাম আর দিনের নানা জিনিস নিয়ে আলাপচারিতায়। এরপর ওরাং আসলি সম্প্রদায়ের প্রধান পরম আন্তরিকতায় আমাদের মাথায় পরিয়ে দিলেন পাতা দিয়ে হাতে বোনা ‘টেম্পু’ মুকুট।

অতিথিদের স্বাগত জানাতে টেম্পু পরিয়ে দেয় ওরাং আসলি সম্প্রদায়। এই বন্ধুত্বপূর্ণ আসরে নদী ব্যবস্থাপনা এবং সংরক্ষণ নিয়ে আরও কিছুক্ষণ আলোচনা চলল। অংশগ্রহণকারীরা তাদের ভাবনা এবং দিনের অভিজ্ঞতা বিনিময় করলেন। এতে করে সম্মেলনে অংশ নিতে আসা প্রতিনিধি এবং সম্প্রদায়ের মানুষদের মধ্যে যোগাযোগ ও ভাববিনিময়ও বেড়ে গেল।
দ্বিতীয় দিনে সম্মেলনের ভেন্যু ইমপিয়ানা হোটেল, দিনব্যাপী চললো আলোচনা এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়পর্ব। দিনের এই আয়োজনগুলোতে অংশ নেন বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিরা। নদী ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণের এই পর্বেও প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন স্থানীয় সম্প্রদায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবী, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সিবিও (কমিউনিটি বেজড অর্গানাইজেশন), এনজিওসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা। এসব আলোচনায় নদী নির্ভর সামাজিক বাস্তবতায় নানা অংশীজনের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে উদ্ভুত পরিস্থিতির প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান প্রাধান্য পায়।

আসলে এই সম্মেলনের উদ্দেশ্যই ছিল অংশগ্রহণকারীদের নদী ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সম্যক একটি ধারণা দেওয়া, যাতে তারা নদী ব্যবস্থাপনা ভালভাবে বুঝতে পারেন। একই সঙ্গে নিজ নিজ দেশে নদী রক্ষার চ্যালেঞ্জ এবং অগ্রগতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পান। নদীকেন্দ্রীক চ্যালেঞ্জগুলোর সমাধানে সম্মেলনে গুরুত্ব পেয়েছে প্রকৃতি নির্ভর সমাধান পদ্ধতি। সুস্থ পৃথিবীর জন্য সুস্থ নদী, এই ধারণাকে কেন্দ্র করে বিস্তৃত পরিসরের অংশীজনদের নিয়ে নদীর সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার অনুশীলন আলোচিত হয়েছে এই সম্মেলনে। সারাদিনে নানা উপস্থাপনায় কার্যত এই বিষয়গুলোই প্রাধান্য পেয়েছে। হয়েছে প্যানেল ভিত্তিক আলোচনাপর্ব, যেখানে নদী-পরিবেশ জগতের বিশেষজ্ঞরা তুলে ধরেছেন নানা কেস স্টাডি, গবেষণাভিত্তিক সমাধানের সাফল্যের কথা।
সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক পর্বের শুরুটা পেরাক স্টেটের সংসদ সদস্য এবং রাজ্যের নির্বাহী কাউন্সিলের সদস্য তেহ কক লিমের উৎসাহ ভরা বক্তব্য দিয়ে। এরপর চলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপস্থাপনা পর্ব। যেখানে প্রতিনিধিরা নদী ব্যবস্থাপনা এবং সংরক্ষণে নিজ নিজ নিবন্ধ তুলে ধরেন।
প্রথমে পেরাক রাজ্যের ডিপার্টমেন্ট অফ ইরিগেশন এন্ড ড্রেইনেজ এর প্রতিনিধিরা পেরাকের নদী ব্যবস্থাপনায় তাদের গৃহিত উদ্যোগ তুলে ধরেন। পেরাকের নদী রক্ষায় তাদের নেওয়া ইনটিগ্রেটেড রিভার বেসিন ম্যানেজমেন্ট (আইআরবিএম) সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়।
এরপরেই সম্মেলনে নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে নিবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু। তিনি সম্মেলনে আসা প্রতিনিধিদের সামনে বাংলাদেশে নদীর গুরুত্ববহ অবদান, দেশের জন্য নদীর অস্তিত্বরক্ষার বিষয়ে মূল্যবান তথ্যাদি তুলে ধরেন। বাংলাদেশের পরিবেশ-প্রতিবেশ, অর্থনীতি এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে নদীগুলোর গুরুত্ব কতটা, সেটাই প্রকাশ পায় প্রকৃতিবন্ধু হিসেবে পরিচিত এই গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বের কথায়।

এছাড়াও তিনি বাংলাদেশের নদী ব্যবস্থাপনার বর্তমান অবস্থা নিয়ে কথা বলেন, সরকারি পদক্ষেপ নিয়ে মূল্যায়ন এবং চলমান চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেন। মুকিত মজুমদার বাবু এই আলোচনায়, সক্রিয় নদী ব্যবস্থাপনা-সংরক্ষণের প্রয়োজনে সম্মিলিত আন্তর্জাতিক উদ্যোগের প্রতি সবচেয়ে বেশি জোর দেন।
এরপর ‘লিভিং রিভার কনসেপ্ট: আরএইচআই মডেল মালয়েশিয়া’ নিয়ে আলোচনা করেন জিইসি’র সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার সাথিশ ভেনকিটাসামি।
চতুর্থ নিবন্ধ উপস্থাপন করেন রিভার এন্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের (আরডিআরসি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এজাজ, যিনি ‘রি-মেইনস্ট্রিমিং রিভার্স থ্রু অ্যাডভোকেসি’র মাধ্যমে নদী রক্ষায় অ্যাক্টিভিজম, গণমাধ্যমের সম্পৃক্তকরণ এবং আইনি কৌশল নিয়ে বক্তব্য পেশ করেন।
সবশেষে মালয়েশিয়ান ওয়াটার পার্টনারশিপের ডেপুটি চেয়ারম্যান হাজি হানাপি বিন মোহাম্মাদ নুর ‘সাসটেইনেবল রিভার ম্যানেজমেন্ট থ্রু এসএমএআরটি (স্মার্ট) পার্টনারশিপ’ নিবন্ধ উপস্থাপন করেন। যেখানে তিনি নদী ব্যবস্থাপনায় সৃজনশীল এবং পারস্পরিক সহায়তা নির্ভর পদ্ধতির কথা তুলে ধরেন।

এই সম্মেলনে নদী ব্যবস্থাপনায় আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা এবং বহুমুখী দৃষ্টিভঙ্গির একত্রীকরণে গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রথাগত চর্চা এবং আধুনিক পদ্ধতির মিশেলে কিভাবে আরও সক্রিয় সংরক্ষণ কৌশল এবং সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করা যায় সেসবে জোর দেওয়া হয় মালয়েশিয়ার নদী সম্মেলনে।
সব মিলিয়ে, ‘নলেজ এক্সচেঞ্জ রিভার কনফারেন্স-২০২৪’ ছিল অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং ঐহিত্য-প্রথাগত প্রজ্ঞার মিশেলে সমৃদ্ধ এক আয়োজন। এই সম্মেলন নদী রক্ষার চ্যালেঞ্জগুলো এবং সমাধানগুলো বিস্তৃতভাবে তুলে ধরতে পেরেছে। যেখানে আমরা প্রতিবেশের জটিল ভারসাম্য এবং আমাদের প্রাকৃতিক বিশ্ব সংরক্ষণে উদ্ভাবনী আর ঐতিহ্যগত দুই পদ্ধতির গুরুত্ব গভীরভাবে উপলব্ধি করার সুযোগ পেয়েছিলাম।
শাফরিনা খাতুন 






















