সংবাদ শিরোনাম ::
Logo যুদ্ধের আতঙ্কে পোষা প্রাণী ফেলে দুবাই ছাড়ছে অনেকে Logo ইরানে হামলার জেরে পাকিস্তানে বায়ুদূষণের সতর্কতা Logo পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ‘ন্যাশনাল গ্রিন মিশন’ পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo ঈদের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাব্য তারিখ জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর Logo ডেপুটি স্পিকার হলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল Logo ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ Logo ভিন্ন সুরে যুদ্ধ বন্ধের কথা বললেন ট্রাম্প ও পেজেশকিয়ান, তবে ইসরায়েল বলছে না   Logo আজ শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন Logo ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া রোধে সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo মোহাম্মদপুরে বিড়াল হত্যায় আসামির ৬ মাসের কারাদণ্ড

নজিরবিহীন ধ্বংসযজ্ঞের প্রমাণ আসছে উজান থেকে, দুধকুমার নদে মৃত গন্ডার!

নজিরবিহীন ধ্বংসযজ্ঞের প্রমাণ আসছে উজান থেকে, দুধকুমার নদে মৃত গন্ডার!

বর্ষা মৌসুমে ভারতে অর্থাৎ বাংলাদেশের উজানে ভারী বৃষ্টি এবং তা থেকে ঢল নতুন কিছু নয়। তবে গত সপ্তায় উজান থেকে নেমে আসা ঢলের এক নজিরবিহীন চেহারা দেখেছে স্থানীয়রা। এবার যে ঢল দেখা গেছে তাতে এতটুকু বোঝা যায় যে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং ও সংলগ্ন বনভূমি-পাহাড়ে রীতিমতো তাণ্ডব হয়ে গেছে। হাজার হাজার গাছের গুঁড়ি ভেসে এসেছে নদীগুলো দিয়ে। সর্বশেষ পাওয়া খবরে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দুধকুমার নদ দিয়ে ভেসে এসেছে একটি মৃত গন্ডার।

মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর মৃত গন্ডারটি উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের দক্ষিণছাট গোপালপুর গ্রামের দুধকুমার নদের চরে আটকা পড়ে ।ধারণা করা হচ্ছে, প্রবল বর্ষণে গন্ডারের আবাসস্থল তলিয়ে যাওয়ায় বন্যার পানিতে ডুবে এ গন্ডারটি মারা যেতে পারে। পরে তা ভেসে এখানে এসে আটকা পড়ে।

 

তিলাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিনের ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ভারতে প্রবল বন্যা দেখা দিয়েছে। এর ফলে পাহাড় ধ্বস ও বনাঞ্চল তলিয়ে যাওয়ায় দুধকুমার নদী দিয়ে কাঠের গুড়ি, মরা গরু, সাপ ও মাছ ভেসে আসছিল। তার মধ্যেই এই মৃত গন্ডার ভেসে আসে।

ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম, বনবিভাগের কুড়িগ্রাম রেঞ্জ কর্মকর্তা (সামাজিক বনায়ন) সাদিকুর রহমান, যমুনা সেতু আঞ্চলিক জাদুঘরের কিউরেটর জুয়েল রানা, উপজেলা বন কর্মকর্তা সেকেন্দার আলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

 

বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা সাদিকুল ইসলাম বলেন, “গন্ডারটি বড় ও ভারী হওয়ায় অন্যত্র সড়ানো সম্ভব নয়। তাই ওখানেই গর্ত করে মাটিচাপা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। এ ছাড়া জাদুঘরের লোকজন ছিলেন, তারা হাড়গোড় সংগ্রহ করবেন।”

 

যমুনা সেতু আঞ্চলিক জাদুঘরের কিউরেটর জুয়েল রানা বলেন, “গন্ডারটি পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। দুই মাস লাগবে এটি পচতে। তারপর হাড়গোড় সংগ্রহ করে সংরক্ষণ করা হবে। এসব শিক্ষা ও গবেষণা কাজে ব্যবহার হবে।”

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধের আতঙ্কে পোষা প্রাণী ফেলে দুবাই ছাড়ছে অনেকে

নজিরবিহীন ধ্বংসযজ্ঞের প্রমাণ আসছে উজান থেকে, দুধকুমার নদে মৃত গন্ডার!

আপডেট সময় ০৩:৪২:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

বর্ষা মৌসুমে ভারতে অর্থাৎ বাংলাদেশের উজানে ভারী বৃষ্টি এবং তা থেকে ঢল নতুন কিছু নয়। তবে গত সপ্তায় উজান থেকে নেমে আসা ঢলের এক নজিরবিহীন চেহারা দেখেছে স্থানীয়রা। এবার যে ঢল দেখা গেছে তাতে এতটুকু বোঝা যায় যে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং ও সংলগ্ন বনভূমি-পাহাড়ে রীতিমতো তাণ্ডব হয়ে গেছে। হাজার হাজার গাছের গুঁড়ি ভেসে এসেছে নদীগুলো দিয়ে। সর্বশেষ পাওয়া খবরে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দুধকুমার নদ দিয়ে ভেসে এসেছে একটি মৃত গন্ডার।

মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর মৃত গন্ডারটি উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের দক্ষিণছাট গোপালপুর গ্রামের দুধকুমার নদের চরে আটকা পড়ে ।ধারণা করা হচ্ছে, প্রবল বর্ষণে গন্ডারের আবাসস্থল তলিয়ে যাওয়ায় বন্যার পানিতে ডুবে এ গন্ডারটি মারা যেতে পারে। পরে তা ভেসে এখানে এসে আটকা পড়ে।

 

তিলাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিনের ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ভারতে প্রবল বন্যা দেখা দিয়েছে। এর ফলে পাহাড় ধ্বস ও বনাঞ্চল তলিয়ে যাওয়ায় দুধকুমার নদী দিয়ে কাঠের গুড়ি, মরা গরু, সাপ ও মাছ ভেসে আসছিল। তার মধ্যেই এই মৃত গন্ডার ভেসে আসে।

ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম, বনবিভাগের কুড়িগ্রাম রেঞ্জ কর্মকর্তা (সামাজিক বনায়ন) সাদিকুর রহমান, যমুনা সেতু আঞ্চলিক জাদুঘরের কিউরেটর জুয়েল রানা, উপজেলা বন কর্মকর্তা সেকেন্দার আলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

 

বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা সাদিকুল ইসলাম বলেন, “গন্ডারটি বড় ও ভারী হওয়ায় অন্যত্র সড়ানো সম্ভব নয়। তাই ওখানেই গর্ত করে মাটিচাপা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। এ ছাড়া জাদুঘরের লোকজন ছিলেন, তারা হাড়গোড় সংগ্রহ করবেন।”

 

যমুনা সেতু আঞ্চলিক জাদুঘরের কিউরেটর জুয়েল রানা বলেন, “গন্ডারটি পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। দুই মাস লাগবে এটি পচতে। তারপর হাড়গোড় সংগ্রহ করে সংরক্ষণ করা হবে। এসব শিক্ষা ও গবেষণা কাজে ব্যবহার হবে।”