পাকিস্তানের বৃহত্তম নগরী করাচিতে নজিরবিহীন ভারী হয়েছে, মঙ্গলবারের এই বৃষ্টিতে কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে নগরী। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, করাচিতে বৃষ্টির মধ্যে দেয়াল ধসে ও বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে অন্তত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।
পাকিস্তানের আবহাওয়া বিভাগ আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। এতে করাচিবাসী অসহায় ও হতাশবোধ করছে বলে দেশটির গণমাধ্যম ডন জানিয়েছে।

প্রবল বৃষ্টি করাচির ভঙ্গুর অবকাঠামোর ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করেছে। অতিরিক্ত পানির চাপে ড্রেন ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। সড়কগুলো তলিয়ে যাওয়ায় প্রায় পুরো শহরের জীবনযাত্রা অচল হয়ে পড়ে।
নগরীর অভিজাত এলাকা ডিফেন্স হাউজিং কর্তৃপক্ষ এবং ক্লিফটনের ঘরবাড়িও তলিয়ে যায়। এতে এসব এলাকার বাসিন্দারাও চরম দুর্ভোগে পড়েন।

আবহাওয়া দপ্তর জানায়, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ১০টা পর্যন্ত গুলশান-ই-হাদীদ এলাকায় সবচেয়ে বেশি, ১৭০ মিলিমিটার (৬ দশমিক ৬৯ ইঞ্চি) বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। সবচেয়ে কম ৬৬ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে ওরাঙ্গি টাউন এলাকায়।

করাচির প্রধান সড়কগুলোতে শত শত গাড়ি ও মোটরসাইকেল তলিয়ে যায়। যানজটে পুরো শহর স্থবির হয়ে পড়ে। হাজার হাজার মানুষ গাড়িগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকা পড়ে থাকেন।

এদিকে এর আগের দিন অর্থাৎ সোমবার পাখতুনখোয়ার স্বাবি জেলার বিভিন্ন স্থানে প্রবল বর্ষণে নতুন করে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ব্যাপক বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় বহু ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। ভূমিধসের ঘটনায় অনেক মানুষ ভেসে গেছে। এই প্রদেশে ভারী বৃষ্টিতে এর আগে নিহতের সংখ্যা ছিল ৩৪৪ জন।
প্রকৃতিবার্তা ডেস্ক 





















