নভেম্বরে হালকা শীত ও কুয়াশার ছোঁয়া অনুভূত হচ্ছে, তবে শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা নেই। মাসের শেষের দিকে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে মূল শীত আসবে ডিসেম্বরে।
ভোরে কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ছে উত্তর-পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের খোলা জায়গা ও নদীতীর। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, অক্টোবরে বেশি বৃষ্টির কারণে আগেভাগেই কুয়াশা পড়ছে। তবে এ মাসে শৈত্যপ্রবাহের আভাস নেই। ২০ নভেম্বর পর্যন্ত আকাশ মেঘমুক্ত থাকবে। তবে মাসের শেষ দিকে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা রয়েছে।
বাংলা বর্ষপঞ্জিতে চলছে কার্তিকের শেষ প্রান্তিক। ষড়ঋতুর দেশে চলছে হেমন্ত কাল। শীত না এলেও নভেম্বরের শুরুতেই উত্তরে বইছে হিমেল হাওয়া। ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত নদী অববাহিকা ছেয়ে থাকছে মাঝারি ও ঘন কুয়াশায়। উত্তর, পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে কমছে সূর্যের তেজ। এরইমধ্যে বুধবার তেঁতুলিয়ায় পারদ নেমেছে ১৪ ডিগ্রিতে।
আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির বলছেন, অক্টোবরে এবার স্বাভাবিকের চেয়ে ৩৫ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। সাথে ছিল ঘূর্ণিঝড় মন্থার প্রভাব। আবার নভেম্বরের শুরুতেই বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের প্রভাবে শীত অনুভূত হচ্ছে। তবে এ মাসে শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস নেই।
তরিফুল নেওয়াজ কবির আরও বলেন, নভেম্বর মাস ঘূর্ণিঝড়প্রবণ। এরইমধ্যে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ হলেও তা নিষ্ক্রিয়। তবে মাসের শেষে আরও দুটি লঘুচাপের শঙ্কা রয়েছে। যার একটি রূপ নিতে পারে নিম্নচাপ অথবা ঘূর্ণিঝড়ে।
আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, মূলত ডিসেম্বরে জেঁকে বসতে পারে শীত। তবে রাজধানীতে শীতের আমেজ মিলবে মধ্য ডিসেম্বরে।
প্রকৃতিবার্তা ডেস্ক 



















