ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বাসভবনে ড্রোন এবং ইসরায়েলে অন্তত ১৮০টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। এরমধ্যে একটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় বন্দর শহর আখোতে একজন নিহত হয়েছেন। হিজবুল্লাহর এই হামলার পর প্রতিশোধ নিতে লেবাননের বৈরুতে, ফিলিস্তিনের গাজায় ব্যাপক বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার বৈরুতে ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠি হিজবুল্লাহর অস্ত্রাগারে হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনের গাজায় হামাস সন্ত্রাসীদের লক্ষ্য করেও হামলা চালানো হয়েছে।
নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানিয়েছে, গতকাল শনিবার ইসরায়েলের তেল আবিব শহরের উত্তরে সিজারিয়া এলাকায় নেতানিয়াহুর বাসভবনে আঘাত হানে লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর একটি ড্রোন। তবে ওই সময় নেতানিয়াহু ও তাঁর স্ত্রী সেখানে ছিলেন না।
পরে নেতানিয়াহু এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমাকে ও আমার স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টার জন্য ইরান–সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ভয়ানক ভুল করেছে। এর জন্য তাদের চড়া মূল্য দিতে হবে।’
নেতানিয়াহুর এ বিবৃতির পরই বৈরুতে হামলা চালাল ইসরায়েল। আইডিএফ বলেছে, হিজবুল্লাহর অস্ত্রাগার ও গোয়েন্দা সদর দপ্তরের কমান্ড সেন্টার লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

এদিকে উত্তর গাজার একটি শহরে ইসরায়েলি হামলায় নারী ও শিশুসহ ৭৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। বহু মানুষ আটকা পড়েছেন ধ্বংসস্তূপে।
গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে রকেট হামলা চালায় ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। এতে ১ হাজার ২০০ মানুষ নিহত হয় বলে জানায় ইসরায়েল। এরপর গাজায় ব্যাপক হামলা শুরু করে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ। যুদ্ধ লেগে যায় দুই পক্ষে।
গাজায় ইসরায়েলি হামলা এখনো অব্যাহত। মাঝে কিছুদিন যুদ্ধবিরতি থাকলেও অবস্থা তেমন পরিবর্তন হয়নি। গাজার স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, ইসরায়েলি হামলায় গাজায় এ পর্যন্ত প্রায় ৪৩ হাজারে মতো মানুষ নিহত হয়েছে। এদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।
ডেস্ক রিপোর্ট 




















