সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা, টানা ৪ দিনের ছুটিতে দেশ Logo ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের Logo ৮ ইউএনওকে বদলির আদেশ বাতিল Logo সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জাতিসংঘের ঐতিহাসিক চুক্তি কার্যকর, স্বাগত জানালো চীন Logo মাঘে শীত কেন কম লাগছে? যা বলছে আবহাওয়া অধিদপ্তর Logo বদ্বীপে নতুন বিপদ: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির চেয়েও দ্রুত নামছে মাটির স্তর Logo বিশ্বকাপ খেলতে হলে বাংলাদেশকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজি হতে হবে! Logo নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু: মানতে হবে ইসির আচরণবিধি Logo প্রকৃতি ও জীবনের ৪০০ তম পর্ব ‘চর ও জীবন’ Logo ভারতে যদি বাংলাদেশ না খেলে তাহলে বিশ্বকাপে বিকল্প দল নেবে আইসিসি

পানি নিয়ে কয়েকটি সিদ্ধান্ত, চার জেলায় অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা

পানি নিয়ে কয়েকটি সিদ্ধান্ত, চার জেলায় অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা

জাতীয় পানি সম্পদ পরিষদের নির্বাহী কমিটির ১৮তম সভায় শিল্পখাতে পানি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে  “পানি ব্যবস্থাপনা নীতি ২০২৫” এর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ এবং চট্টগ্রাম জেলার কয়েকটি এলাকা অতি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষিত হয়েছে।

 

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে: “রোববার (২৪ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার ওয়ারপো ভবনের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় পানি সম্পদ পরিষদের নির্বাহী কমিটির ১৮তম সভায় জানানো হয়- বাংলাদেশ পানি আইন, ২০১৩ এর ধারা ১৭ ও ১৯ এর আলোকে বিস্তারিত জরিপ ও অনুসন্ধান শেষে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলের রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার মোট ২৫টি উপজেলার ২১৫টি ইউনিয়ন (৪,৯১১টি মৌজা)-এর মধ্যে ৪৭টি ইউনিয়ন (১,৫০৩টি মৌজা) কে অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

 

একইভাবে চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন (১০৪টি মৌজা) ও ১টি পৌরসভা (৮টি মৌজা)-এর মধ্যে ৩টি ইউনিয়ন (৭টি মৌজা) এবং ১টি পৌরসভা (৫টি মৌজা) কে অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এসব এলাকায় পানি আইন অনুযায়ী পানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা হবে এবং খাবার পানি, গৃহস্থালি কাজের জন্য প্রয়োজনীয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে একটি কমিটি আগামী এক মাসের মধ্যে করণীয় চূড়ান্ত করবে।

 

সভায় পানির প্রাপ্যতা যাচাই করতে নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচরে প্রয়োজনীয় সমীক্ষা চালানোর সুপারিশ করা হয়। একই সাথে চলমান ৫০ জেলায় ভূগর্ভস্থ পানির প্রাপ্যতা যাচাইয়ে যে কার্যক্রম চলমান রয়েছে তা বাকি ১৪ টি জেলাতে শুরু করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

 

এছাড়া, নির্বাহী কমিটির সভায় আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দুটি জলাভূমি—টাঙ্গুয়ার হাওর ও হাকালুকি হাওর এর জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পানি আইন, ২০১৩ এর ধারা ২২ ও ২৭ এর ক্ষমতাবলে প্রথমবারের মতো  ‘হাওর প্রতিবেশ সুরক্ষা আদেশ’ জারির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এই সুরক্ষা আদেশের অধীনে হাওর দুটি তে পর্যটন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি কৃষি, মৎস্য ও বনায়ন খাতে করনীয় নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

সভায় পানি আইন, ২০১৩ এর দুর্বল কার্যকারিতার উপর আলোকপাত করে আইনটির প্রয়োজনীয় সংশোধনের সিদ্ধান্ত ও গৃহীত হয়।

 

নির্বাহী কমিটির সভাপতি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। এছাড়াও, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ মোকাব্বির হোসেন সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও অন্যান্য সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।”

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা, টানা ৪ দিনের ছুটিতে দেশ

পানি নিয়ে কয়েকটি সিদ্ধান্ত, চার জেলায় অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা

আপডেট সময় ০৭:০০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

জাতীয় পানি সম্পদ পরিষদের নির্বাহী কমিটির ১৮তম সভায় শিল্পখাতে পানি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে  “পানি ব্যবস্থাপনা নীতি ২০২৫” এর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ এবং চট্টগ্রাম জেলার কয়েকটি এলাকা অতি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষিত হয়েছে।

 

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে: “রোববার (২৪ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার ওয়ারপো ভবনের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় পানি সম্পদ পরিষদের নির্বাহী কমিটির ১৮তম সভায় জানানো হয়- বাংলাদেশ পানি আইন, ২০১৩ এর ধারা ১৭ ও ১৯ এর আলোকে বিস্তারিত জরিপ ও অনুসন্ধান শেষে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলের রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার মোট ২৫টি উপজেলার ২১৫টি ইউনিয়ন (৪,৯১১টি মৌজা)-এর মধ্যে ৪৭টি ইউনিয়ন (১,৫০৩টি মৌজা) কে অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

 

একইভাবে চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন (১০৪টি মৌজা) ও ১টি পৌরসভা (৮টি মৌজা)-এর মধ্যে ৩টি ইউনিয়ন (৭টি মৌজা) এবং ১টি পৌরসভা (৫টি মৌজা) কে অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এসব এলাকায় পানি আইন অনুযায়ী পানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা হবে এবং খাবার পানি, গৃহস্থালি কাজের জন্য প্রয়োজনীয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে একটি কমিটি আগামী এক মাসের মধ্যে করণীয় চূড়ান্ত করবে।

 

সভায় পানির প্রাপ্যতা যাচাই করতে নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচরে প্রয়োজনীয় সমীক্ষা চালানোর সুপারিশ করা হয়। একই সাথে চলমান ৫০ জেলায় ভূগর্ভস্থ পানির প্রাপ্যতা যাচাইয়ে যে কার্যক্রম চলমান রয়েছে তা বাকি ১৪ টি জেলাতে শুরু করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

 

এছাড়া, নির্বাহী কমিটির সভায় আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দুটি জলাভূমি—টাঙ্গুয়ার হাওর ও হাকালুকি হাওর এর জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পানি আইন, ২০১৩ এর ধারা ২২ ও ২৭ এর ক্ষমতাবলে প্রথমবারের মতো  ‘হাওর প্রতিবেশ সুরক্ষা আদেশ’ জারির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এই সুরক্ষা আদেশের অধীনে হাওর দুটি তে পর্যটন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি কৃষি, মৎস্য ও বনায়ন খাতে করনীয় নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

সভায় পানি আইন, ২০১৩ এর দুর্বল কার্যকারিতার উপর আলোকপাত করে আইনটির প্রয়োজনীয় সংশোধনের সিদ্ধান্ত ও গৃহীত হয়।

 

নির্বাহী কমিটির সভাপতি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। এছাড়াও, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ মোকাব্বির হোসেন সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও অন্যান্য সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।”