সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা
আবুধাবিতে আইইউসিএন ওয়ার্ল্ড কনজারভেশন কংগ্রেসের চতুর্থ দিন

প্রকৃতি রক্ষায় প্রাণবৈচিত্র্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন মুকিত মজুমদার বাবু

প্রকৃতি রক্ষায় প্রাণবৈচিত্র্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন মুকিত মজুমদার বাবু

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বাসযোগ্য ধরিত্রী বিনির্মাণ ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে মৌমাছি ও প্রজাপতিসহ সকল প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণের বিকল্প নেই বলেছেন, প্রকৃতি বন্ধু বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকিত মজুমদার বাবু। আবুধাবিতে আইইউসিএন ওয়ার্ল্ড কনজারভেশন কংগ্রেসের চতুর্থ দিনে নীতি প্রণয়ন, কৃষি ও জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনায় সময়োপযোগী পদক্ষেপে জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

আবুধাবিতে আইইউসিএন বিশ্ব সংরক্ষণ কংগ্রেসের চতুর্থ দিনে হালনাগাদ ইউরোপিয়ান রেড লিস্টে উঠে আসে গত পাঁচ বছরে প্রায় ২০ শতাংশ প্রজাতির সংরক্ষণ অবস্থার অবনতির চিত্র। বিশ্লেষণ বলছে, ইউরোপের প্রায় ১৪ হাজার ৬শ’ ৬৯টি উদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে প্রায় ১৯ শতাংশ প্রজাতি রয়েছে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে।

বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য ও আইইউসিএন প্রসঙ্গে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু বলেন, ‘বিপন্ন জীববৈচিত্র্য নিয়ে আইইউসিএন বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও রেড লিস্ট তৈরির কাজ করছে। যেসব প্রজাতি হারিয়ে যাচ্ছে বা বিপন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে আছে, সেসব প্রজাতিকে যদি আমাদের প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যায় তাহলে পুরো পৃথিবীই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।     

 

পরিস্থিতি উন্নয়নে ২০৩০ সালের মধ্যে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে খাদ্যাভাস ও উৎপাদন ব্যবস্থায় পরিবর্তন জরুরি বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ভোগবাদী সংস্কৃতির বিপরীতে চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদনেই বিপন্ন সভ্যতা ও বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার সম্ভব বলছেন পরিবেশবাদীরা।

এবিষয়ে প্রকৃতিবন্ধু বলেন, ‘ আমরা যে কৃষিপণ্য উৎপাদন করছি সব কিছুই কি আমাদের জন্য ভালো কিনা, সব কিছুই কি আমাদের প্রয়োজন আছে কিনা সেটাও ভাবার সময় এসেছে, যা এই কংগ্রেসে আলোচিত হয়েছে। বিশেষ করে রেড মিটের কনজাম্পশন একটা বিশাল কনজাম্পশন, এই খাত থেকে বিপুল পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ হচ্ছে। আমাদের যে খাদ্যাভাস প্রকৃতি-জীববৈচিত্র্যের স্বার্থে এখানেও পরিবর্তন আনতে হবে। আমাদের মধ্যে এই কমনসেন্সটা থাকা উচিৎ যে, আমরা কী করলে কী পরিণতি হবে। মূল কথা হলো আমাদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা, জীবনকে সুশৃঙ্খলভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং সংরক্ষণ প্রচেষ্টাকে যদি শক্তিশালী করতে হয় তাহলে আমাদের জীবনধারার অনেক পরিবর্তন আনতে হবে।’  

 

এবারের কংগ্রেসে যোগ দিয়ে ভারত প্রথমবারের মতো নিজস্ব জাতীয় রেড লিস্ট প্রণয়নের ঘোষণা দিয়েছে। যার আওতায় ২০৩০ সালের মধ্যে ১১ হাজার প্রজাতির পরিস্থিতি হালনাগাদের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

 

 

 

প্রতিবেদক: মোশাহিদ রনি

তথ্য ও চিত্র: মেহেদী হাসান

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

আবুধাবিতে আইইউসিএন ওয়ার্ল্ড কনজারভেশন কংগ্রেসের চতুর্থ দিন

প্রকৃতি রক্ষায় প্রাণবৈচিত্র্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন মুকিত মজুমদার বাবু

আপডেট সময় ০৬:৫৯:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বাসযোগ্য ধরিত্রী বিনির্মাণ ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে মৌমাছি ও প্রজাপতিসহ সকল প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণের বিকল্প নেই বলেছেন, প্রকৃতি বন্ধু বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকিত মজুমদার বাবু। আবুধাবিতে আইইউসিএন ওয়ার্ল্ড কনজারভেশন কংগ্রেসের চতুর্থ দিনে নীতি প্রণয়ন, কৃষি ও জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনায় সময়োপযোগী পদক্ষেপে জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

আবুধাবিতে আইইউসিএন বিশ্ব সংরক্ষণ কংগ্রেসের চতুর্থ দিনে হালনাগাদ ইউরোপিয়ান রেড লিস্টে উঠে আসে গত পাঁচ বছরে প্রায় ২০ শতাংশ প্রজাতির সংরক্ষণ অবস্থার অবনতির চিত্র। বিশ্লেষণ বলছে, ইউরোপের প্রায় ১৪ হাজার ৬শ’ ৬৯টি উদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে প্রায় ১৯ শতাংশ প্রজাতি রয়েছে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে।

বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য ও আইইউসিএন প্রসঙ্গে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু বলেন, ‘বিপন্ন জীববৈচিত্র্য নিয়ে আইইউসিএন বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও রেড লিস্ট তৈরির কাজ করছে। যেসব প্রজাতি হারিয়ে যাচ্ছে বা বিপন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে আছে, সেসব প্রজাতিকে যদি আমাদের প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যায় তাহলে পুরো পৃথিবীই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।     

 

পরিস্থিতি উন্নয়নে ২০৩০ সালের মধ্যে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে খাদ্যাভাস ও উৎপাদন ব্যবস্থায় পরিবর্তন জরুরি বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ভোগবাদী সংস্কৃতির বিপরীতে চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদনেই বিপন্ন সভ্যতা ও বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার সম্ভব বলছেন পরিবেশবাদীরা।

এবিষয়ে প্রকৃতিবন্ধু বলেন, ‘ আমরা যে কৃষিপণ্য উৎপাদন করছি সব কিছুই কি আমাদের জন্য ভালো কিনা, সব কিছুই কি আমাদের প্রয়োজন আছে কিনা সেটাও ভাবার সময় এসেছে, যা এই কংগ্রেসে আলোচিত হয়েছে। বিশেষ করে রেড মিটের কনজাম্পশন একটা বিশাল কনজাম্পশন, এই খাত থেকে বিপুল পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ হচ্ছে। আমাদের যে খাদ্যাভাস প্রকৃতি-জীববৈচিত্র্যের স্বার্থে এখানেও পরিবর্তন আনতে হবে। আমাদের মধ্যে এই কমনসেন্সটা থাকা উচিৎ যে, আমরা কী করলে কী পরিণতি হবে। মূল কথা হলো আমাদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা, জীবনকে সুশৃঙ্খলভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং সংরক্ষণ প্রচেষ্টাকে যদি শক্তিশালী করতে হয় তাহলে আমাদের জীবনধারার অনেক পরিবর্তন আনতে হবে।’  

 

এবারের কংগ্রেসে যোগ দিয়ে ভারত প্রথমবারের মতো নিজস্ব জাতীয় রেড লিস্ট প্রণয়নের ঘোষণা দিয়েছে। যার আওতায় ২০৩০ সালের মধ্যে ১১ হাজার প্রজাতির পরিস্থিতি হালনাগাদের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

 

 

 

প্রতিবেদক: মোশাহিদ রনি

তথ্য ও চিত্র: মেহেদী হাসান