পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় দানা আরো ঘনীভূত হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে; ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার গতির বাতাসের শক্তি নিয়ে এ ঘূর্ণিবায়ুর চক্র এগিয়ে যাচ্ছে ভারতের ওড়িশা উপকূলের দিকে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, এই ঘূর্ণিঝড় স্থলভাগে আঘাত হানবে আজ (বৃহস্পতিবার) রাতে।
ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, শেষমুহূর্তে অভিমুখ না বদলালে দিঘা থেকে মোটামুটি ২০০ কিলোমিটার দূরে ল্যান্ডফল করবে ঘূর্ণিঝড় দানা। তবে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সকাল থেকেই দিঘায় সমুদ্র উত্তাল রয়েছে। রয়েছে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাসও। দিঘাসহ পূর্ব মেদিনীপুরে জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতা।
আশঙ্কা করা হচ্ছে, ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’র সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা যাবে ওড়িশার ওপর দিয়ে। সেই পরিস্থিতিতে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে তিন লাখ মানুষকে সরিয়ে নিয়েছে রাজ্য সরকার। ১৪টি জেলার মোট ১০ লাখ ৬০ হাজার ৩৩৬ মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

সকাল থেকেই পশ্চিমবঙ্গের প্রাণকেন্দ্র কলকাতার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন, হচ্ছে বৃষ্টিও। রাজ্যের সমুদ্র উপকূলবর্তী দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ অংশেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। ওই দুই জেলায় মাঝেমধ্যে ঝোড়ো হাওয়াও বইছে।
পশ্চিমবঙ্গ সরকার উপকূলে জারি করেছে উচ্চ সতর্কতা। চার লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১৫ ঘণ্টা কলকাতা বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ থাকবে। এছাড়া বাতিল করা হয়েছে ১৯০টি লোকাল ট্রেনের সূচি।
ডেস্ক রিপোর্ট 




















