সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাকার ফিশের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধে’ নেমেছে সেনাবাহিনী! Logo হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু Logo চলতি মাসে ২-৩ টি তীব্র কালবৈশাখী হতে পারে, রয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা Logo পদ্মা ব্যারেজ: ইলিশের ভাল-মন্দ Logo ২৭তম বিসিএসের বঞ্চিত আরও ৯৬ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন Logo ঈদযাত্রার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু Logo পরিবেশ দূষণকারীদের ‘মানুষরূপী চতুষ্পদ প্রাণী’ বললেন গাজীপুরের ডিসি   Logo লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় সরকারের নিন্দা Logo শতবর্ষে প্রকৃতির কণ্ঠস্বর: স্যার ডেভিড অ্যাটেনবরো, জীববৈচিত্র্য ও জলবায়ুর এক অনন্য যোদ্ধা Logo মিরপুর টেস্টে পাকিস্তানকে বিধ্বস্ত করেছে বাংলাদেশ

প্রশাসনের অভিযান: প্রায় ২০ মণের সেই দানবীয় খটক মাছ উদ্ধার, পুঁতে ফেলা হলো মাটিতে

প্রশাসনের অভিযান: প্রায় ২০ মণের সেই দানবীয় খটক মাছ উদ্ধার, পুঁতে ফেলা হলো মাটিতে

ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় জেলেদের জালে বঙ্গোপসাগরের একটি বিশাল আকৃতির খটক বা করাতি মাছ ধরা পড়ায় বেশ চাঞ্চল্য চলছিল, শিকার ও বিক্রি নিষিদ্ধ মাছটি বিক্রিও হয়েছিল কয়েক লাখ টাকায়। তবে এসব খবর প্রকাশে অবশেষে প্রশাসনের টনক নড়ে। পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় অভিযান চালিয়ে মাছটি জব্দ করে মাটি চাপা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ।

গতকাল বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে মঠবাড়িয়া মাছ বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

সকালে বাজারে মাছটি কেটে প্রতি কেজি ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছিল। এর আগে ইঞ্জিনচালিত ভ্যানে করে শহরের বিভিন্ন স্থানে মাছটি প্রদর্শন ও মাইকিং করা হলে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়। শত শত মানুষ মাছটি দেখতে ও কিনতে বাজারে ভিড় করেন।

‎বিলুপ্তপ্রায় খটক মাছটি বিক্রির খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে মাছটি জব্দ করে। পরে জনস্বার্থে মাছটির ওপর হারপিক ঢেলে নষ্ট করে মাটি চাপা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে পরীক্ষার জন্য কিছু নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। অভিযানের সময় মাছ বিক্রেতারা পালিয়ে যান।

‎বাগেরহাট বন বিভাগের কর্মকর্তা শাহীন হোসেন জানান, জব্দ করা মাছটি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে এবং নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

‎মঠবাড়িয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথ বলেন, বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী বিক্রির খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অভিযান চালানো হয়। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী আকলিমা আক্তার বলেন, ‘বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ী খটক মাছটি বিক্রি নিষিদ্ধ থাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরবর্তীতে মাছটি  হারপিক ছিটিয়ে মাটি গর্ত করে চাপা দেয়া হয়। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান ইউএনও।

এ বিষয়ে পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেন, মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ফেসবুকে দেখেই আমি মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি দেখার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলাম। বিলুপ্তপ্রায় খটক মাছ ধরা ও বিক্রি আইনত নিষিদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন জেলা পিরোজপুর জেলা জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ।

‎উল্লেখ্য, গত ৩১ মার্চ বঙ্গোপসাগর উপকূলে ধরা পড়া প্রায় ২০ মণ ওজনের এই খটক মাছটি প্রথমে কাঁঠালিয়ার আমুয়া মৎস্য বন্দরে আনা হয়। পরে বিভিন্ন হাত ঘুরে মঠবাড়িয়ায় এনে প্রায় ৫ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয় এবং বেশি দামে খুচরা বিক্রির জন্য বাজারে তোলা হয়েছিল।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

সাকার ফিশের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধে’ নেমেছে সেনাবাহিনী!

প্রশাসনের অভিযান: প্রায় ২০ মণের সেই দানবীয় খটক মাছ উদ্ধার, পুঁতে ফেলা হলো মাটিতে

আপডেট সময় ০৫:২২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় জেলেদের জালে বঙ্গোপসাগরের একটি বিশাল আকৃতির খটক বা করাতি মাছ ধরা পড়ায় বেশ চাঞ্চল্য চলছিল, শিকার ও বিক্রি নিষিদ্ধ মাছটি বিক্রিও হয়েছিল কয়েক লাখ টাকায়। তবে এসব খবর প্রকাশে অবশেষে প্রশাসনের টনক নড়ে। পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় অভিযান চালিয়ে মাছটি জব্দ করে মাটি চাপা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ।

গতকাল বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে মঠবাড়িয়া মাছ বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

সকালে বাজারে মাছটি কেটে প্রতি কেজি ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছিল। এর আগে ইঞ্জিনচালিত ভ্যানে করে শহরের বিভিন্ন স্থানে মাছটি প্রদর্শন ও মাইকিং করা হলে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়। শত শত মানুষ মাছটি দেখতে ও কিনতে বাজারে ভিড় করেন।

‎বিলুপ্তপ্রায় খটক মাছটি বিক্রির খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে মাছটি জব্দ করে। পরে জনস্বার্থে মাছটির ওপর হারপিক ঢেলে নষ্ট করে মাটি চাপা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে পরীক্ষার জন্য কিছু নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। অভিযানের সময় মাছ বিক্রেতারা পালিয়ে যান।

‎বাগেরহাট বন বিভাগের কর্মকর্তা শাহীন হোসেন জানান, জব্দ করা মাছটি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে এবং নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

‎মঠবাড়িয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথ বলেন, বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী বিক্রির খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অভিযান চালানো হয়। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী আকলিমা আক্তার বলেন, ‘বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ী খটক মাছটি বিক্রি নিষিদ্ধ থাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরবর্তীতে মাছটি  হারপিক ছিটিয়ে মাটি গর্ত করে চাপা দেয়া হয়। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান ইউএনও।

এ বিষয়ে পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেন, মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ফেসবুকে দেখেই আমি মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি দেখার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলাম। বিলুপ্তপ্রায় খটক মাছ ধরা ও বিক্রি আইনত নিষিদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন জেলা পিরোজপুর জেলা জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ।

‎উল্লেখ্য, গত ৩১ মার্চ বঙ্গোপসাগর উপকূলে ধরা পড়া প্রায় ২০ মণ ওজনের এই খটক মাছটি প্রথমে কাঁঠালিয়ার আমুয়া মৎস্য বন্দরে আনা হয়। পরে বিভিন্ন হাত ঘুরে মঠবাড়িয়ায় এনে প্রায় ৫ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয় এবং বেশি দামে খুচরা বিক্রির জন্য বাজারে তোলা হয়েছিল।