সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

প্রায় দ্বিগুণ বড় হচ্ছে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, যোগ হচ্ছে প্রাণী জাদুঘরও

প্রায় দ্বিগুণ বড় হচ্ছে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, যোগ হচ্ছে প্রাণী জাদুঘরও

১০ একরের চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় আরও ৮ একর যোগ হচ্ছে। তাতে চিড়িয়াখানাটির আয়তন দাঁড়াবে ১৮ একরে। পরিসর বড় হওয়ার পাশাপাশি প্রাণীর সংখ্যাও বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষা ও গবেষণামূলক কাজের জন্য প্রাণী জাদুঘর করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

 

এক প্রতিবেদনে বিডিনিউজ২৪ জানিয়েছে, চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর শাহাদাত হোসেন শুভ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, “আট একর এলাকায় আছে টিলা, জঙ্গল, জলাধার। সেসব ঠিক রেখে এলাকাটি সংস্কার করে চিড়িয়াখানার আয়তন বাড়ছে। এতে করে ঘুরে বেড়ানোর এলাকা বাড়ার সঙ্গে দর্শনার্থীরা মনোরম পরিবেশও উপভোগ করবে।”

 

তিনি বলেন, “নতুন যুক্ত করা এলাকা জুড়ে হবে ‘অ্যাভিয়ারি’। হাতি, জিরাফ ও চিতার খাঁচা হবে। প্রাকৃতিক পরিবেশে এসব প্রাণীর আবাসস্থল হবে। পাশাপাশি কিছু প্রাণীর খাঁচা সেখানে স্থানান্তর করে অন্য প্রাণীদের বাসস্থানের আয়তনও বাড়ানো হবে।”

১৯৮৯ সালে নগরীর ফয়’স লেক এলাকায় ছয় একর জমিতে নির্মিত হয় চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন এটি পরিচালনা করে। সরকারি অনুদান ছাড়া টিকেট বিক্রির নিজস্ব আয়ে প্রাণী সংগ্রহ, খাদ্য, কর্মচারীদের বেতনভাতাসহ বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়ে থাকে।

 

বলা হয়, এটাই দেশের একমাত্র ‘লাভজনক চিড়িয়াখানা’।

 

দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে এবং প্রাণী সংখ্যা ও বৈচিত্র্যের অপ্রতুলতার কারণে ‘শ্রীহীন হয়ে পড়েছিল’ চিড়িয়াখানাটি। ২০১৬ সালে এটি সংস্কার করে অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রাণীর সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

 

কয়েক দফায় বিভিন্ন সংষ্কার কাজের মাধ্যমে চিড়িয়াখানার আয়তন বাড়ানোর পাশাপাশি কাঠামোগত বেশকিছু পরিবর্তনও আনা হয়।

 

এবার নতুন করে আট একর জায়গায় জুড়ে সংস্কার, নতুন প্রাণী আনাসহ কয়েক কোটি টাকার কাজ হবে, যার সম্পূর্ণ অর্থায়ন চিড়িয়াখানার নিজস্ব তহবিল থেকে করার কথা রয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

প্রায় দ্বিগুণ বড় হচ্ছে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, যোগ হচ্ছে প্রাণী জাদুঘরও

আপডেট সময় ১২:২৪:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

১০ একরের চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় আরও ৮ একর যোগ হচ্ছে। তাতে চিড়িয়াখানাটির আয়তন দাঁড়াবে ১৮ একরে। পরিসর বড় হওয়ার পাশাপাশি প্রাণীর সংখ্যাও বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষা ও গবেষণামূলক কাজের জন্য প্রাণী জাদুঘর করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

 

এক প্রতিবেদনে বিডিনিউজ২৪ জানিয়েছে, চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর শাহাদাত হোসেন শুভ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, “আট একর এলাকায় আছে টিলা, জঙ্গল, জলাধার। সেসব ঠিক রেখে এলাকাটি সংস্কার করে চিড়িয়াখানার আয়তন বাড়ছে। এতে করে ঘুরে বেড়ানোর এলাকা বাড়ার সঙ্গে দর্শনার্থীরা মনোরম পরিবেশও উপভোগ করবে।”

 

তিনি বলেন, “নতুন যুক্ত করা এলাকা জুড়ে হবে ‘অ্যাভিয়ারি’। হাতি, জিরাফ ও চিতার খাঁচা হবে। প্রাকৃতিক পরিবেশে এসব প্রাণীর আবাসস্থল হবে। পাশাপাশি কিছু প্রাণীর খাঁচা সেখানে স্থানান্তর করে অন্য প্রাণীদের বাসস্থানের আয়তনও বাড়ানো হবে।”

১৯৮৯ সালে নগরীর ফয়’স লেক এলাকায় ছয় একর জমিতে নির্মিত হয় চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন এটি পরিচালনা করে। সরকারি অনুদান ছাড়া টিকেট বিক্রির নিজস্ব আয়ে প্রাণী সংগ্রহ, খাদ্য, কর্মচারীদের বেতনভাতাসহ বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়ে থাকে।

 

বলা হয়, এটাই দেশের একমাত্র ‘লাভজনক চিড়িয়াখানা’।

 

দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে এবং প্রাণী সংখ্যা ও বৈচিত্র্যের অপ্রতুলতার কারণে ‘শ্রীহীন হয়ে পড়েছিল’ চিড়িয়াখানাটি। ২০১৬ সালে এটি সংস্কার করে অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রাণীর সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

 

কয়েক দফায় বিভিন্ন সংষ্কার কাজের মাধ্যমে চিড়িয়াখানার আয়তন বাড়ানোর পাশাপাশি কাঠামোগত বেশকিছু পরিবর্তনও আনা হয়।

 

এবার নতুন করে আট একর জায়গায় জুড়ে সংস্কার, নতুন প্রাণী আনাসহ কয়েক কোটি টাকার কাজ হবে, যার সম্পূর্ণ অর্থায়ন চিড়িয়াখানার নিজস্ব তহবিল থেকে করার কথা রয়েছে।