সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

বর্ণিল প্রজাপতি মেলায় রাঙা জাবির আঙিনা (ছবিগল্প)

  • নাসিমুল শুভ
  • আপডেট সময় ০৭:০৮:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 408

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ আঙিনায় শুক্রবার (৫ডিসেম্বর) যেন রঙের ঢল নেমেছিল। এদিন এখানেই বসেছিল প্রজাপতি মেলার ১৫ তম আসর। একদিকে বর্ণিল প্রজাপতি অন্যদিকে প্রজাপতিদের দেখতে ও জানতে রঙিন পোশাকে হাজির শিশু থেকে বৃদ্ধ শত শত মানুষ। রঙ ভালোবাসা মানুষের এই ঢল যাচ্ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে শুরু করে জহির রায়হান মিলনায়তনের দিকে।

শাড়ি-পাঞ্জাবিতে দলে দলে মেলায় তরুণ-তরুণীরা। গালে অনেকেই আঁকিয়ে নিচ্ছিলেন রঙিন ডানার প্রজাপতি। এই মেলায় গালে প্রজাপতি আঁকানোটা গত কয়েকবছরে রীতিমতো ট্রেন্ড বলা যায়।

এদিকে ঝলমলে রঙের পোশাকে বাবা-মায়ের হাত আঁকড়ে, কেউবা কোলে চড়ে প্রজাপতি দেখতে আসা কচিকাঁচাদের ভিড় ছিল দারুণ প্রাণবন্ত।

কেউ কেউতো এসেছিল নিজেই প্রজাপতির ডানাওয়ালা লাল-বেগুনী জামা গায়ে।

মেলার দর্শনার্থীদের সবার নজর জালে ঘেরা একটি বাগানের দিকে। বাগানে শীতকালীন ফুল, সেখানে ফলও রাখা আছে, এটাই মেলার মূল আকর্ষণ প্রজাপতিঘর। এখানেই উড়ছে রঙিন পাখার প্রজাপতিরা।

‘প্রজাপতিটা যখন তখন, উড়ে উড়ে ঘুরে ঘুরে রাঙা মেঘের মতন’ এবং ‘প্রজাপতি প্রজাপতি কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা’ এই দুই গানের আবেশে মেলায় স্টলগুলো ঘুরে দেখেন দর্শনার্থীরা।

বরাবরের মতোই এবারও মেলায় ছিল প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের স্টল। ফাউন্ডেশনের স্টলে কৌতুহলী দর্শনার্থীদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

অনেকেই আগ্রহ নিয়ে প্রকৃতি ও জীবনের টিশার্ট,পোলো শার্ট, গামছা, ক্যাপ সংগ্রহ করেন। বই সংগ্রহেরও হিড়িক পড়ে গিয়েছিল।এই স্টলে শিশু পাঠকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু ছিল প্রজাপতি নিয়ে অ্যানিমেটেড গল্পের বই ‘বর্ণিল প্রজাপতি’।

মেলা উপলক্ষ্যে বিশেষ ছাড়ে ফাউন্ডেশনের দুই বেস্টসেলার বই বর্ণিল প্রজাপতি, পেঁচা পাচালী কেনার ধুম পড়েছিল আজ।

না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন যে স্মার্টফোনের স্ক্রিনে কার্টুন দেখার এই সময়েও শিশুরা কী প্রবল আগ্রহে প্রজাপতি দেখতে এসেছে, স্টলগুলো ঘুরে ঘুরে দেখছে, বইয়ের পাতা উল্টাচ্ছে, কিনছে।

মেলায় আসা শিশুদের জন্য আরেক আকর্ষণ ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠা করা কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের স্টল।

কাকতাড়ুয়ার পরিবেশনায় প্রজাপতি সংরক্ষণের ওপর একটি পুতুল নাটকও শিশু দর্শনার্থীরা বেশ উপভোগ করে।

মেলার অংশ হিসেবে জহির রায়হান মিলনায়তনের পাশেই দিনব্যাপী চলে প্রজাপতি নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী। সেখানেও আগ্রহী অনেককেই দেখা যায় ছবি তোলায় ব্যস্ত।

সব মিলিয়ে প্রজাপতি মেলাটা ছিল জাবি ক্যাম্পাসে একটুকরো রাঙা মেঘের মতোন।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

বর্ণিল প্রজাপতি মেলায় রাঙা জাবির আঙিনা (ছবিগল্প)

আপডেট সময় ০৭:০৮:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ আঙিনায় শুক্রবার (৫ডিসেম্বর) যেন রঙের ঢল নেমেছিল। এদিন এখানেই বসেছিল প্রজাপতি মেলার ১৫ তম আসর। একদিকে বর্ণিল প্রজাপতি অন্যদিকে প্রজাপতিদের দেখতে ও জানতে রঙিন পোশাকে হাজির শিশু থেকে বৃদ্ধ শত শত মানুষ। রঙ ভালোবাসা মানুষের এই ঢল যাচ্ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে শুরু করে জহির রায়হান মিলনায়তনের দিকে।

শাড়ি-পাঞ্জাবিতে দলে দলে মেলায় তরুণ-তরুণীরা। গালে অনেকেই আঁকিয়ে নিচ্ছিলেন রঙিন ডানার প্রজাপতি। এই মেলায় গালে প্রজাপতি আঁকানোটা গত কয়েকবছরে রীতিমতো ট্রেন্ড বলা যায়।

এদিকে ঝলমলে রঙের পোশাকে বাবা-মায়ের হাত আঁকড়ে, কেউবা কোলে চড়ে প্রজাপতি দেখতে আসা কচিকাঁচাদের ভিড় ছিল দারুণ প্রাণবন্ত।

কেউ কেউতো এসেছিল নিজেই প্রজাপতির ডানাওয়ালা লাল-বেগুনী জামা গায়ে।

মেলার দর্শনার্থীদের সবার নজর জালে ঘেরা একটি বাগানের দিকে। বাগানে শীতকালীন ফুল, সেখানে ফলও রাখা আছে, এটাই মেলার মূল আকর্ষণ প্রজাপতিঘর। এখানেই উড়ছে রঙিন পাখার প্রজাপতিরা।

‘প্রজাপতিটা যখন তখন, উড়ে উড়ে ঘুরে ঘুরে রাঙা মেঘের মতন’ এবং ‘প্রজাপতি প্রজাপতি কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা’ এই দুই গানের আবেশে মেলায় স্টলগুলো ঘুরে দেখেন দর্শনার্থীরা।

বরাবরের মতোই এবারও মেলায় ছিল প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের স্টল। ফাউন্ডেশনের স্টলে কৌতুহলী দর্শনার্থীদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

অনেকেই আগ্রহ নিয়ে প্রকৃতি ও জীবনের টিশার্ট,পোলো শার্ট, গামছা, ক্যাপ সংগ্রহ করেন। বই সংগ্রহেরও হিড়িক পড়ে গিয়েছিল।এই স্টলে শিশু পাঠকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু ছিল প্রজাপতি নিয়ে অ্যানিমেটেড গল্পের বই ‘বর্ণিল প্রজাপতি’।

মেলা উপলক্ষ্যে বিশেষ ছাড়ে ফাউন্ডেশনের দুই বেস্টসেলার বই বর্ণিল প্রজাপতি, পেঁচা পাচালী কেনার ধুম পড়েছিল আজ।

না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন যে স্মার্টফোনের স্ক্রিনে কার্টুন দেখার এই সময়েও শিশুরা কী প্রবল আগ্রহে প্রজাপতি দেখতে এসেছে, স্টলগুলো ঘুরে ঘুরে দেখছে, বইয়ের পাতা উল্টাচ্ছে, কিনছে।

মেলায় আসা শিশুদের জন্য আরেক আকর্ষণ ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠা করা কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের স্টল।

কাকতাড়ুয়ার পরিবেশনায় প্রজাপতি সংরক্ষণের ওপর একটি পুতুল নাটকও শিশু দর্শনার্থীরা বেশ উপভোগ করে।

মেলার অংশ হিসেবে জহির রায়হান মিলনায়তনের পাশেই দিনব্যাপী চলে প্রজাপতি নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী। সেখানেও আগ্রহী অনেককেই দেখা যায় ছবি তোলায় ব্যস্ত।

সব মিলিয়ে প্রজাপতি মেলাটা ছিল জাবি ক্যাম্পাসে একটুকরো রাঙা মেঘের মতোন।