আজ ২৪ অক্টোবর, সারা বিশ্বে জলজ বাস্তুসংস্থানের সুস্থতার সূচক স্বাদুপানির ডলফিন সংরক্ষণে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মিঠাপানির ডলফিন দিবস। দিনটিতে বাংলাদেশে গাঙ্গেয় ডলফিনের সমীক্ষা ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এই সমীক্ষায় প্রায় ৬৩৬টি দল বা ১ হাজার ৩৫২টি গাঙ্গেয় বা নদীর ডলফিনের উপস্থিতি নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশের প্রাণবৈচিত্রের অমূল্য সম্পদ গাঙ্গেয় ডলফিনের সর্বশেষ এই তথ্য প্রকাশ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
আজ বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ের বন ভবনে ‘নদীর প্রাণ ডলফিন-শুশুক, নিরাপদে বেঁচে থাকুক’ প্রতিপাদ্যে আন্তর্জাতিক মিঠাপানির ডলফিন দিবস ২০২৪ উপলক্ষে সমীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করেন তিনি। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে সাইটিস ডিজিটাল সার্টিফিকেশন ওয়েবসাইট উদ্বোধন করেন উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ‘দেশের নদী ও জলাশয়ে মিঠাপানির ডলফিনের উপস্থিতি আমাদের পরিবেশের স্বাস্থ্য নির্দেশ করে। ডলফিন টিকিয়ে রাখতে নদী ও জলাশয়ের দূষণ রোধ এবং পানির প্রবাহ ঠিক রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও সরকারের পদক্ষেপগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। ডলফিন রক্ষায় স্থানীয় জনগণকেও সম্পৃক্ত করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে স্বভাববশতই রিজওয়ানা প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষায় নেয়া উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে জোর দেন। তিনি বলেন, ‘বন রক্ষায় বন কর্মকর্তাদের সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কাজের গতি বাড়াতে হবে এবং যেকোনো সমস্যা হলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানাতে হবে। বন কর্মকর্তাদের সহায়তার জন্য তার দরজা সবসময় খোলা থাকবে।’
তিনি এসময় ঝুঁকি ভাতা দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হবে জানান। উপদেষ্টা বলেন, দেশীয় প্রজাতির গাছ লাগানো বন বিভাগের প্রধান দায়িত্ব। গাছ কাটার বিরুদ্ধে যথাসময়ে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বনরক্ষীদের প্রতি আহ্বান জানান পরিবেশ উপদেষ্টা।

বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জিলুর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. মনিরুল এইচ. খান, উপপ্রধান বন সংরক্ষক ও সুফলের প্রকল্প পরিচালক গোবিন্দ রায়, বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।
ডেস্ক রিপোর্ট 




















