সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ভিডিও বার্তা Logo বৈধ অস্ত্র ৩১ জানুয়ারির মধ্যে থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ Logo সিলেটে ট্রেনের ধাক্কায় মেরুদণ্ডে আঘাত পাওয়া হাতির অবস্থা আশঙ্কাজনক Logo সড়কজুড়ে অবৈধ বালুর ব্যবসা, হুমকির মুখে পরিবেশ Logo শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী আজ Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo যে উপায়ে কাপড়ের কঠিন দাগ সহজে দূর করা যায় Logo ইরানে বিক্ষোভ-সহিংসতায় নিহত বেড়ে ৫ হাজার, ইসরায়েল-আমেরিকাকে দায়ী করলেন খামেনি Logo প্লাস্টিক বর্জ্য পুড়িয়ে ধান সেদ্ধ! বাতাসে, খাদ্যে, ফসলে বিষ Logo জুলাই যোদ্ধাদের জন্য মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে পৃথক বিভাগ করার প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের

বিডব্লিউওটি’র দাবি: ২৮ ডিসেম্বর থেকে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ আসছে

বিডব্লিউওটি’র দাবি: ২৮ ডিসেম্বর থেকে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ আসছে

পৌষের প্রথম থেকেই দেশজুড়ে শীতের মাত্রা বেড়েছে। উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে জেঁকে বসেছে শীত। এমনকি রাজধানী ঢাকাতেও মোটামুটি ভালোই শীত অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়া বিষয়ক বেসরকারি সংঘ বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) দাবি করেছে, আগামী ২৮ ডিসেম্বর থেকে দেশে একটি মৃদু থেকে মাঝারি মানের শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে ৩১ ডিসেম্বর থেকে ৬ জানুয়ারির মধ্যে এই শৈত্যপ্রবাহ তীব্র রূপ নিতে পারে।

 

আজ (২৩ ডিসেম্বর) মঙ্গলবার বিডব্লিউওটি জানায়, বর্তমানে দেশের অনেক জায়গায় যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে, তাকে সরাসরি শৈত্যপ্রবাহ না বলে ‘কুয়াশাবেল্ট প্রবাহ’ হিসেবে চিহ্নিত করছে বিডব্লিউওটি। এই অবস্থায় ঘন কুয়াশার কারণে সূর্যের আলো দেখা যায় না বললেই চলে। তবে আসন্ন শৈত্যপ্রবাহের বৈশিষ্ট্য কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। এতে রাতে তাপমাত্রা অনেকটা কমে গেলেও দিনের বেলা রোদের দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

​পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই শৈত্যপ্রবাহ চলাকালীন দেশের বেশ কিছু এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যেতে পারে। এছাড়া অনেক এলাকায় তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকবে। শৈত্যপ্রবাহ ​শুরুর সম্ভাবনা ২৮ ডিসেম্বর। এর ​মূল সময়কাল ৩১ ডিসেম্বর থেকে ৬ জানুয়ারি। ​শৈত্যপ্রবাহের প্রকোপ দেশের সব জায়গায় সমান হবে না।

 

ভৌগোলিক কারণে কিছু এলাকা বেশি আক্রান্ত হবে। শৈত্যপ্রবাহের অধিক আক্রান্ত বিভাগ হবে- রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগ। ​কম আক্রান্ত এলাকা- ময়মনসিংহ, সিলেট ও ঢাকা বিভাগ। দেশের সমগ্র উপকূলীয় অঞ্চল এই শৈত্যপ্রবাহের আওতামুক্ত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ​আশ্চর্যের বিষয় হলো, ঢাকা শহরের মূল এলাকায় সরাসরি শৈত্যপ্রবাহ আসার সম্ভাবনা কম।

 

বিভিন্ন শহরের অবকাঠামোগত কারণ ও তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে ঢাকা শহরে শীতের অনুভূতি বাড়লেও তা শৈত্যপ্রবাহের পর্যায়ে নাও পৌঁছাতে পারে বলে জানিয়েছে বিডব্লিউওটি।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ভিডিও বার্তা

বিডব্লিউওটি’র দাবি: ২৮ ডিসেম্বর থেকে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ আসছে

আপডেট সময় ১২:১৫:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

পৌষের প্রথম থেকেই দেশজুড়ে শীতের মাত্রা বেড়েছে। উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে জেঁকে বসেছে শীত। এমনকি রাজধানী ঢাকাতেও মোটামুটি ভালোই শীত অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়া বিষয়ক বেসরকারি সংঘ বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) দাবি করেছে, আগামী ২৮ ডিসেম্বর থেকে দেশে একটি মৃদু থেকে মাঝারি মানের শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে ৩১ ডিসেম্বর থেকে ৬ জানুয়ারির মধ্যে এই শৈত্যপ্রবাহ তীব্র রূপ নিতে পারে।

 

আজ (২৩ ডিসেম্বর) মঙ্গলবার বিডব্লিউওটি জানায়, বর্তমানে দেশের অনেক জায়গায় যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে, তাকে সরাসরি শৈত্যপ্রবাহ না বলে ‘কুয়াশাবেল্ট প্রবাহ’ হিসেবে চিহ্নিত করছে বিডব্লিউওটি। এই অবস্থায় ঘন কুয়াশার কারণে সূর্যের আলো দেখা যায় না বললেই চলে। তবে আসন্ন শৈত্যপ্রবাহের বৈশিষ্ট্য কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। এতে রাতে তাপমাত্রা অনেকটা কমে গেলেও দিনের বেলা রোদের দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

​পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই শৈত্যপ্রবাহ চলাকালীন দেশের বেশ কিছু এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যেতে পারে। এছাড়া অনেক এলাকায় তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকবে। শৈত্যপ্রবাহ ​শুরুর সম্ভাবনা ২৮ ডিসেম্বর। এর ​মূল সময়কাল ৩১ ডিসেম্বর থেকে ৬ জানুয়ারি। ​শৈত্যপ্রবাহের প্রকোপ দেশের সব জায়গায় সমান হবে না।

 

ভৌগোলিক কারণে কিছু এলাকা বেশি আক্রান্ত হবে। শৈত্যপ্রবাহের অধিক আক্রান্ত বিভাগ হবে- রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগ। ​কম আক্রান্ত এলাকা- ময়মনসিংহ, সিলেট ও ঢাকা বিভাগ। দেশের সমগ্র উপকূলীয় অঞ্চল এই শৈত্যপ্রবাহের আওতামুক্ত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ​আশ্চর্যের বিষয় হলো, ঢাকা শহরের মূল এলাকায় সরাসরি শৈত্যপ্রবাহ আসার সম্ভাবনা কম।

 

বিভিন্ন শহরের অবকাঠামোগত কারণ ও তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে ঢাকা শহরে শীতের অনুভূতি বাড়লেও তা শৈত্যপ্রবাহের পর্যায়ে নাও পৌঁছাতে পারে বলে জানিয়েছে বিডব্লিউওটি।