সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা, টানা ৪ দিনের ছুটিতে দেশ Logo ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের Logo ৮ ইউএনওকে বদলির আদেশ বাতিল Logo সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জাতিসংঘের ঐতিহাসিক চুক্তি কার্যকর, স্বাগত জানালো চীন Logo মাঘে শীত কেন কম লাগছে? যা বলছে আবহাওয়া অধিদপ্তর Logo বদ্বীপে নতুন বিপদ: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির চেয়েও দ্রুত নামছে মাটির স্তর Logo বিশ্বকাপ খেলতে হলে বাংলাদেশকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজি হতে হবে! Logo নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু: মানতে হবে ইসির আচরণবিধি Logo প্রকৃতি ও জীবনের ৪০০ তম পর্ব ‘চর ও জীবন’ Logo ভারতে যদি বাংলাদেশ না খেলে তাহলে বিশ্বকাপে বিকল্প দল নেবে আইসিসি

বিয়েতে উকিল বাপের ভূমিকা সম্পর্কে ইসলাম কী বলে?

বিয়েতে উকিল বাপের ভূমিকা সম্পর্কে ইসলাম কী বলে?

ইসলামের শরিয়তের দৃষ্টিতে “উকিল বাপ” নামের কোনো ধারণা নেই। একটি মুসলিম মেয়ের বিয়েতে তার বাবা জীবিত থাকলে তিনিই স্বাভাবিকভাবে অভিভাবক। বাবার অনুপস্থিতিতে বা ইচ্ছা অনুযায়ী অন্য আত্মীয়কে অভিভাবক হিসেবে নির্ধারণ করা যেতে পারে। যা শরিয়তে সুস্পষ্টভাবে নির্দেশিত।

মেয়ের পক্ষ থেকে বিয়ের প্রস্তাব গ্রহণের জন্য যদি কোনো প্রতিনিধি নির্ধারণ করা হয়। তাকে শরিয়তে উকিল বলা হয়। এ উকিল কখনোই বাবা হতে পারেন না। উকিল হওয়ার অর্থ হলো প্রতিনিধি বা মুখপাত্র এবং এর মাধ্যমে কোনো নতুন আত্মীয় সম্পর্ক তৈরি হয় না।

বিশেষভাবে বলা হয়েছে, যদি মেয়ের গায়রে মাহরামদের মধ্যে কাউকে উকিল বানানো হয়, তাহলে সে আজীবন গায়রে মাহরাম থাকবেন। উকিল হওয়ার মাধ্যমে কোনো ধর্মীয় বিধান পরিবর্তিত হয় না এবং বিয়ে সম্পন্ন হলে তার প্রতিনিধিত্বের মেয়াদও শেষ হয়ে যায়।

শরিয়তের দিক থেকে মুসলিম নারীদের জন্য সামাজিকতা বা পরিচিতির ভিত্তিতে আজীবন কোনো উকিলের সঙ্গে দেখা করা হারাম। প্রয়োজন ছাড়া উকিল নির্ধারণের রেওয়াজও পরিত্যাগ করা উচিত।

 

 

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা, টানা ৪ দিনের ছুটিতে দেশ

বিয়েতে উকিল বাপের ভূমিকা সম্পর্কে ইসলাম কী বলে?

আপডেট সময় ০৩:৪৮:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ইসলামের শরিয়তের দৃষ্টিতে “উকিল বাপ” নামের কোনো ধারণা নেই। একটি মুসলিম মেয়ের বিয়েতে তার বাবা জীবিত থাকলে তিনিই স্বাভাবিকভাবে অভিভাবক। বাবার অনুপস্থিতিতে বা ইচ্ছা অনুযায়ী অন্য আত্মীয়কে অভিভাবক হিসেবে নির্ধারণ করা যেতে পারে। যা শরিয়তে সুস্পষ্টভাবে নির্দেশিত।

মেয়ের পক্ষ থেকে বিয়ের প্রস্তাব গ্রহণের জন্য যদি কোনো প্রতিনিধি নির্ধারণ করা হয়। তাকে শরিয়তে উকিল বলা হয়। এ উকিল কখনোই বাবা হতে পারেন না। উকিল হওয়ার অর্থ হলো প্রতিনিধি বা মুখপাত্র এবং এর মাধ্যমে কোনো নতুন আত্মীয় সম্পর্ক তৈরি হয় না।

বিশেষভাবে বলা হয়েছে, যদি মেয়ের গায়রে মাহরামদের মধ্যে কাউকে উকিল বানানো হয়, তাহলে সে আজীবন গায়রে মাহরাম থাকবেন। উকিল হওয়ার মাধ্যমে কোনো ধর্মীয় বিধান পরিবর্তিত হয় না এবং বিয়ে সম্পন্ন হলে তার প্রতিনিধিত্বের মেয়াদও শেষ হয়ে যায়।

শরিয়তের দিক থেকে মুসলিম নারীদের জন্য সামাজিকতা বা পরিচিতির ভিত্তিতে আজীবন কোনো উকিলের সঙ্গে দেখা করা হারাম। প্রয়োজন ছাড়া উকিল নির্ধারণের রেওয়াজও পরিত্যাগ করা উচিত।