সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

ভারতের কাছে পাত্তাই পেলো না পাকিস্তান

ভারতের কাছে পাত্তাই পেলো না পাকিস্তান

টসে জিতে ব্যাটিং নিয়েই যেন পরাজয়ের ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছিলেন সালমান আঘা। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজকের ম্যাচে প্রথম ইনিংসের পর কেউই হয়তো আর ভাবেননি ভারতকে হারাতে পারবে পাকিস্তান। হলোও তাই। ম্যান ইন গ্রিনদের দেওয়া ১২৮ রানের মামুলি লক্ষ্য ৪০ বল হাতে রেখেই হেসেখেলে দাপটের সঙ্গে ৮ উইকেটের জয় তুলে নিলো সূর্যকুমার যাদবের দল।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতের দুই ওপেনার মিলে দুর্দান্ত শুরুই করেছিলেন। তবে দলীয় ২২ রানেই আউট হন শুবমান গিল। আরেকপ্রান্তে ঝড়ের আভাস দিয়েছিলেন অভিষেক শর্মা।

তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি এই বাঁহাতি ব্যাটার। ১৩ বলে ৩১ রান করেই সাজঘরে ফেরেন তিনি। এরপরও অবশ্য পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি ভারতকে। তৃতীয় উইকেটে অধিনায়ক সূর্যকুমার ও তিলক ভার্মার জুটিতে জয়ের ভিত পেয়ে যায় ম্যান ইন ব্লুর।

৫৬ রান আসে এই জুটিতে। পরে তিলক ৩১ রানে আউট হলেও জয়ের জন্য বেগ পেতে হয়নি ভারতের। অধিনায়ক সূর্য অপারিজিত ৩২ রানের ইনিংস খেলে ২৫ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটের জয় তুলে নেন। তাতে টানা দুই জয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোর নিশ্চিত করল ভারত।

এর আগে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হয়ে ফেরেন সায়েম আইয়ুব। পরের ওভারেই মোহাম্মদ হারিসও সাজঘরে ফেরেন। দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান।

ওপেনার শাহেবজাদা ফারহান ও ফখর জামান চেষ্টা করেছিলেন দলকে টেনে তুলতে। তবে ৩৯ রানের জুটি গড়ার পর আবারও উইকেট হারাতে শুরু করে পাকিস্তান। এক পর্যায়ে মাত্র ১৯ রানের ব্যবধানে তারা ৪ উইকেট হারায়। ফখর জামান (১৫ বলে ১৭), অধিনায়ক আগা সালমান (১২ বলে ৩), হাসান নওয়াজ ও মোহাম্মদ নওয়াজ খুব একটা প্রতিরোধ গড়তে পারেননি।

সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন শাহেবজাদা ফারহান, তবে তিনি খেলেন ৪৪ বলে ধীরগতির ইনিংস। শেষ দিকে শাহিন শাহ আফ্রিদি কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করেন। ১৬ বলে ৪টি ছক্কার সাহায্যে করেন ঝড়ো ৩৩ রান। তাতেই ২০ ওভারে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৯ উইকেটে ১২৭।

ভারতের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন কুলদীপ যাদব। তিনি ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রান দিয়ে তুলে নেন ৩ উইকেট।

আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

ভারতের কাছে পাত্তাই পেলো না পাকিস্তান

আপডেট সময় ১১:৫৫:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

টসে জিতে ব্যাটিং নিয়েই যেন পরাজয়ের ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছিলেন সালমান আঘা। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজকের ম্যাচে প্রথম ইনিংসের পর কেউই হয়তো আর ভাবেননি ভারতকে হারাতে পারবে পাকিস্তান। হলোও তাই। ম্যান ইন গ্রিনদের দেওয়া ১২৮ রানের মামুলি লক্ষ্য ৪০ বল হাতে রেখেই হেসেখেলে দাপটের সঙ্গে ৮ উইকেটের জয় তুলে নিলো সূর্যকুমার যাদবের দল।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতের দুই ওপেনার মিলে দুর্দান্ত শুরুই করেছিলেন। তবে দলীয় ২২ রানেই আউট হন শুবমান গিল। আরেকপ্রান্তে ঝড়ের আভাস দিয়েছিলেন অভিষেক শর্মা।

তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি এই বাঁহাতি ব্যাটার। ১৩ বলে ৩১ রান করেই সাজঘরে ফেরেন তিনি। এরপরও অবশ্য পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি ভারতকে। তৃতীয় উইকেটে অধিনায়ক সূর্যকুমার ও তিলক ভার্মার জুটিতে জয়ের ভিত পেয়ে যায় ম্যান ইন ব্লুর।

৫৬ রান আসে এই জুটিতে। পরে তিলক ৩১ রানে আউট হলেও জয়ের জন্য বেগ পেতে হয়নি ভারতের। অধিনায়ক সূর্য অপারিজিত ৩২ রানের ইনিংস খেলে ২৫ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটের জয় তুলে নেন। তাতে টানা দুই জয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোর নিশ্চিত করল ভারত।

এর আগে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হয়ে ফেরেন সায়েম আইয়ুব। পরের ওভারেই মোহাম্মদ হারিসও সাজঘরে ফেরেন। দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান।

ওপেনার শাহেবজাদা ফারহান ও ফখর জামান চেষ্টা করেছিলেন দলকে টেনে তুলতে। তবে ৩৯ রানের জুটি গড়ার পর আবারও উইকেট হারাতে শুরু করে পাকিস্তান। এক পর্যায়ে মাত্র ১৯ রানের ব্যবধানে তারা ৪ উইকেট হারায়। ফখর জামান (১৫ বলে ১৭), অধিনায়ক আগা সালমান (১২ বলে ৩), হাসান নওয়াজ ও মোহাম্মদ নওয়াজ খুব একটা প্রতিরোধ গড়তে পারেননি।

সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন শাহেবজাদা ফারহান, তবে তিনি খেলেন ৪৪ বলে ধীরগতির ইনিংস। শেষ দিকে শাহিন শাহ আফ্রিদি কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করেন। ১৬ বলে ৪টি ছক্কার সাহায্যে করেন ঝড়ো ৩৩ রান। তাতেই ২০ ওভারে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৯ উইকেটে ১২৭।

ভারতের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন কুলদীপ যাদব। তিনি ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রান দিয়ে তুলে নেন ৩ উইকেট।