সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা, টানা ৪ দিনের ছুটিতে দেশ Logo ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের Logo ৮ ইউএনওকে বদলির আদেশ বাতিল Logo সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জাতিসংঘের ঐতিহাসিক চুক্তি কার্যকর, স্বাগত জানালো চীন Logo মাঘে শীত কেন কম লাগছে? যা বলছে আবহাওয়া অধিদপ্তর Logo বদ্বীপে নতুন বিপদ: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির চেয়েও দ্রুত নামছে মাটির স্তর Logo বিশ্বকাপ খেলতে হলে বাংলাদেশকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজি হতে হবে! Logo নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু: মানতে হবে ইসির আচরণবিধি Logo প্রকৃতি ও জীবনের ৪০০ তম পর্ব ‘চর ও জীবন’ Logo ভারতে যদি বাংলাদেশ না খেলে তাহলে বিশ্বকাপে বিকল্প দল নেবে আইসিসি

ভারতের কাছে পাত্তাই পেলো না পাকিস্তান

ভারতের কাছে পাত্তাই পেলো না পাকিস্তান

টসে জিতে ব্যাটিং নিয়েই যেন পরাজয়ের ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছিলেন সালমান আঘা। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজকের ম্যাচে প্রথম ইনিংসের পর কেউই হয়তো আর ভাবেননি ভারতকে হারাতে পারবে পাকিস্তান। হলোও তাই। ম্যান ইন গ্রিনদের দেওয়া ১২৮ রানের মামুলি লক্ষ্য ৪০ বল হাতে রেখেই হেসেখেলে দাপটের সঙ্গে ৮ উইকেটের জয় তুলে নিলো সূর্যকুমার যাদবের দল।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতের দুই ওপেনার মিলে দুর্দান্ত শুরুই করেছিলেন। তবে দলীয় ২২ রানেই আউট হন শুবমান গিল। আরেকপ্রান্তে ঝড়ের আভাস দিয়েছিলেন অভিষেক শর্মা।

তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি এই বাঁহাতি ব্যাটার। ১৩ বলে ৩১ রান করেই সাজঘরে ফেরেন তিনি। এরপরও অবশ্য পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি ভারতকে। তৃতীয় উইকেটে অধিনায়ক সূর্যকুমার ও তিলক ভার্মার জুটিতে জয়ের ভিত পেয়ে যায় ম্যান ইন ব্লুর।

৫৬ রান আসে এই জুটিতে। পরে তিলক ৩১ রানে আউট হলেও জয়ের জন্য বেগ পেতে হয়নি ভারতের। অধিনায়ক সূর্য অপারিজিত ৩২ রানের ইনিংস খেলে ২৫ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটের জয় তুলে নেন। তাতে টানা দুই জয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোর নিশ্চিত করল ভারত।

এর আগে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হয়ে ফেরেন সায়েম আইয়ুব। পরের ওভারেই মোহাম্মদ হারিসও সাজঘরে ফেরেন। দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান।

ওপেনার শাহেবজাদা ফারহান ও ফখর জামান চেষ্টা করেছিলেন দলকে টেনে তুলতে। তবে ৩৯ রানের জুটি গড়ার পর আবারও উইকেট হারাতে শুরু করে পাকিস্তান। এক পর্যায়ে মাত্র ১৯ রানের ব্যবধানে তারা ৪ উইকেট হারায়। ফখর জামান (১৫ বলে ১৭), অধিনায়ক আগা সালমান (১২ বলে ৩), হাসান নওয়াজ ও মোহাম্মদ নওয়াজ খুব একটা প্রতিরোধ গড়তে পারেননি।

সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন শাহেবজাদা ফারহান, তবে তিনি খেলেন ৪৪ বলে ধীরগতির ইনিংস। শেষ দিকে শাহিন শাহ আফ্রিদি কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করেন। ১৬ বলে ৪টি ছক্কার সাহায্যে করেন ঝড়ো ৩৩ রান। তাতেই ২০ ওভারে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৯ উইকেটে ১২৭।

ভারতের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন কুলদীপ যাদব। তিনি ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রান দিয়ে তুলে নেন ৩ উইকেট।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা, টানা ৪ দিনের ছুটিতে দেশ

ভারতের কাছে পাত্তাই পেলো না পাকিস্তান

আপডেট সময় ১১:৫৫:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

টসে জিতে ব্যাটিং নিয়েই যেন পরাজয়ের ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছিলেন সালমান আঘা। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজকের ম্যাচে প্রথম ইনিংসের পর কেউই হয়তো আর ভাবেননি ভারতকে হারাতে পারবে পাকিস্তান। হলোও তাই। ম্যান ইন গ্রিনদের দেওয়া ১২৮ রানের মামুলি লক্ষ্য ৪০ বল হাতে রেখেই হেসেখেলে দাপটের সঙ্গে ৮ উইকেটের জয় তুলে নিলো সূর্যকুমার যাদবের দল।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতের দুই ওপেনার মিলে দুর্দান্ত শুরুই করেছিলেন। তবে দলীয় ২২ রানেই আউট হন শুবমান গিল। আরেকপ্রান্তে ঝড়ের আভাস দিয়েছিলেন অভিষেক শর্মা।

তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি এই বাঁহাতি ব্যাটার। ১৩ বলে ৩১ রান করেই সাজঘরে ফেরেন তিনি। এরপরও অবশ্য পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি ভারতকে। তৃতীয় উইকেটে অধিনায়ক সূর্যকুমার ও তিলক ভার্মার জুটিতে জয়ের ভিত পেয়ে যায় ম্যান ইন ব্লুর।

৫৬ রান আসে এই জুটিতে। পরে তিলক ৩১ রানে আউট হলেও জয়ের জন্য বেগ পেতে হয়নি ভারতের। অধিনায়ক সূর্য অপারিজিত ৩২ রানের ইনিংস খেলে ২৫ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটের জয় তুলে নেন। তাতে টানা দুই জয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোর নিশ্চিত করল ভারত।

এর আগে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হয়ে ফেরেন সায়েম আইয়ুব। পরের ওভারেই মোহাম্মদ হারিসও সাজঘরে ফেরেন। দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান।

ওপেনার শাহেবজাদা ফারহান ও ফখর জামান চেষ্টা করেছিলেন দলকে টেনে তুলতে। তবে ৩৯ রানের জুটি গড়ার পর আবারও উইকেট হারাতে শুরু করে পাকিস্তান। এক পর্যায়ে মাত্র ১৯ রানের ব্যবধানে তারা ৪ উইকেট হারায়। ফখর জামান (১৫ বলে ১৭), অধিনায়ক আগা সালমান (১২ বলে ৩), হাসান নওয়াজ ও মোহাম্মদ নওয়াজ খুব একটা প্রতিরোধ গড়তে পারেননি।

সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন শাহেবজাদা ফারহান, তবে তিনি খেলেন ৪৪ বলে ধীরগতির ইনিংস। শেষ দিকে শাহিন শাহ আফ্রিদি কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করেন। ১৬ বলে ৪টি ছক্কার সাহায্যে করেন ঝড়ো ৩৩ রান। তাতেই ২০ ওভারে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৯ উইকেটে ১২৭।

ভারতের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন কুলদীপ যাদব। তিনি ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রান দিয়ে তুলে নেন ৩ উইকেট।