প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের ‘সবুজে সাজাই বাংলাদেশ’ শিরোনামে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের পর প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো মহাসম্মেলন ও পুরস্কার প্রদান।। পাশাপাশি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য বিষয়ক ভিডিওচিত্র প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।
আজ ৩ জানুয়ারি (শনিবার) রাজধানীর পান্থপথে পানি ভবন মিলনায়তনে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব গত বছর পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যবিষয়ক একটি ভিডিওচিত্র প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছিল। সেই ভিডিওচিত্র প্রতিযোগিতায় বিজয়ী সেরা ১০ জনকে আজকের অনুষ্ঠানে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

ভিডিওচিত্র প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন কুষ্টিয়া জেলার অনন্ত বিশ্বাস উৎস। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন রাজশাহী জেলার মোঃ ইমরুল কায়েস এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আতিকুর রহমান।

প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুরস্কার জেতা তিন বিজয়ীসহ বিশেষ পুরস্কার বিজয়ী সাত জনকে ডাকা হয় অনুষ্ঠান মঞ্চে। তাদের হাতে তুলে দেয়া হয় সনদপত্র, ক্রেস্ট ও প্রাইজমানি।

প্রথম স্থান অধিকারী অনন্ত বিশ্বাস উৎসের হাতে তুলে দেয়া হয় সনদপত্র, ক্রেস্ট ও ২৫,০০০ টাকা, স্থান অধিকারী ইমরুল কায়েসের হাতে তুলে দেয়া হয় সনদপত্র, ক্রেস্ট ও ২০,০০০ টাকা এবং স্থান অধিকারী আতিকুর রহমানের তুলে দেয়া হয় সনদপত্র, ক্রেস্ট ও ১৫,০০০ টাকা।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ পুরস্কার বিজয়ী সাত জনের প্রত্যেককে সনদপত্র, ক্রেস্ট ও ৫,০০০ টাকা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে ভিডিওচিত্র প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়। ভিডিওচিত্রের মাধ্যমে তারা তুলে ধরেছেন, শহর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কাজে নিয়োজিত মানুষদের নিরলস পরিশ্রমের কথা। প্রকৃতি পরিবেশ দূষণের ভয়াবহতা।পাশাপাশি প্রকৃতি পরিবেশের অপূর্ব সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে তাদের ভিডিও চিত্রে। বার্তা দিয়েছেন পরিবেশ সুরক্ষার। যার মাধ্যমে গড়ে উঠবে আগামীর সবুজ বাংলাদেশ।

পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য বিষয়ক ভিডিওচিত্র প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার তুল দেন প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জনাব মুকিত মজুমদার বাবু, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মনিরুল হাসান খান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।
বাংলাদেশের প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের বহুমুখী কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে ২০২২ সালের ৫ জুন গঠন করা হয় ‘প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব’। ইতোমধ্যে দেশের ৬৪টি জেলাসহ দেশের বাইরে একাধিক স্থানে প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের শাখা গঠন করা হয়েছে। এই ক্লাবের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের সাধারণ জনগণ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে পরিবেশ সংরক্ষণে উদ্বুদ্ধ করা এবং তৃণমূল পর্যায়ে গণসচেতনতা বৃদ্ধি করা।
জোবায়ের আহমেদ 


















