মিয়ানমারের জান্তা সরকার দেশটিতে জরুরি অবস্থা তুলে নিচ্ছে এবং আগামী ডিসেম্বরে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি জোরদার করছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ক্ষমতাসীন জান্তা দেশটিতে নির্বাচন আয়োজনের জন্য একটি ১১ সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। এর নেতৃত্বে থাকবেন সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নির্বাচনের আগেই জরুরি অবস্থা তুলে নেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে, তবে নির্বাচনের তারিখ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। মিন অং হ্লাইং বুধবার জানিয়েছেন, নির্বাচন আগামী ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে। এটি হবে ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর প্রথম জাতীয় নির্বাচন, যা দেশজুড়ে গৃহযুদ্ধ ও বিশৃঙ্খলার সূত্রপাত করেছিল।
অভ্যুত্থানের পর জরুরি অবস্থা ঘোষণার ফলে সামরিক প্রধান মিন অং হ্লাইং আইনসভা, নির্বাহী বিভাগ এবং বিচার বিভাগের উপর সর্বোচ্চ ক্ষমতা লাভ করেন – কিন্তু সম্প্রতি নির্বাচনকে ‘সংঘাত অবসানের একটি উপায়’ হিসেবে তুলে ধরেন তিনি
ইতোমধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে নিবন্ধন করা শুরু হয়েছে এবং ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের প্রশিক্ষণ সেশন ইতোমধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এমআরটিভি জানায়, মিন অং হ্লাইং অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্টের দায়িত্বেও থাকবেন এবং সেই ক্ষমতায় থেকেই তিনি নির্বাচন তদারকি করবেন। একইসঙ্গে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবেন।
সমালোচকরা বলছেন, এই ঘোষণার মাধ্যমে মূলত জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং-ই সব ক্ষমতা হাতে রেখেছেন এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
প্রকৃতিবার্তা ডেস্ক 




















