আজ ২৫ অক্টোবর প্রকৃতিবন্ধু বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকিত মজুমদার বাবুর জন্মদিন। প্রাণ প্রকৃতি, সবুজকে ভালবাসা চিরসবুজ মানুষটিকে শুভেচ্ছা জানাতে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন প্রাঙ্গনে শুক্রবার ছুটির দিনেও ছিল সহকর্মী-শুভানুধ্যায়ীদের ভিড়।

দৃষ্টিনন্দন ব্যাকড্রপে তৈরি মঞ্চে হাজির হন সবুজপ্রেমী মুকিত মজুমদার বাবু। একে একে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন এবং ইমপ্রেস গ্রুপের নানা অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান আগতরা।

নানা আকারের বর্ণিল ফুলের শোভা-সৌরভে ভরে ওঠে সাজানো দপ্তর।

এরপর মধ্যাহ্নভোজপর্ব। ভোজের পর মুকিত মজুমদার বাবুর জন্মদিনে আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা জানান অতিথি এবং সহকর্মীরা।

জন্মদিনের শুভেচ্ছাসিক্ত প্রকৃতিবন্ধু স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে বলেন,‘আমি যেন আরও কিছুদিন এই পৃথিবীতে ভাল করে কাজ করতে পারি সবার কাছে এই দোয়া চাই। আগামী দিনগুলোতেও যেন কাজ করার মতো শক্তি পাই। অনেক কিছু করতে চাই আমি, সেই কাজগুলো যেন শেষ করতে পারি। আমি বিশ্বাস করি মানুষের রিটায়ারমেন্ট বা অবসর হলো মৃত্যুর পর। যেদিন মারা যাবো সেদিন থেকে শুরু হবে রিটায়ারমেন্ট।’

মুকিত মজুমদার বাবু আরও বলেন, ‘আজকের মালয়েশিয়াকে গড়ে তোলা মাহাথির মোহাম্মদ একটা কথা বলেন, সেটা হলো ব্রেনকে সুস্থ এবং সক্রিয় রাখতে হবে। তাহলে দেহও কর্মক্ষম থাকবে। সেই আশাটাই করি এবং এই কথাই অনুসরণ করার চেষ্টা করি।’

তাঁর বক্তব্য শেষে কাটা হয় কেক, যেটিকে সাজানো হয়েছিল গ্রামবাংলার নির্মল প্রকৃতি ও জীবনের থিমে,ছিল প্রকৃতির প্রাণ নদী।

কেক কাটা শেষ হতেই শুরু হয় সহকর্মীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সাংস্কৃতিক পর্বের আয়োজনে ছিল প্রকৃতি ও জীবন মিউজিক ক্লাব।

কণ্ঠ-যন্ত্রের যুগপৎ ছন্দ-সুরে, সহকর্মীদের কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে সবাই মাতিয়ে তোলেন জন্মদিনের গানের আসর।

পাল্লা দিয়ে চলে গ্রুপ ছবি তোলার হিড়িক। প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের প্রায় সবাই এঁটে গিয়েছিলেন এক ফ্রেমের মধ্যে।

নাসিমুল শুভ 


















