যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামিক সেন্টারে গুলি, দুই হামলাকারীসহ নিহত ৫

যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামিক সেন্টারে গুলি, দুই হামলাকারীসহ নিহত ৫

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগোর একটি মসজিদ ও ইসলামিক স্কুল কমপ্লেক্সে বন্দুকধারীর গুলিতে তিনজন নিহত হয়েছেন। পরে দুই হামলাকারীও আত্মহত্যা করেছে।

স্থানীয় সময় সোমবার সকালে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। প্রতিবেদন বলছে, হামলাকালীরা কিশোর। এদের মধ্যে একজন বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন।

সান ডিয়েগো পুলিশ প্রধান স্কট ওয়াল জানান, নিহতদের মধ্যে ইসলামিক সেন্টারের নিরাপত্তাকর্মী ছিলেন, যিনি বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

ইসলামিক সেন্টারে হওয়ায় এই হামলাকে বিদ্বেষমূলক অপরাধ হিসেবেই বিবেচনা করছে পুলিশ। ঠিক কী কারণে হামলা হয়েছে তা জানতে তদন্ত চলছে।

সান ডিয়েগোর ঘটনাকে ভয়াবহ পরিস্থিতি অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মসজিদের ইমাম তাহা হাসান বলেন, “এটি এমন একটি স্থান যেখানে মুসলিম ও অমুসলিম সবাই একত্রিত হয়ে প্রার্থনা, শিক্ষা ও সামাজিক কার্যক্রমে অংশ নেন। উপাসনালয়ে হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয়।”

সান ডিয়েগোর মেয়র গ্লোরিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি সংহতি জানিয়ে বলেন, শহরের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ঘটনার পর নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগও শহরের বিভিন্ন মসজিদে নিরাপত্তা জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামবিদ্বেষী বক্তব্য ও উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে এ হামলা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। মার্কিন কংগ্রেস সদস্য সারা জ্যাকবস বলেছেন, “মানুষ যেন শান্তিপূর্ণভাবে প্রার্থনা ও শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি।”

ঘটনার তদন্তে সহায়তা করছে এফবিআই। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসমের-এর কার্যালয় জানিয়েছে, তারা স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামিক সেন্টারে গুলি, দুই হামলাকারীসহ নিহত ৫

আপডেট সময় ০৬:১০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগোর একটি মসজিদ ও ইসলামিক স্কুল কমপ্লেক্সে বন্দুকধারীর গুলিতে তিনজন নিহত হয়েছেন। পরে দুই হামলাকারীও আত্মহত্যা করেছে।

স্থানীয় সময় সোমবার সকালে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। প্রতিবেদন বলছে, হামলাকালীরা কিশোর। এদের মধ্যে একজন বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন।

সান ডিয়েগো পুলিশ প্রধান স্কট ওয়াল জানান, নিহতদের মধ্যে ইসলামিক সেন্টারের নিরাপত্তাকর্মী ছিলেন, যিনি বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

ইসলামিক সেন্টারে হওয়ায় এই হামলাকে বিদ্বেষমূলক অপরাধ হিসেবেই বিবেচনা করছে পুলিশ। ঠিক কী কারণে হামলা হয়েছে তা জানতে তদন্ত চলছে।

সান ডিয়েগোর ঘটনাকে ভয়াবহ পরিস্থিতি অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মসজিদের ইমাম তাহা হাসান বলেন, “এটি এমন একটি স্থান যেখানে মুসলিম ও অমুসলিম সবাই একত্রিত হয়ে প্রার্থনা, শিক্ষা ও সামাজিক কার্যক্রমে অংশ নেন। উপাসনালয়ে হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয়।”

সান ডিয়েগোর মেয়র গ্লোরিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি সংহতি জানিয়ে বলেন, শহরের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ঘটনার পর নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগও শহরের বিভিন্ন মসজিদে নিরাপত্তা জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামবিদ্বেষী বক্তব্য ও উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে এ হামলা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। মার্কিন কংগ্রেস সদস্য সারা জ্যাকবস বলেছেন, “মানুষ যেন শান্তিপূর্ণভাবে প্রার্থনা ও শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি।”

ঘটনার তদন্তে সহায়তা করছে এফবিআই। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসমের-এর কার্যালয় জানিয়েছে, তারা স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।