দেশ নাড়িয়ে দেয়া শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৪ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। ভূমিকম্পের সময় ঢাকার বংশালে একটি ভবনের রেলিং ভেঙে পড়ে তিন পথচারীর মৃত্যু হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের ভূমিকম্পের সময় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার একটি ভবনের দেয়াল ধসে দশ মাস বয়সী এক শিশু মারা গেছে।

রূপগঞ্জ থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, শুক্রবার সকালে উপজেলার গোলাকান্দাইল এলাকায় এ ঘটনায় শিশুটির মাসহ আরও দুজন আহত হয়েছেন।
এছাড়া ভূমিকম্পের ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরর হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের তিনতলা ও মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের চারতলা থেকে নিচে লাফ দিয়ে তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
শুক্রবার ছুটির দিনের সকালে শক্ত ঝাঁকুনিতে কেঁপে ওঠে ঘরবাড়ি, ঢাকাসহ সারা দেশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা রুবায়েত কবীর জানান, শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫.৭ ।
ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র ছিল ঢাকা থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে, ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে।
ভূমিকম্পের সময় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে লোকজন বাসা থেকে বের হয়ে আসে। ঝাঁকুনিতে অনেকের বাসায় শেলফ ও টেবিল থেকে জিনিসপত্র পড়ে যায়।

কম্পন থামার পর ঢাকার বাড্ডা, ধানমন্ডিসহ কয়েকটি এলাকায় ভবনে ফাঁটল ধরার এবং পলেস্তরা খসে পড়ার খবর এসেছে।
প্রকৃতিবার্তা ডেস্ক 




















