ঢাকায় যারা রাস্তায় হাঁটেন তারা পা ফেলুন দেখেশুনে, কারণ জনসমাগম বেশি হয় এমন প্রায় সব রাস্তায় যেখানে সেখানে ফেলা হচ্ছে কফ, থুতু। হাঁচি-কাশির দমক দেখা যাচ্ছে নিজের আশপাশে তাকালেই। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, এই শহরের বেশিরভাগ মানুষই যেন হাঁচি-কাশিতে আক্রান্ত! আসলে এর দায় ঢাকার চরম মাত্রার বায়ুদূষণের। শীতের পর প্রকৃতিতে বইছে ফাল্গুনের বাতাস, প্রকৃতি এসময় রুক্ষ-শুষ্ক। আর এসময়েই বাড়ে বায়ুদূষণ। আন্তর্জাতিক তালিকায় দূষিত বায়ুতে আক্রান্ত শহরগুলোর তালিকায় একেবারে শীর্ষেই থাকে ঢাকা। এদিকে এই দূষিত বাতাসে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি বেশি থাকায় বাড়ছে রোগবালাই। হাসপাতালে রোগী বাড়ছে বলে জানান চিকিৎসকরা।
এই নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের অনলাইন মাধ্যম। এতে লেখা হয়েছে: মৌসুম পরিবর্তন হওয়ায় ভাইরাসজনিত গলা ব্যথা, সর্দি, কাশি ও জ্বরের প্রকোপ বেড়েছে ঢাকায়। রাইনোভাইরাস, অ্যাডেনোভাইরাস বা ফ্লু, প্রধান কারণ হলেও বায়ুদূষণকেই দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। এ সময়, নবজাতক, বয়স্ক ও অন্য রোগে আক্রান্তদের বিশেষ যত্ন নেওয়ার পরামর্শ চিকিৎসকদের।
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ডা. আতিয়ার রহমান বলেন, তাপমাত্রা বাড়ছে, গরমের দিকে যাচ্ছে। যখনই তাপমাত্রা কম থাকে, ভাইরাস কম থাকে; গরম এলে এগুলো বেড়ে যায়। এ কারণে ভাইরাসজনিত সর্দি–কাশি হয়ে থাকে।
চিকিৎসকরা বলছেন, টনসিল, নাক ও গলায় অসংখ্য ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া উপস্থিত থাকে। এই সময়ে শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা কমে গেলে সেসব ভাইরাস সক্ষম হয়ে ওঠে। তাই অসুস্থ হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা।
প্রকৃতিবার্তা ডেস্ক 


















