সড়কজুড়ে অবৈধ বালুর ব্যবসা, হুমকির মুখে পরিবেশ

সড়কজুড়ে অবৈধ বালুর ব্যবসা, হুমকির মুখে পরিবেশ

চাঁদপুরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও মহাসড়কের দুই পাশে গড়ে উঠেছে দুই শতাধিক অবৈধ বালু ব্যবসা কেন্দ্র। সড়কের পাশে খোলা আকাশের নিচে স্তূপ করে রাখা বালু থেকে সারাক্ষণ ধুলাবালি উড়ে পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। এর ফলে একদিকে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন পথচারী, যাত্রী ও যানবাহন চালকেরা। বালুর কারণে সড়ক পিচ্ছিল ও দৃষ্টিসীমা কমে যাওয়ায় প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

 

এক প্রতিবেদনে এই চিত্র তুলে ধরেছে জাগো নিউজ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে: হাজীগঞ্জ উপজেলা ঘুরে দেখা যায়, টোরাগঞ্জ থেকে আলীগঞ্জ পর্যন্ত চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে গড়ে উঠেছে অন্তত ১৫টি অবৈধ বালুর ঘাট। ব্যস্ততম এ সড়ক দিয়ে ২৪ ঘণ্টা বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। অথচ সড়কের দুই পাশে প্রকাশ্যে চলছে বালু কেনাবেচা। প্রশাসন কিংবা পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছ থেকে এসব ব্যবসার জন্য নেওয়া হয়নি কোনো অনুমতিপত্র।

 

সড়ক-মহাসড়কের পাশে কিংবা ব্যক্তিগত জমির ওপর এসব ব্যবসা গড়ে তোলা হলেও প্রশাসন কিংবা পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে নেয়া হয়নি কোনো ধরনের অনুমতিপত্র।

 

শুধুমাত্র চাঁদপুর-ফরিদগঞ্জ সড়কের সাপদী, বাগাদী, গাছতলা, ঢালিরঘাট এলাকায়ও গড়ে উঠেছে অন্তত ১০টি বালু ব্যবসার কেন্দ্র। সড়কের পাশে বালু স্তূপ করে রাখায় সারাক্ষণই বাতাসে উড়ে বেড়াচ্ছে বালু।

 

চাঁদপুর সদর উপজেলার গাছতলা এলাকার বাসিন্দা তারেক হোসেন বলেন, বালুর কারণে রাস্তায় স্বাভাবিকভাবে চলাচল করা যায় না। পুরো জেলাজুড়ে সড়কের পাশে অবৈধ বালুর ব্যবসা গড়ে উঠেছে। প্রশাসন যদি সময়মতো ব্যবস্থা নিত, তাহলে আমরা এ দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পেতাম।

 

চাঁদপুর জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, যত্রতত্র বালুর ব্যবসা গড়ে ওঠার ফলে পরিবেশ বিপর্যয়ের পাশাপাশি কৃষিজমির উর্বরতাও হ্রাস পাচ্ছে। আমাদের কাছ থেকে কেউ কোনো অনুমতি নেয়নি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

সূত্র: জাগোনিউজ

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

প্লাস্টিক দূষণ রোধে বৈশ্বিক চুক্তির আলোচনা করতে নতুন নেতা নির্বাচিত  

সড়কজুড়ে অবৈধ বালুর ব্যবসা, হুমকির মুখে পরিবেশ

আপডেট সময় ১২:১৭:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

চাঁদপুরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও মহাসড়কের দুই পাশে গড়ে উঠেছে দুই শতাধিক অবৈধ বালু ব্যবসা কেন্দ্র। সড়কের পাশে খোলা আকাশের নিচে স্তূপ করে রাখা বালু থেকে সারাক্ষণ ধুলাবালি উড়ে পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। এর ফলে একদিকে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন পথচারী, যাত্রী ও যানবাহন চালকেরা। বালুর কারণে সড়ক পিচ্ছিল ও দৃষ্টিসীমা কমে যাওয়ায় প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

 

এক প্রতিবেদনে এই চিত্র তুলে ধরেছে জাগো নিউজ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে: হাজীগঞ্জ উপজেলা ঘুরে দেখা যায়, টোরাগঞ্জ থেকে আলীগঞ্জ পর্যন্ত চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে গড়ে উঠেছে অন্তত ১৫টি অবৈধ বালুর ঘাট। ব্যস্ততম এ সড়ক দিয়ে ২৪ ঘণ্টা বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। অথচ সড়কের দুই পাশে প্রকাশ্যে চলছে বালু কেনাবেচা। প্রশাসন কিংবা পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছ থেকে এসব ব্যবসার জন্য নেওয়া হয়নি কোনো অনুমতিপত্র।

 

সড়ক-মহাসড়কের পাশে কিংবা ব্যক্তিগত জমির ওপর এসব ব্যবসা গড়ে তোলা হলেও প্রশাসন কিংবা পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে নেয়া হয়নি কোনো ধরনের অনুমতিপত্র।

 

শুধুমাত্র চাঁদপুর-ফরিদগঞ্জ সড়কের সাপদী, বাগাদী, গাছতলা, ঢালিরঘাট এলাকায়ও গড়ে উঠেছে অন্তত ১০টি বালু ব্যবসার কেন্দ্র। সড়কের পাশে বালু স্তূপ করে রাখায় সারাক্ষণই বাতাসে উড়ে বেড়াচ্ছে বালু।

 

চাঁদপুর সদর উপজেলার গাছতলা এলাকার বাসিন্দা তারেক হোসেন বলেন, বালুর কারণে রাস্তায় স্বাভাবিকভাবে চলাচল করা যায় না। পুরো জেলাজুড়ে সড়কের পাশে অবৈধ বালুর ব্যবসা গড়ে উঠেছে। প্রশাসন যদি সময়মতো ব্যবস্থা নিত, তাহলে আমরা এ দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পেতাম।

 

চাঁদপুর জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, যত্রতত্র বালুর ব্যবসা গড়ে ওঠার ফলে পরিবেশ বিপর্যয়ের পাশাপাশি কৃষিজমির উর্বরতাও হ্রাস পাচ্ছে। আমাদের কাছ থেকে কেউ কোনো অনুমতি নেয়নি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

সূত্র: জাগোনিউজ