সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সিন্ধু পানিচুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতের রায় উড়িয়ে দিল ভারত Logo ইবোলা ভাইরাসে জরুরি অবস্থা ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার Logo হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ শিশুর মৃত্যু Logo থাইল্যান্ডে সবচেয়ে বড় ডাইনোসর নাগাটাইটানের খোঁজ Logo বৃষ্টি-লঘুচাপ, আগামী কয়েকদিন যেমন থাকতে পারে আবহাওয়া Logo শেরপুর জেলা প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত, নতুন কমিটি গঠন Logo এবারের কোরবানির হাট কাঁপাবে যশোরের ‘বিসিএস ক্যাডার’ Logo সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমানের জানাজায় অংশগ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo সুন্দরবনের বিপদ বাড়ছেই: ভৈরব-রূপসার তলদেশে মাইক্রোপ্লাস্টিক-ভারী ধাতু   Logo রোববার রাত থেকে টানা ১৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

সাকিব আল হাসানের মুভি নিয়ে মুখ খুললেন মেঘলা

সাকিব আল হাসানের মুভি নিয়ে মুখ খুললেন মেঘলা

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান, যিনি খেলা ছাড়াও অভিনয় জগতেও পদার্পণ করেছিলেন। ১২ বছর আগে কক্সবাজারে শুটিং হওয়া ‘সবকিছু পেছনে ফেলে’ শিরোনামের সিনেমায় অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন সাকিব। তবে সেই শুটিংয়ের মাঝপথে সাকিব তার অংশগ্রহণ বন্ধ করে দেন এবং একপর্যায়ে সিনেমার কাজও থেমে যায়।

সাকিবের আচরণের বিষয়ে নির্মাতা রাজিবুল হোসেন কিছু দিন আগে জানিয়েছিলেন যে, সাকিব শুটিংয়ের মাঝপথে জানিয়ে দেন যে তিনি আর সিনেমায় কাজ করবেন না। এরপর শুটিং বন্ধ হয়ে যায় এবং পুরো প্রজেক্ট অন্ধকারে চলে যায়।

সেই ঘটনার ১২ বছর পর প্রথমবারের মতো সাকিবের শুটিং বন্ধ করার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতী মেঘলা মুক্তা।

মেঘলা মুক্তা গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, আমি বুঝলাম না এতোদিন পরে কেন এই প্রসঙ্গে কথা উঠলো, তখন তো কথা ওঠেনি। আর সাকিব আল হাসানের সঙ্গে পরিচালকের বিজ্ঞাপনের চুক্তি নাকি সিনেমার চুক্তি হয়েছিল তা আমার জানা নেই। তবে সাকিব আল হাসান আমাদের সঙ্গে শুটিং করেছিলেন।

তিনি বলেন, আমরা তো জানি চলচ্চিত্রে কাজ করছি। এই চলচ্চিত্রের জন্য সেভাবেই আমরা প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। সাকিব আল হাসান আমাদের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন। আমরা কক্সবাজারে একটা গানের শুটিংও করেছি। পরে কী কারণে ছবিটির কাজ বন্ধ হয়ে গেল আমরা জানি না।

নির্মাতা রাজিবুল হোসেন এই ছবি প্রসঙ্গে বলেছিলেন, অনেক স্বপ্ন নিয়ে সিনেমার শুটিং শুরু হয়েছিল। সাকিব আল হাসান শুটিং করেছেন, ক্যামেরার সামনে অভিনয় করেছেন, ক্ল্যাপস্টিক ও প্রফেশনাল রেকর্ডিংয়ের মধ্য দিয়ে আমরা দৃশ্য ধারণ সম্পন্ন করি। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তিনি সিনেমায় অভিনয় করার বিষয়টি অস্বীকার করলে পুরো প্রজেক্ট অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। শুধু সাকিবের মিথ্যাচার নির্মাতা হিসেবে আমাকে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়েছে, তেমনি এটা ছিল একটি শিল্পভিত্তিক কাজের প্রতি তাঁর অসম্মান। আমি চাইলে তাঁকে ছাড়া সিনেমাটি শেষ করতে পারতাম, কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, একটি অসম্পূর্ণ সত্য দিয়ে পূর্ণ সিনেমা নির্মাণ করা যায় না।

 

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিন্ধু পানিচুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতের রায় উড়িয়ে দিল ভারত

সাকিব আল হাসানের মুভি নিয়ে মুখ খুললেন মেঘলা

আপডেট সময় ০৬:০৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান, যিনি খেলা ছাড়াও অভিনয় জগতেও পদার্পণ করেছিলেন। ১২ বছর আগে কক্সবাজারে শুটিং হওয়া ‘সবকিছু পেছনে ফেলে’ শিরোনামের সিনেমায় অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন সাকিব। তবে সেই শুটিংয়ের মাঝপথে সাকিব তার অংশগ্রহণ বন্ধ করে দেন এবং একপর্যায়ে সিনেমার কাজও থেমে যায়।

সাকিবের আচরণের বিষয়ে নির্মাতা রাজিবুল হোসেন কিছু দিন আগে জানিয়েছিলেন যে, সাকিব শুটিংয়ের মাঝপথে জানিয়ে দেন যে তিনি আর সিনেমায় কাজ করবেন না। এরপর শুটিং বন্ধ হয়ে যায় এবং পুরো প্রজেক্ট অন্ধকারে চলে যায়।

সেই ঘটনার ১২ বছর পর প্রথমবারের মতো সাকিবের শুটিং বন্ধ করার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতী মেঘলা মুক্তা।

মেঘলা মুক্তা গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, আমি বুঝলাম না এতোদিন পরে কেন এই প্রসঙ্গে কথা উঠলো, তখন তো কথা ওঠেনি। আর সাকিব আল হাসানের সঙ্গে পরিচালকের বিজ্ঞাপনের চুক্তি নাকি সিনেমার চুক্তি হয়েছিল তা আমার জানা নেই। তবে সাকিব আল হাসান আমাদের সঙ্গে শুটিং করেছিলেন।

তিনি বলেন, আমরা তো জানি চলচ্চিত্রে কাজ করছি। এই চলচ্চিত্রের জন্য সেভাবেই আমরা প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। সাকিব আল হাসান আমাদের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন। আমরা কক্সবাজারে একটা গানের শুটিংও করেছি। পরে কী কারণে ছবিটির কাজ বন্ধ হয়ে গেল আমরা জানি না।

নির্মাতা রাজিবুল হোসেন এই ছবি প্রসঙ্গে বলেছিলেন, অনেক স্বপ্ন নিয়ে সিনেমার শুটিং শুরু হয়েছিল। সাকিব আল হাসান শুটিং করেছেন, ক্যামেরার সামনে অভিনয় করেছেন, ক্ল্যাপস্টিক ও প্রফেশনাল রেকর্ডিংয়ের মধ্য দিয়ে আমরা দৃশ্য ধারণ সম্পন্ন করি। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তিনি সিনেমায় অভিনয় করার বিষয়টি অস্বীকার করলে পুরো প্রজেক্ট অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। শুধু সাকিবের মিথ্যাচার নির্মাতা হিসেবে আমাকে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়েছে, তেমনি এটা ছিল একটি শিল্পভিত্তিক কাজের প্রতি তাঁর অসম্মান। আমি চাইলে তাঁকে ছাড়া সিনেমাটি শেষ করতে পারতাম, কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, একটি অসম্পূর্ণ সত্য দিয়ে পূর্ণ সিনেমা নির্মাণ করা যায় না।