সংবাদ শিরোনাম ::
Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা Logo আজ থেকে ১১ জুন পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা Logo ১৬ এপ্রিলের আবহাওয়া স্বস্তিদায়ক হতে পারে, তবে এরপর আবার গরম Logo মিরসরাইয়ে হরিণ জবাই! জড়িতদের ধরতে বন বিভাগের অভিযান Logo জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা Logo প্রাণী নির্যাতন বন্ধে সরকারের কাছে আইনি নোটিশ Logo কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপার ক্ষোভ: এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ Logo পহেলা বৈশাখে আকাশ থাকতে পারে মেঘলা, তাপপ্রবাহ চলছে, সঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা Logo পহেলা বৈশাখে বন্ধ থাকবে মেট্রোরেলের দুটি স্টেশন

সারাদেশে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে বিভিন্ন অঙ্কের জরিমানা ও জব্দ

সারাদেশে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে বিভিন্ন অঙ্কের জরিমানা ও জব্দ

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘন করায় আজ সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজবাড়ী ও সুনামগঞ্জ জেলায় পরিবেশ অধিদপ্তর দু’টি অভিযান পরিচালনা করেছে। এই অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন উৎপাদন, বিক্রয়, সরবরাহ ও বাজারজাত করার দায়ে মোট তিনটি মামলা করা হয় এবং সাত হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এসময় ৬৮ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয়।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে: “একই দিনে ঢাকার কল্যাণপুর এলাকায় যানবাহন কর্তৃক মানমাত্রাতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনের বিরুদ্ধে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযানে চারটি মামলায় মোট চৌদ্দ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং কয়েকটি পরিবহনের চালককে সতর্ক করা হয়।

 

এছাড়া শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০০৬ অনুসারে ঢাকার কল্যাণপুর ও মিরপুর এলাকায় শব্দদূষণ বিরোধী মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে সাতটি মামলার মাধ্যমে চব্বিশ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং ১০টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত সারা দেশে যানবাহন কর্তৃক কালো ধোঁয়া নির্গমন, বায়ুদূষণকারী অবৈধ ইটভাটা, স্টিল মিল, শব্দদূষণ, ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য নির্গমন, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সীসা/ব্যাটারি রি-সাইক্লিং কারখানা, জলাশয় ভরাট, টায়ার পাইরোলাইসিস, চারকোল কারখানা এবং খোলা অবস্থায় নির্মাণ সামগ্রী ফেলে রাখা ইত্যাদির বিরুদ্ধে মোট ১ হাজার ৬৩৩টি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়।এসব অভিযানে ৪ হাজার ৩৮টি মামলার মাধ্যমে ২৬ কোটি ৪৯ লক্ষ ৭০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

 

একই সময়ে ৪৮৯টি ইটভাটার চিমনি ভেঙে সম্পূর্ণ কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়, ২১৬টি ইটভাটাকে বন্ধের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়, ১৩৩টি ভাটার কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়, ২৫টি পলিথিন উৎপাদনকারী কারখানার সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও সিলগালা করা হয়, ১৪৭টি প্রতিষ্ঠানের সেবা ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়, ৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং ১৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে ১১ ট্রাক সীসা/ব্যাটারি গলানোর যন্ত্রপাতি জব্দ করে কারখানাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।

 

পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের দূষণবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া

সারাদেশে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে বিভিন্ন অঙ্কের জরিমানা ও জব্দ

আপডেট সময় ০৬:৩৪:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘন করায় আজ সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজবাড়ী ও সুনামগঞ্জ জেলায় পরিবেশ অধিদপ্তর দু’টি অভিযান পরিচালনা করেছে। এই অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন উৎপাদন, বিক্রয়, সরবরাহ ও বাজারজাত করার দায়ে মোট তিনটি মামলা করা হয় এবং সাত হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এসময় ৬৮ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয়।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে: “একই দিনে ঢাকার কল্যাণপুর এলাকায় যানবাহন কর্তৃক মানমাত্রাতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনের বিরুদ্ধে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযানে চারটি মামলায় মোট চৌদ্দ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং কয়েকটি পরিবহনের চালককে সতর্ক করা হয়।

 

এছাড়া শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০০৬ অনুসারে ঢাকার কল্যাণপুর ও মিরপুর এলাকায় শব্দদূষণ বিরোধী মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে সাতটি মামলার মাধ্যমে চব্বিশ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং ১০টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত সারা দেশে যানবাহন কর্তৃক কালো ধোঁয়া নির্গমন, বায়ুদূষণকারী অবৈধ ইটভাটা, স্টিল মিল, শব্দদূষণ, ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য নির্গমন, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সীসা/ব্যাটারি রি-সাইক্লিং কারখানা, জলাশয় ভরাট, টায়ার পাইরোলাইসিস, চারকোল কারখানা এবং খোলা অবস্থায় নির্মাণ সামগ্রী ফেলে রাখা ইত্যাদির বিরুদ্ধে মোট ১ হাজার ৬৩৩টি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়।এসব অভিযানে ৪ হাজার ৩৮টি মামলার মাধ্যমে ২৬ কোটি ৪৯ লক্ষ ৭০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

 

একই সময়ে ৪৮৯টি ইটভাটার চিমনি ভেঙে সম্পূর্ণ কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়, ২১৬টি ইটভাটাকে বন্ধের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়, ১৩৩টি ভাটার কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়, ২৫টি পলিথিন উৎপাদনকারী কারখানার সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও সিলগালা করা হয়, ১৪৭টি প্রতিষ্ঠানের সেবা ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়, ৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং ১৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে ১১ ট্রাক সীসা/ব্যাটারি গলানোর যন্ত্রপাতি জব্দ করে কারখানাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।

 

পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের দূষণবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”