পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়া কাপের নবম শিরোপা জিতেছে ভারত। কিন্তু এখনও ট্রফি ঘরে তুলতে পারেনি ম্যান ইন ব্লুরা। কারণ, চ্যাম্পিয়নদের ট্রফি এখনও রয়েছে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) কাছে। তবে সূর্যকুমার দাবি করেছে, তারা ট্রফি নিয়ে পালিয়ে গেছে।
নিয়ম অনুযায়ী, বিজয়ী দলকে ট্রফি তুলে দেওয়ার কথা টুর্নামেন্টের আয়োজক এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) প্রধান মহসিন নাকভির। ফাইনাল শেষ হওয়ার পর অন্য অতিথিদের সঙ্গে মঞ্চেও উপস্থিত ছিলেন এসিসির ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সভাপতি।
কিন্তু বেঁকে বসে ভারত। নাকভির হাত থেকে ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি জানান ভারতীয় ক্রিকেটাররা। সূর্যকুমার-হার্দিক পান্ডিয়াদের এমন ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ট্রফি ও তাদের মেডেল সঙ্গে নিয়ে যান এসিসি ও পিসিবির সভাপতি।
নাকভি এসিসি চেয়ারম্যানের বিধি অনুযায়ী ট্রফি দেওয়ার বিষয়ে অনড় থাকেন। তখন উপস্থাপনার দায়িত্বে থাকা সাবেক নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটার সাইমন ডুল ঘোষণা দেন, ‘আমাকে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল জানিয়েছে যে আজ রাতে ভারতীয় দল তাদের পুরস্কার গ্রহণ করবে না। সুতরাং এখানেই ম্যাচ পরবর্তী পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষ হচ্ছে।’
কোনো টুর্নামেন্টের ফাইনালের পর এমন অপ্রীতিকর ঘটনা বোধ হয় ক্রিকেট ইতিহাসে আগে কখনও দেখা যায়নি।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সূর্যকুমার যাদব বলেন, আমরা তো ড্রেসিংরুমের দরজা বন্ধ করে বসে ছিলাম না। কাউকে অপেক্ষায়ও রাখিনি। ওরাই ট্রফি নিয়ে পালিয়ে গেছে। আমি সেটিই দেখেছি। আমি জানি না, কিছু লোক আমাদের ভিডিও করছিল। আমরা তখন দাঁড়িয়েই ছিলাম। ভেতরে যাইনি।
গুঞ্জন ছিল, ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) কিংবা দেশের সরকারের নির্দেশে পিসিবি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি জানান সূর্যকুমাররা। তবে এমন গুঞ্জন উড়িয়ে দেন ভারতীয় দলপতি।
তিনি বলেন, প্রথমেই পরিষ্কার করে বলি, পুরো টুর্নামেন্টে সরকার বা বিসিসিআই আমাদের বলেনি যে যদি কেউ ট্রফি দেয়, আমরা নেব না। মাঠে আমরা নিজেরাই ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তারা (এসিসি কর্মকর্তারা) তখন মঞ্চে দাঁড়িয়ে ছিলেন, আর আমরা নিচে।
তিনি আরও বলেন, আমি শুধু দেখেছি, তারা মঞ্চে নিজেদের মধ্যে কথা বলছিল। কী নিয়ে বলছিল, সেটি আমি জানি না। এরই মধ্যে গ্যালারি থেকে কিছু মানুষ দুয়ো দিতে শুরু করল। তারপর দেখি, তাদের একজন প্রতিনিধি ট্রফিটা নিয়ে চলে গেল।
ডেস্ক রিপোর্ট 






















