বিপুল পরিমাণে স্বর্ণ চোরাচালানের অভিযোগে গেল মার্চ মাসে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ভারতের কন্নড় অভিনেত্রী রান্যা রাওকে। অভিনেত্রীর সেই কেলেঙ্কারিতেই এবার ১০২ কোটি টাকা জরিমানা করল ডিরেক্টরেট অফ রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স (ডিআরআই)।
গত ৩ মার্চ দুবাই থেকে কেম্পেগৌড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে ১৪.২ কেজি সোনা ভারতে আনার চেষ্টা করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হন এই দক্ষিণী সুন্দরী। এই বাজেয়াপ্তকরণ সাম্প্রতিক মাসগুলিতে অন্যতম বৃহত্তম ছিল এবং কর্ণাটকের চলচ্চিত্র শিল্প এবং ব্যবসায়ী সম্প্রদায় উভয়কেই নাড়িয়ে দেয়। সবচেয়ে আর্শ্চযের বিষয় হল রান্যা শুধু গ্ল্যামার জগতের সঙ্গে যুক্ত নন, ডিজিপি পদমর্যাদায় রয়েছেন তার সৎ বাবা।
তদন্তকারীদের অভিযোগ, অভিনেত্রী চোরাচালান অভিযানেটির সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন। এই মামলায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রান্যার পাশাপাশি ব্যবসায়ী তরুণ কোন্ডারাজু, এবং গয়না ব্যবসায়ী সাহিল সাখারিয়া জৈন ও ভরত কুমার জৈন পুলিশের জালে ধরা পড়েন।
প্রথমজন পরিবহনের যাবতীয় ব্যবস্থা করেছিল, ওদিকে যারা সোনা বিক্রির বিষয়টি পরিচালনা করেছিলেন এবং হাওয়ালা চ্যানেলের মাধ্যমে উপার্জন সরিয়ে নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। চারজনই পারাপ্পানা অগ্রহারা কেন্দ্রীয় কারাগারে হেফাজতে রয়েছেন।
ভারতের ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন অ্যান্ড দ্য কনজারভেশন অফ ফরেন এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড প্রিভেনশন অফ স্মাগলিং অ্যাক্টিভিটিস অ্যাক্টের (সিওএফইপিওএসএ) আওতায় অভিযুক্তদের নোটিস পাঠিয়েছে ডিআরআই। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সিবিআইয়ের মুম্বাই বিভাগের কর্মকর্তারা কারাগারে ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ পৌঁছে দিয়েছেন, সাথে বিস্তারিত নথি এবং প্রমাণের রূপরেখা রয়েছে।
এক আধিকারিক বলেন, “জব্দ করা সোনার বাজার মূল্যের সঙ্গে শুল্ক মিলিয়ে জরিমানার হিসেব করা হয়েছে, যা তদন্তকারীরা বলছেন যে ফাঁকি দেওয়া হয়েছে।”
এটা শুধু আর্থিক জরিমানা। আইন অনুযায়ী মামলা চলবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা। মামলাটি কেবল রাওয়ের জড়িত থাকার কারণেই নয়, হাওয়ালা অপারেটর এবং আন্তঃসীমান্ত আর্থিক নেটওয়ার্কগুলির সাথে কথিত সংযোগের কারণেও ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।
কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে যে এই চক্রটি দক্ষিণ ভারতের বিমানবন্দরগুলি ব্যবহার করে বৃহত্তর চোরাচালান সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত থাকতে পারে।
ডেস্ক রিপোর্ট 
























