সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চলতি সপ্তাহে দেশজুড়ে গরমের অনুভূতি কিছুটা বাড়তে পারে Logo মৎস্য-জীববৈচিত্র্য রক্ষায় হালদা অববাহিকার মানিকছড়ি অংশে তামাক চাষ বন্ধ Logo মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা Logo আবারও ইমরান খানের অসুস্থতার গুঞ্জন, বিরোধী দল ও তারকা ক্রিকেটারদের চাপে সরকার Logo টানা পাঁচ দিনের ছুটির পর আগামীকাল খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান Logo রামপুরায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ৪ মার্চ Logo হিন্দুস্তান টাইমস: তারেক সরকারের শপথে মোদির আসার সম্ভাবনা নেই Logo এ বিজয় বাংলাদেশের, এ বিজয় গণতন্ত্রের : তারেক রহমান Logo শীত শেষে কিভাবে গরম কাপড় গুছিয়ে রাখবেন Logo সুন্দরবন দিবসকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতির দাবি

৩ মাস পর সবার জন্য ‘খুলছে’ সুন্দরবন

৩ মাস পর সবার জন্য 'খুলছে' সুন্দরবন (ছবি-প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন)

তিন মাস বন্ধ থাকার পর আবারও খুলছে সুন্দরবনের দ্বার। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) থেকে সুন্দরবনে প্রবেশাধিকার দেওয়া হচ্ছে পর্যটক, বাওয়ালি, জেলে ও মৌয়ালদের। ফলে সুন্দরবনজুড়ে নতুন উদ্যমে শুরু হবে জেলেদের মাছ ধরা ও পর্যটকদের আনাগোনা। ইতোমধ্যেই ১১টি পর্যটনকেন্দ্র ও অভয়ারণ্য এলাকায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বন বিভাগ।

 

বন্যপ্রাণী ও মাছের প্রজনন মৌসুম হওয়ায় গত ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের নদ-নদী, খাল ও বনে মাছ ধরা এবং পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল।

 

সুন্দরবন ২৪ ঘণ্টায় রূপ বদলায় ছয়বার। মৌয়াল, জেলে ও বাওয়ালি মিলে ২৫ থেকে ৩০ লাখ মানুষ সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল। জাতিসংঘের ইউনেস্কো কমিশন ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর সুন্দরবনের কটকা-কচিখালী, নীলকমল, দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ-মান্দারবাড়িয়া সমুদ্রসৈকত এ তিনটি জোনের ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭০০ হেক্টর এলাকাকে পৃথিবীর ৫৫২তম বিশ্ব ঐতিহ্য (ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ) হিসেবে ঘোষণা করে।

 

সুন্দরবন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যে ভরপুর। প্রায় ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই সুন্দরবন খুব ভোরে এক রূপ। দুপুরে অন্য রূপ। পড়ন্ত বিকালে আরেক রূপ। সন্ধ্যায় সাজে ভিন্ন রূপে। মধ্য ও গভীর রাতে সৌন্দর্য আরেক রকম। চাঁদনি রাতে এই বনের মোহনীয় রূপ পর্যটকদের মোহিত করে। কচিখালী সমুদ্রসৈকত থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার রয়েছে সুযোগ। সুন্দরবনে প্রতি বছর মধু আহরণ মৌসুমে অন্তত ১ হাজার মৌয়াল বনে প্রবেশ করেন। এ ছাড়া জেলে ও বাওয়ালি মিলে ২৫ থেকে ৩০ লাখ মানুষ এ বনের ওপর নির্ভরশীল। সুন্দরবনের মোট আয়তনের মধ্যে বনের পরিমাণ ৪ হাজার ১৪৩ বর্গকিলোমিটার ও জল ১ হাজার ৮৭৪ বর্গকিলোমিটার। এ বনে রয়েছে প্রায় ৪৫০টি নদনদী ও খাল। সুন্দরী, গেওয়া, পশুর, গরান, গোলপাতাসহ ৩৩৪ প্রজাতির গাছপালা, ১৬৫ প্রজাতির শৈবাল ও ১৩ প্রজাতির অর্কিড রয়েছে। বিশ্বখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রল-মায়া হরিণ, লোনা পানির কুমির, অজগর, কচ্ছপ, বিশ্বের বিলুপ্তপ্রায় ইরাবতী ডলফিনসহ ৩৭৫ প্রজাতির বন্যপ্রাণী রয়েছে।

ড্রোন থেকে ধারণ করা সুন্দরবন (ছবি-প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন)

এর মধ্যে ৩২ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৩৫ সরীসৃপ, আট উভচর ও ৩০০ প্রজাতির পাখি রয়েছে। ২০০৪ সালে ইউএনডিপির প্রাণী জরিপ অনুযায়ী, সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগার আছে ৪৪০টি, হরিণ দেড় লাখ, বানর ৫০ হাজার, বন্যশূকর ২৫ হাজার, কুমির ২০০, উদ্বিড়াল ২৫ হাজার। ২১০ প্রজাতির সাদা মাছ, ২৬ প্রজাতির চিংড়ি, ১৩ প্রজাতির কাঁকড়া, ১ প্রজাতির লবস্টার ও ৪২ প্রজাতির মালাস্কা। এ বন থেকে প্রতিবছর মধু আহরণ করা হয় ১৫ থেকে ২০ হাজার মণ।

বাংলাদেশকে ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রবল দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে চলেছে সুন্দরবন। তবে মানুষের আগ্রাসী স্বভাবে এই বনের জীববৈচিত্র্য বিপন্ন হওয়ায় প্রতি বছর বন্যপ্রাণী ও জলজপ্রাণীদের প্রজনন মৌসুম বিশেষ করে জুন থেকে আগস্ট এই বনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হচ্ছে।

 

তবে এই নিষেধাজ্ঞা বনজীবীদের জন্য কষ্টের। এই সময়ে সুন্দরবনের বিভিন্ন অঞ্চলে জেলে ও বনজীবীদের নৌযান চলাচল বন্ধ থাকে। নিষেধাজ্ঞার কারণে হাজারো জেলে ও বনজীবী সংকটে পড়েন। সরকার থেকে যে সহায়তা দেওয়া হয়, তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।

 

ভুক্তভোগীদের দাবি, নিষেধাজ্ঞা চলাকালে যদি বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায়, তাহলে জেলে পরিবারগুলো দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র থেকে মুক্তি পাবে।

 

এদিকে, পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন ও পর্যটনকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির জানিয়েছেন, পর্যটকদের স্বাগত জানাতে কটকা, কচিখালী, করমজল, হারবাড়িয়া ও আন্ধারমানিকসহ ১১টি পর্যটনকেন্দ্র সম্পূর্ণ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। লোকসমাগম না থাকায় হরিণ ও বানরসহ বন্যপ্রাণীর সংখ্যা বেড়েছে। এখন সকাল-বিকেল হরিণের দৌড়ঝাঁপ সহজেই দেখা যায়।

 

এ ছাড়া মাছ ধরা ও পর্যটন কার্যক্রমের জন্য অনুমতিপত্র (পাস) ইস্যু শুরু হবে। সংশ্লিষ্ট টহল ফাঁড়িগুলোকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

বাগেরহাট পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, পর্যটকদের বরণ ও জেলেদের মাছ ধরার জন্য বন বিভাগ সম্পূর্ণ প্রস্তুত। মৎস্যজীবী ও বনজীবীদের সহায়তার জন্য মন্ত্রণালয়ে তালিকা পাঠানো হয়েছিল, যা যাচাই করছে মৎস্য দপ্তর। আগামী বছর থেকে জেলেরা খাদ্য সহায়তা পাবেন।

 

তিনি আরও বলেন, বনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রতি বছরের মতো এবারও ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে পর্যটক ও বনজীবীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। এ সময়ে মাছ আহরণ বন্ধ থাকায় নদী-খালে মাছের প্রজনন বেড়েছে। সুন্দরবনের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় ২০১৯ সাল থেকে ইন্টিগ্রেটেড রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট প্ল্যানিংয়ের সুপারিশ অনুযায়ী প্রতিবছর তিন মাস সুন্দরবন বন্ধ রাখা হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

চলতি সপ্তাহে দেশজুড়ে গরমের অনুভূতি কিছুটা বাড়তে পারে

৩ মাস পর সবার জন্য ‘খুলছে’ সুন্দরবন

আপডেট সময় ০১:৪২:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

তিন মাস বন্ধ থাকার পর আবারও খুলছে সুন্দরবনের দ্বার। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) থেকে সুন্দরবনে প্রবেশাধিকার দেওয়া হচ্ছে পর্যটক, বাওয়ালি, জেলে ও মৌয়ালদের। ফলে সুন্দরবনজুড়ে নতুন উদ্যমে শুরু হবে জেলেদের মাছ ধরা ও পর্যটকদের আনাগোনা। ইতোমধ্যেই ১১টি পর্যটনকেন্দ্র ও অভয়ারণ্য এলাকায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বন বিভাগ।

 

বন্যপ্রাণী ও মাছের প্রজনন মৌসুম হওয়ায় গত ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের নদ-নদী, খাল ও বনে মাছ ধরা এবং পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল।

 

সুন্দরবন ২৪ ঘণ্টায় রূপ বদলায় ছয়বার। মৌয়াল, জেলে ও বাওয়ালি মিলে ২৫ থেকে ৩০ লাখ মানুষ সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল। জাতিসংঘের ইউনেস্কো কমিশন ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর সুন্দরবনের কটকা-কচিখালী, নীলকমল, দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ-মান্দারবাড়িয়া সমুদ্রসৈকত এ তিনটি জোনের ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭০০ হেক্টর এলাকাকে পৃথিবীর ৫৫২তম বিশ্ব ঐতিহ্য (ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ) হিসেবে ঘোষণা করে।

 

সুন্দরবন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যে ভরপুর। প্রায় ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই সুন্দরবন খুব ভোরে এক রূপ। দুপুরে অন্য রূপ। পড়ন্ত বিকালে আরেক রূপ। সন্ধ্যায় সাজে ভিন্ন রূপে। মধ্য ও গভীর রাতে সৌন্দর্য আরেক রকম। চাঁদনি রাতে এই বনের মোহনীয় রূপ পর্যটকদের মোহিত করে। কচিখালী সমুদ্রসৈকত থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার রয়েছে সুযোগ। সুন্দরবনে প্রতি বছর মধু আহরণ মৌসুমে অন্তত ১ হাজার মৌয়াল বনে প্রবেশ করেন। এ ছাড়া জেলে ও বাওয়ালি মিলে ২৫ থেকে ৩০ লাখ মানুষ এ বনের ওপর নির্ভরশীল। সুন্দরবনের মোট আয়তনের মধ্যে বনের পরিমাণ ৪ হাজার ১৪৩ বর্গকিলোমিটার ও জল ১ হাজার ৮৭৪ বর্গকিলোমিটার। এ বনে রয়েছে প্রায় ৪৫০টি নদনদী ও খাল। সুন্দরী, গেওয়া, পশুর, গরান, গোলপাতাসহ ৩৩৪ প্রজাতির গাছপালা, ১৬৫ প্রজাতির শৈবাল ও ১৩ প্রজাতির অর্কিড রয়েছে। বিশ্বখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রল-মায়া হরিণ, লোনা পানির কুমির, অজগর, কচ্ছপ, বিশ্বের বিলুপ্তপ্রায় ইরাবতী ডলফিনসহ ৩৭৫ প্রজাতির বন্যপ্রাণী রয়েছে।

ড্রোন থেকে ধারণ করা সুন্দরবন (ছবি-প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন)

এর মধ্যে ৩২ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৩৫ সরীসৃপ, আট উভচর ও ৩০০ প্রজাতির পাখি রয়েছে। ২০০৪ সালে ইউএনডিপির প্রাণী জরিপ অনুযায়ী, সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগার আছে ৪৪০টি, হরিণ দেড় লাখ, বানর ৫০ হাজার, বন্যশূকর ২৫ হাজার, কুমির ২০০, উদ্বিড়াল ২৫ হাজার। ২১০ প্রজাতির সাদা মাছ, ২৬ প্রজাতির চিংড়ি, ১৩ প্রজাতির কাঁকড়া, ১ প্রজাতির লবস্টার ও ৪২ প্রজাতির মালাস্কা। এ বন থেকে প্রতিবছর মধু আহরণ করা হয় ১৫ থেকে ২০ হাজার মণ।

বাংলাদেশকে ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রবল দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে চলেছে সুন্দরবন। তবে মানুষের আগ্রাসী স্বভাবে এই বনের জীববৈচিত্র্য বিপন্ন হওয়ায় প্রতি বছর বন্যপ্রাণী ও জলজপ্রাণীদের প্রজনন মৌসুম বিশেষ করে জুন থেকে আগস্ট এই বনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হচ্ছে।

 

তবে এই নিষেধাজ্ঞা বনজীবীদের জন্য কষ্টের। এই সময়ে সুন্দরবনের বিভিন্ন অঞ্চলে জেলে ও বনজীবীদের নৌযান চলাচল বন্ধ থাকে। নিষেধাজ্ঞার কারণে হাজারো জেলে ও বনজীবী সংকটে পড়েন। সরকার থেকে যে সহায়তা দেওয়া হয়, তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।

 

ভুক্তভোগীদের দাবি, নিষেধাজ্ঞা চলাকালে যদি বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায়, তাহলে জেলে পরিবারগুলো দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র থেকে মুক্তি পাবে।

 

এদিকে, পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন ও পর্যটনকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির জানিয়েছেন, পর্যটকদের স্বাগত জানাতে কটকা, কচিখালী, করমজল, হারবাড়িয়া ও আন্ধারমানিকসহ ১১টি পর্যটনকেন্দ্র সম্পূর্ণ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। লোকসমাগম না থাকায় হরিণ ও বানরসহ বন্যপ্রাণীর সংখ্যা বেড়েছে। এখন সকাল-বিকেল হরিণের দৌড়ঝাঁপ সহজেই দেখা যায়।

 

এ ছাড়া মাছ ধরা ও পর্যটন কার্যক্রমের জন্য অনুমতিপত্র (পাস) ইস্যু শুরু হবে। সংশ্লিষ্ট টহল ফাঁড়িগুলোকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

বাগেরহাট পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, পর্যটকদের বরণ ও জেলেদের মাছ ধরার জন্য বন বিভাগ সম্পূর্ণ প্রস্তুত। মৎস্যজীবী ও বনজীবীদের সহায়তার জন্য মন্ত্রণালয়ে তালিকা পাঠানো হয়েছিল, যা যাচাই করছে মৎস্য দপ্তর। আগামী বছর থেকে জেলেরা খাদ্য সহায়তা পাবেন।

 

তিনি আরও বলেন, বনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রতি বছরের মতো এবারও ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে পর্যটক ও বনজীবীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। এ সময়ে মাছ আহরণ বন্ধ থাকায় নদী-খালে মাছের প্রজনন বেড়েছে। সুন্দরবনের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় ২০১৯ সাল থেকে ইন্টিগ্রেটেড রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট প্ল্যানিংয়ের সুপারিশ অনুযায়ী প্রতিবছর তিন মাস সুন্দরবন বন্ধ রাখা হয়।