সংবাদ শিরোনাম ::

৭ মে পর্যন্ত বৃষ্টির আভাস, হাওরে ধান নিয়ে দিশেহারা কৃষক

৭ মে পর্যন্ত বৃষ্টির আভাস, হাওরে ধান নিয়ে দিশেহারা কৃষক

৭ মে পর্যন্ত বৃষ্টি অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে মাঝারি-ভারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত পরীলক্ষিত হয়েছে। মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে ৬২ মিমি ও হবিগঞ্জ জেলার হবিগঞ্জে ৫১ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।  সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলে নদীসমূহের পানির সমতল ঘণ্টায় ১ থেকে ২ সেন্টিমিটার হারে ধীরগতিতে বাড়ছে।

ভারতের বিশেষ ‍বুলেটিন অনুযায়ী মেঘালয়-আসামে মাঝারি থেকে মাঝারি-ভারি বৃষ্টিপাত দেখা দিয়েছে। মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে ৪১ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে প্রতিদিনই তলিয়ে যাচ্ছে হাওরের নতুন নতুন এলাকার ধানখেত। টানা বৃষ্টিতে খেতের ফসল ঘরে তুলতে পারছেন না কৃষক। আর রোদে শুকাতে না পারায় নষ্ট হচ্ছে মাড়াই করা ধান। ফসলের ক্ষতিতে বিপাকে পড়েছেন কৃষকেরা।

হবিগঞ্জে বৃষ্টির মধ্যেই পানিতে তলিয়ে যাওয়া ধান কাটছেন কৃষকেরা। বৈরী আবহাওয়া ও শ্রমিক সংকটে ফসল নিয়ে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন তারা।

মৌলভীবাজারেও থেমে থেমে বৃষ্টি। ধান কাটা, মাড়াই ও শুকানো নিয়ে বিড়ম্বনায় চাষিরা। বৃষ্টিতে পানি ওঠায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাউয়াদিঘি ও হাকালুকি হাওরের ধান।

সুনামগঞ্জে নতুন করে পানিতে তলিয়েছে ২ হাজারের বেশি হেক্টর জমির ধান। আগামী ৭ মে পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হবে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, ‘চার দিন ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। এছাড়া আগাম বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে আমাদের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এটি যেকোনো সময় বন্যায় রুপ নিতে পারে।’

উজানের ঢলে কিশোরগঞ্জের নদ-নদীর পানি বাড়ায় তলিয়ে গেছে হাওরাঞ্চলের ৮ উপজেলার সাড়ে ছয় হাজার হেক্টর জমির ধান। এদিকে, বাড়তি মজুরি দিয়েও মিলছে না ধান কাটার শ্রমিক।

বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোণার কংশ, উপদাখালিসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়ছে। বেশিরভাগ হাওরের ধান কাটা বাকি থাকায় ফসল নিয়ে বাড়ছে উৎকণ্ঠা

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

৭ মে পর্যন্ত বৃষ্টির আভাস, হাওরে ধান নিয়ে দিশেহারা কৃষক

আপডেট সময় ১২:১২:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

৭ মে পর্যন্ত বৃষ্টি অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে মাঝারি-ভারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত পরীলক্ষিত হয়েছে। মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে ৬২ মিমি ও হবিগঞ্জ জেলার হবিগঞ্জে ৫১ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।  সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলে নদীসমূহের পানির সমতল ঘণ্টায় ১ থেকে ২ সেন্টিমিটার হারে ধীরগতিতে বাড়ছে।

ভারতের বিশেষ ‍বুলেটিন অনুযায়ী মেঘালয়-আসামে মাঝারি থেকে মাঝারি-ভারি বৃষ্টিপাত দেখা দিয়েছে। মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে ৪১ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে প্রতিদিনই তলিয়ে যাচ্ছে হাওরের নতুন নতুন এলাকার ধানখেত। টানা বৃষ্টিতে খেতের ফসল ঘরে তুলতে পারছেন না কৃষক। আর রোদে শুকাতে না পারায় নষ্ট হচ্ছে মাড়াই করা ধান। ফসলের ক্ষতিতে বিপাকে পড়েছেন কৃষকেরা।

হবিগঞ্জে বৃষ্টির মধ্যেই পানিতে তলিয়ে যাওয়া ধান কাটছেন কৃষকেরা। বৈরী আবহাওয়া ও শ্রমিক সংকটে ফসল নিয়ে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন তারা।

মৌলভীবাজারেও থেমে থেমে বৃষ্টি। ধান কাটা, মাড়াই ও শুকানো নিয়ে বিড়ম্বনায় চাষিরা। বৃষ্টিতে পানি ওঠায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাউয়াদিঘি ও হাকালুকি হাওরের ধান।

সুনামগঞ্জে নতুন করে পানিতে তলিয়েছে ২ হাজারের বেশি হেক্টর জমির ধান। আগামী ৭ মে পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হবে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, ‘চার দিন ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। এছাড়া আগাম বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে আমাদের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এটি যেকোনো সময় বন্যায় রুপ নিতে পারে।’

উজানের ঢলে কিশোরগঞ্জের নদ-নদীর পানি বাড়ায় তলিয়ে গেছে হাওরাঞ্চলের ৮ উপজেলার সাড়ে ছয় হাজার হেক্টর জমির ধান। এদিকে, বাড়তি মজুরি দিয়েও মিলছে না ধান কাটার শ্রমিক।

বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোণার কংশ, উপদাখালিসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়ছে। বেশিরভাগ হাওরের ধান কাটা বাকি থাকায় ফসল নিয়ে বাড়ছে উৎকণ্ঠা